সদ্য সংবাদ

 করোনায় আক্রান্ত ৩৫৭৪ জন পুলিশ সদস্য   বলিউডে নাম লেখাতে যাচ্ছেন মিঠুন চক্রবর্তীর মেয় দিশানি  ট্রাম্পের সেই হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন ওষুধে করোনা রোগীর মৃত্যুঝুঁকি   গণস্বাস্থ্য করোনা পরীক্ষা করবে, সবার জন্য উন্মুক্ত   চুমু দিয়ে গ্রে প্রেমিকাকেফতার ইরানি খেলোয়াড়  পোশাক কারখানা মালিকের কান্না আন্তর্জাতিক মাধ্যমে   করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি পুতুল   সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩, আহত ৪   হরিণাকুন্ডু নাগরিক সেবা বন্ধ ঘোষণা ইউপি চেয়ারম্যানদের   ঝিনাইদহের ডালিয়া ফার্মে প্রতিদিন ফ্রি দুধ বিতরন   পাকিস্তানের করাচিতে যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৩৭   করোনায় আক্রান্ত র‍্যাব ৪-এর অধিনায়ক  চাঁদ দেখা যায়নি। সৌদি আরবে ঈদুল ফিতর রবিবার  আশুলিয়ার আউকপাড়া মাদক ব্যবসায়ী ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি।  করোনার কারণে প্রবাসীদের ৮৭ শতাংশের আয়ের কোনো উৎস নেই  দুবাই সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন ফিরে আসা সাংবাদিক এইচ ইমরান।  কালকিনিতে ১৩১ বাড়িতে লাল নিশানা লাগিয়ে দিলো প্রশাসন  করোনার বিরুদ্ধে সাইফুল ইসলাম শান্তির অভিযান শুরু  রংপুরে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে মাস্ক বিতরণ  নরসিংদীতে হোম কোয়ারেন্টিনে ২০৫ প্রবাসী

ইসির কারণে স্মার্টকার্ড বিড়ম্বনায় নাগরিকেরা বঞ্চিত হচ্ছেন।

 Sun, Oct 30, 2016 1:44 PM
ইসির কারণে স্মার্টকার্ড বিড়ম্বনায় নাগরিকেরা বঞ্চিত হচ্ছেন।

ডেস্ক রিপোর্ট:: পরীক্ষামূলকভাবে ঢাকা মহানগরে স্মার্টকার্ড বিতরণ শুরু করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বিতরণকালে বিভিন্ন সমস্যার কারণে বেশির ভাগ কার্ডই বিতরণ সম্ভব হচ্ছে না। ইসির সমন্বয়হীনতার কারণেই নাগরিকেরা বঞ্চিত হচ্ছেন। বঞ্চিতরা কবে নাগাদ এ কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন, তা জানাতে পারছে না ইসি।

ইসির হিসাব অনুযায়ী, জাতীয় তথ্যভাণ্ডারে কমপে আড়াই কোটি ভোটারের তথ্যে বড় ধরনের ভুল রয়েছে। ২০০৭ সালে প্রথমবারের মতো দেশে ছবিসহ ভোটার তালিকার প্রচলন হয়। প্রশিতি জনবল ও অভিজ্ঞতা না থাকায় ওই সময়ের এনআইডি কার্ডধারীদের তথ্যে গুরুতর ত্রুটি থেকে যায়। ত্রুটিযুক্ত কার্ডধারীর প্রকৃত সংখ্যা কত, তার হিসাব নেই ইসির কাছে। এ ছাড়া ওই সময়ে যারা ভোটার হয়েছেন, গত সাত বছরে তাদের ব্যক্তিগত তথ্যে অনেক পরিবর্তন এসেছে।
ইসি কর্মকর্তারা জানান, জাতীয় পরিচয়পত্রে থাকা ভুল তথ্য সংশোধন কিংবা যাচাই-বাছাই না করেই ছাপা হচ্ছে স্মার্টকার্ড। ফলে নাগরিকেরা স্মার্টকার্ড নিতে এসে বিড়ম্বনায় পড়ছেন।
ভুল নিয়ে স্মার্টকার্ড হাতে পেলেও সংশোধনের জন্য কী পদ্ধতি হবে এবং কবে সংশোধন হবে তা বলতে পারছেন না ইসি কর্মকর্তারা। এ ছাড়া যারা স্মার্টকার্ড পাননি তারা কবে পাবেন এবং যাদের বাড়িতে স্মার্টকার্ড পৌঁছে দেয়ার কথা, তাদের কবে জানানো হবে তাও জানেন না ইসি কর্মকর্তারা। এসব সমস্যা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কোনো নির্দেশনাও পাননি তারা। ফলে আইডি কার্ড সংশোধনে বর্তমান হয়রানি আরো কয়েক গুণ বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
প্রথম পর্যায়ে পরীামূলকভাবে ঢাকা মহানগরীতে চারটি ওয়ার্ডে স্মার্টকার্ড বিতরণ করা হয়। বিতরণকালে বিভিন্ন জটিলতার কারণে অর্ধেক কার্ডও বিতরণ করতে পারেনি ইসি। ঢাকা উত্তরে উত্তরার ১ নম্বর ওয়ার্ডে ৫৩ এবং ঢাকা িেদণ ১৯ ও ২০ নম্বর ওয়ার্ডে গড়ে ৪২ শতাংশ কার্ড বিতরণ হয়েছে।
পরীক্ষামূলক বিতরণে পাওয়া সমস্যা না মিটিয়েই ঢাকা মহানগরীর উত্তর ও দণি সিটি করপোরেশনের আরো সাত ওয়ার্ডে শুরু হয়েছে স্মার্টকার্ড বিতরণ। গতকাল শুক্রবার ঢাকা িেদণর লালবাগ থানার ২৭ নম্বর ওয়ার্ডে। এ ছাড়া পর্যায়ক্রমে লালবাগের ২৮ ও ২৬ নম্বর ওয়ার্ড, কোতোয়ালি থানার ৩৩ ও ৩২ এবং ঢাকা উত্তরের গুলশান থানার ২০ ও ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে বিতরণ করা হবে স্মার্টকার্ড। ২৫ অক্টোবর শুরু হয়ে এ কাজ চলবে ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
ইসির কর্মকর্তারা বলছেন, স্মার্টকার্ড বিতরণ কার্যক্রমে সমন্বয়হীনতা ও দুর্বল প্রচার নিয়ে মাঠপর্যায়ের নির্বাচন কর্মকর্তাদের মধ্যে ােভ রয়েছে। বরাদ্দ ছাড় না হওয়ায় প্রয়োজনীয় প্রচার-প্রচারণাও চালানো হচ্ছে না। নিজেদের উদ্যোগে প্রচার চালাতে হচ্ছে। যারা স্মার্টকার্ড নিচ্ছেন, তারা তথ্য সংশোধন করতে গেলে শিগগিরই ডুপ্লিকেট স্মার্টকার্ড পাবেন না। কবে নাগাদ পাবেন তাও বলা যাচ্ছে না। সেেে ত্র নির্বাচন কমিশন অফিসে কেউ সংশোধনের আবেদন করলে তথ্য সংশোধন হবে ডাটাবেজে। প্রয়োজনে লেমিনেটেড সংশোধিত কার্ড নিতে হতে পারে।
এ ছাড়াও ২০১৪ সালে যারা ভোটার হয়েছেন তারা সরাসরি স্মার্টকার্ড পাচ্ছেন এখন। তাদের হাতে ১৩ ডিজিটের কিংবা ১৭ ডিজিটের লেমিনেটেড এনআইডি নেই। সেেে ত্র ১০ ডিজিটের স্মার্টকার্ড সংশোধনের জন্য নির্বাচন কমিশনে আবেদন করলে তা যাচাইয়ে কারিগরি সমস্যার মুখোমুখি হতে হবে।
প্রথম পর্যায়ে উত্তরায় সাড়ে ৬৩ হাজারের বেশি ভোটারের মধ্যে ৩৩ হাজারেরও বেশি নাগরিক স্মার্টকার্ড পেয়েছেন। চার হাজারের বেশি নাগরিক বিভিন্ন অসঙ্গতির কারণে কার্ড নিতে পারেননি। রমনা থানার ২০ নম্বর ওয়ার্ডে ২৫ হাজার ৫১০ ভোটারের মধ্যে ১০ হাজার ৭০১ জন কার্ড নিয়েছেন। নিতে পারেননি এক হাজার ২৩৩ জন। বাকিরা অনুপস্থিত ছিলেন। ১৯ নম্বর ওয়ার্ডেও ৫৫ থেকে ৬০ শতাংশ নাগরিক বিতরণ কেন্দ্রে যাননি।
এ বিষয়ে ঢাকা বিভাগীয় আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো: শাহ আলম বলেন, নানা জটিলতার মধ্যে মহানগরীতে তিনটি ওয়ার্ডের লাধিক ভোটারের মধ্যে প্রায় অর্ধল স্মার্টকার্ড বিতরণ হয়েছে। পরীামূলক এ কার্যক্রমে যত সমস্যা চিহ্নিত হচ্ছে, তা শনাক্ত করে পরবর্তী কাজে সমাধানের চেষ্টা করা হবে। কার্ড বিতরণে কিছু সমস্যা রয়েছে। সেগুলো শিগগিরই সমাধান করা হবে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরও দেখুন