সদ্য সংবাদ

  নারী পুলিশদের কাছে জনপ্রিয় হচ্ছে হিজাব   মুজিববর্ষের পঞ্চগড়ে ১০০ কিশোরীকে মাশার্ল আর্ট প্রশিক্ষণ  জমজম কূপ পরিষ্কারকরণ প্রকল্পের প্রথম ব্যক্তি ইয়াহিয়া আর নেই  নারায়ণগঞ্জ মডেল মসজিদ উদ্বোধন নিয়ে যা বললেন ইফা উপপরিচালক  দশ ব্যাংকে ঘাটতি ২৯ হাজার কোটি টাকা   পিস্তল ঠেকিয়ে নারীর ৩ লাখ টাকা ছিনতাই, ৩ পুলিশ গ্রেপ্তার  সরকারি অর্থ ব্যয়ে জনগণের স্বার্থ নিশ্চিত করুন : রাষ্ট্রপতি  আ’লীগ ভোট ডাকাতি করে আমাদের বিজয় কেড়ে নিয়েছে: জাতীয় পার্টি  মসজিদ ইস্যুতে মেয়র আইভীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার নোংরা রাজনীতির অংশ।  হঠাৎ এক মঞ্চে বাবু-শামীম-সেলিম ওসমান -আইভীর চ্যালেঞ্জ   মেয়র আইভীকে নিয়ে মাওলানা আব্দুল আউয়ালের বিভ্রান্তকর বক্তব্যের ব্যাখ্যা  ভালো কাজ করতে অনেক লোকের প্রয়োজন হয়  সৌদির বিমান বন্দরে হুতির হামলা, বিমানে আগুন  নির্বাচনের ক্রমবর্ধমান ঘটনায় উদ্বিগ্ন মাহবুব তালুকদার  অনেকের চেয়ে ভালোভাবে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করেছি : প্রধানমন্ত্রী   মিয়ানমারের বিক্ষোভকারীদের হুশিয়ারি সামরিক জান্তার  থানার দায়িত্ব এসপিদের দিতে সুপারিশ করেছে দুদক  পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ১২ কর্মকর্তাকে বদলি  রূপগঞ্জের কায়েতপাড়ায় ইউপি নির্বাচনকে ঘীরে প্রচরণায় মুখর  পঞ্চগড়ে কোভিড-১৯ টিকাদান কর্মসূচীর উদ্বোধন

থানার দায়িত্ব এসপিদের দিতে সুপারিশ করেছে দুদক

 Mon, Feb 8, 2021 9:38 PM
থানার দায়িত্ব এসপিদের দিতে সুপারিশ করেছে দুদক

এশিয়া খবর ডেস্ক:: থানায় পুলিশ ক্যাডার থেকে ওসি নিয়োগের

 পরামর্শ দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। উপজেলা পর্যায়ের অধিকাংশ দপ্তরেই বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের বিভিন্ন ক্যাডারের কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করছেন। এর প্রেক্ষাপটে এই সুপারিশ করেছে দুদক।

দুদকের সুপারিশে মন্তব্য করা হয়, থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) দায়িত্ব পালন করেন পুলিশের পরিদর্শক পদমর্যাদার কর্মকর্তারা। ফলে সাধারণ মানুষ কাঙ্ক্ষিত সেবা পায় না।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ২০১৯ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে এই সুপারিশ করা হয়। দুদকের পক্ষ থেকে প্রতিবেদনটি রোববার বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

প্রতিবেদন উপলক্ষ্যে সোমবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে মতবিনিময় করেন দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।  তিনি বলেন, আমলাতন্ত্রের সংস্কার না হলে দুর্নীতি কমবে না। এ সময় তিনি সিভিল সার্ভিস সংস্কার কমিশন গঠনের পরামর্শ দেন। এছাড়া সরকারি ২৮টি সংস্থায় গবেষণা করে রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশমালা জমা দেয়া হয় বলেও তিনি জানান।

স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশনের যাত্রা ২০০৪ সালে। এরপর থেকে প্রতি বছরই রাষ্ট্রপতির কাছে বার্ষিক প্রতিবেদন জমা দেয় দুদক।

২০১৯ সালে বার্ষিক প্রতিবেদনের পরিসংখ্যান বলছে, বিচারিক আদালতে ৬৩ ভাগ মামলায় সাজা হয়েছে; যা ২০১৮ সালের মতোই। তবে ২০১৯ সালে বেড়েছে মামলা দায়েরের সংখ্যা। বার্ষিক প্রতিবেদন ও দুদক বিটে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠনের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব তথ্য তুলে ধরেন কমিশনের চেয়ারম্যান।

মতবিনিময় সভায় ২০১৯ সালে কমিশন কার্যক্রমের বিস্তারিত পরিসংখ্যান তুলে ধরে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ জানিয়েছি। তার নির্দেশনা অনুসারেই দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছি। বিগত বছরগুলোতে মিডিয়া, সুশীল সমাজ, সমালোচকদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা পেয়েছি।

তিনি বলেন, কমিশনে যোগ দিয়েই বলেছিলাম কমিশন সমালোচনাকে স্বাগত জানাবে। কারণ সমালোচনার মাধ্যমে কর্মপ্রক্রিয়ার ভুল-ত্রুটি উদঘাটিত হয়, যা সংশোধনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানকে পরিশুদ্ধ করা যায়। এখন বলতে পারি কমিশনের প্রতি জনগণের আস্থা বৃদ্ধি পেয়েছে বলেই কমিশনে অভিযোগের সংখ্যা বাড়ছে।

তিনি আরও বলেন, গত বছর থেকে ২০১৯ সালে মামলা এবং চার্জশিটের পরিমাণ কিছুটা হলেও বৃদ্ধি পেয়েছে। মামলা এবং চার্জশিটের গুণগতমান নিশ্চিত করার কারণেই কমিশনের মামলায় সাজার হার ৬৩ শতাংশে উন্নীত। ভবিষ্যতে কমিশনের মামলায় সাজার হার হবে শতভাগ। ইতোমধ্যে জেনেছি, ২০২০ সালে কমিশনের মামলায় সাজার হার ৭৭ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরও দেখুন