সদ্য সংবাদ

 কালকিনিতে ১৩১ বাড়িতে লাল নিশানা লাগিয়ে দিলো প্রশাসন  করোনার বিরুদ্ধে সাইফুল ইসলাম শান্তির অভিযান শুরু  রংপুরে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে মাস্ক বিতরণ  নরসিংদীতে হোম কোয়ারেন্টিনে ২০৫ প্রবাসী  কালকিনির বিভিন্ন হাট-বাজারে হাতধোয়ার জন্য বেসিন স্থাপন  পঞ্চগড়ে সাড়ে ৭শ’ পিস হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ  রংপুরে করোনা প্রতিরোধে মাস্ক বিতরণ  পার্বতীপুরে শুধুমাত্র পূজার মধ্যদিয়ে ঐতিহ্যবাহী ‘বাহা পরব’ উদযাপিত  রংপুরে এরশাদের জন্মদিন পালিত  বিএফআরআইতে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী এবং জাতীয় শিশু দিবস পালিত  করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে পঞ্চগড়ে জরুরি বৈঠক  আতঙ্কিত না হয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে : সাদ এরশাদ এমপি  কালকিনিতে দুই প্রবাসীকে আর্থিক জরিমানা  পঞ্চগড়ে সীমিত পরিসরে মুজিববর্ষ পালিত  রংপুরে ৮টি রাস্তা পাকাকরণ ও ড্রেন নির্মাণ কাজ শুরু  কালকিনিতে বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী পালিত  পঞ্চগড়ে মুজিব উতসব পালিত  কালিয়াকৈর প্রেসক্লাবে বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী পালিত  রংপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী পালিত  পঞ্চগড়ে কীটনাশক মুক্ত সবজির চাষ!

মুন গ্রুপের বিরুদ্ধে ২৭০ কোটি টাকা আতœœসাত অনুসন্ধানে দুদক

 Sat, May 21, 2016 12:13 PM
মুন গ্রুপের বিরুদ্ধে ২৭০ কোটি টাকা আতœœসাত অনুসন্ধানে দুদক

ডেস্ক রিপোর্ট ::: মুন গ্রুপের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান অগ্রণী ব্যাংকের মতিঝিল শাখা থেকে ২৭০ কোটি টাকা আতœসাত করেছেন বলে দুদকের কাছে অভিযোগ এসেছে।

ওই অভিযোগ পাওয়ার পর দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ঘটনার অনুসন্ধান শুরু করেছে।এই ব্যাপারে দুদকের অভিযোগ অনুসন্ধানের ব্যাপারে দুদকে আসা সকল অভিযোগের অনুসন্ধান করার জন্য আলোচনা করে এই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই জন্য দুই জন কর্মকর্তাকেও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
দুদকের সূত্র জানায়, মুন গ্রুপের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগের অনুসন্ধান করবেন দুদকের উপপরিচালক  বেনজীর আহম্মদ। তার সঙ্গে সহযোগী হিসেবে রয়েছেন, উপসহকারী পরিচালক জিন্নাতুল ইসলাম।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, মিজানুর রহমান তিনটি প্রতিষ্ঠান‘এর নামে জামানত রেখে ঋণ নেন। ওই প্রতিষ্ঠান তিনটি হলো  মেসার্স মুন ইন্টারন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস,  মেসার্স মুন বাংলাদেশ লিমিটেড ও  মেসার্স এম এ  ট্রেডিং। ওই তিন প্রতিষ্ঠানের নামে ভুয়া জামানত রাখেন এবং ২৭০ কোটি টাকা ঋণ নেন। এই ব্যাপারে ব্যাংকের এক শ্রেনীর কর্মকর্তারা সহায়তা করেন।
দুদক জানতে পেরেছে, তিনি নথিপত্রে ৮১০ কোটি টাকার ব্যাংক জামানত দেখিয়েছেন। তিনি যে জামানত দেখিয়েছেন প্রকৃতপক্ষে ওই নথিপত্র জামানত হিসেবে  রেখেছেন তা সবই জাল।
দুদক আরো জানতে পেরেছে,  মেসার্স মুন ইন্টারন্যাশনাল প্রিন্টিং  প্রেসের অনুকূলে ৪৯  কোটি টাকা,  মেসার্স মুন বাংলাদেশ লিমিটেডের অনুকূলে ১৪১  কোটি টাকা ও  মেসার্স এম এ  ট্রেডিংয়ের অনুকূলে ৮০  কোটি টাকাসহ  মোট ২৭০  কোটি অগ্রণী ব্যাংকের মতিঝিল প্রিন্সিপাল শাখা থেকে ঋণ হিসেবে গ্রহণ করেন। দুদকের কাছে আসা অভিযোগে বলা হয়েছে, যে তিনটি কোম্পানির নামে ঋণ নিয়েছেন ওই তিনটি কোম্পানি ভুয়া। এরপরও তিনি তিনটি কোম্পানির বিপরীতে ৮১০ কোটি টাকার ভুয়া জামানত  দেখিয়েছেন।


Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরও দেখুন