সদ্য সংবাদ

 কালকিনিতে ১৩১ বাড়িতে লাল নিশানা লাগিয়ে দিলো প্রশাসন  করোনার বিরুদ্ধে সাইফুল ইসলাম শান্তির অভিযান শুরু  রংপুরে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে মাস্ক বিতরণ  নরসিংদীতে হোম কোয়ারেন্টিনে ২০৫ প্রবাসী  কালকিনির বিভিন্ন হাট-বাজারে হাতধোয়ার জন্য বেসিন স্থাপন  পঞ্চগড়ে সাড়ে ৭শ’ পিস হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ  রংপুরে করোনা প্রতিরোধে মাস্ক বিতরণ  পার্বতীপুরে শুধুমাত্র পূজার মধ্যদিয়ে ঐতিহ্যবাহী ‘বাহা পরব’ উদযাপিত  রংপুরে এরশাদের জন্মদিন পালিত  বিএফআরআইতে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী এবং জাতীয় শিশু দিবস পালিত  করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে পঞ্চগড়ে জরুরি বৈঠক  আতঙ্কিত না হয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে : সাদ এরশাদ এমপি  কালকিনিতে দুই প্রবাসীকে আর্থিক জরিমানা  পঞ্চগড়ে সীমিত পরিসরে মুজিববর্ষ পালিত  রংপুরে ৮টি রাস্তা পাকাকরণ ও ড্রেন নির্মাণ কাজ শুরু  কালকিনিতে বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী পালিত  পঞ্চগড়ে মুজিব উতসব পালিত  কালিয়াকৈর প্রেসক্লাবে বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী পালিত  রংপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী পালিত  পঞ্চগড়ে কীটনাশক মুক্ত সবজির চাষ!

সংসদ সদস্য মমতাজকে সবাই পছন্দ করেন না

 Sun, Jul 24, 2016 1:56 AM
সংসদ সদস্য মমতাজকে সবাই পছন্দ করেন না

ডেস্ক রিপোর্ট ::: মমতাজ জাতীয় সংসদের সদস্য। তবে তাঁর বড় পরিচয়, তিনি সংগীতশিল্পী। অসংখ্য অ্যালবাম বেরিয়েছে তাঁর।

ডাকনাম?

বাবা-মা এবং সবাই আমাকে মমতাজ নামেই ডাকেন।

সন্তানদের কথা?

আমার এক ছেলে দুই মেয়ে। ছেলে মেহেদী হাসান আর মেয়ে খুশরাত রুহানি ক্লাস সেভেন আর রাইসা রোজ ক্লাস থ্রিতে পড়ছে।

নিজের গাওয়া প্রথম গান?

আব্বার মুখে যে গান শুনতাম, সেই গান গাইতাম। তবে রেকর্ড করা প্রথম গানের শিরোনাম ‘খেলছে পাখি উল্টা কলে’। ১৯৯২ সালে গানটি বিজয়নগরে ওয়েব স্টুডিওতে রেকর্ড করা হয়।

জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয় যে গান?

আমার প্রথম দুটি অ্যালবামের গান কিš‘ শ্রোতারা দারুণ পছন্দ করেন। এরপর আমার গাওয়া বৈঠকি, মুর্শিদি, বি”েছদি গান ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। তবে ‘ঘুম ভাঙাইয়া গেল রে মরার কোকিলে’ গানটা আমার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। গানটির কথা লিখেছেন ও সুর করেছেন হাসান মতিউর রহমান।

রাজনীতির কারণ?

মানুষের জন্য রাজনীতি করি। মানুষ আমাকে ভালোবাসে। শিল্পী হিসেবে যেহেতু সবাই আমাকে ভালোবাসে, সেই দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে আমি তাদের জন্য কিছু করতে চাই।

সংসদ সদস্য মমতাজ নাকি সংগীতশিল্পী মমতাজ  মানুষ কাকে বেশি পছন্দ করে?

প্রথমে আমি সংগীতশিল্পী, তারপর সংসদ সদস্য। সংগীতশিল্পী মমতাজকে সবাই যেভাবে পছন্দ করে, সংসদ সদস্য মমতাজকে হয়তো সবাই সেভাবে পছন্দ না-ও করতে পারে। নানা দলমতের মানুষ আছে সমাজে। তবে সংগীতশিল্পী মমতাজের ক্ষেত্রে দলমত কিছুই টেকে না।

সবচেয়ে প্রিয় গান?

অনেক গানই তো প্রিয়। ‘মায়ের কান্দন যাবজ্জীবন’ গানটা গাইতে বেশি ভালো লাগে।

গানের সংখ্যা?

সঠিক সংখ্যা বলা খুব মুশকিল। হিসাব করে তো গান করা হয় না। তবে নয় হাজার তো হবেই। আর অ্যালবামের সংখ্যা আট শর কাছাকাছি। গান, অভিনয়, মডেলিং, রাজনীতি। এরপর মানুষের মনের মধ্যে বেঁচে থাকার জন্য কাজ করছি। মানুষের আরও ভালোবাসা অর্জন করার জন্য যা করা দরকার, সব করতে চাই।

চাঁদে যাওয়ার সুযোগ পেলে সঙ্গী হিসেবে কাকে নেবেন?

একজনকে তো নেওয়া সম্ভব না। চাঁদে যাওয়ার সুযোগ পেলে আমার ভক্তদের নিয়ে যাব। কারণ, আমি চাঁদে গিয়েও গান করব।

ক্রিকেট খেলার সুযোগ পেলে ব্যাটসম্যান নাকি বোলার হবেন?

ব্যাটসম্যান হলে খারাপ খেলব না। বলটাও ভালো করব। আমি অলরাউন্ডার হব।

রাঁধুনি মমতাজ?

রাঁধুনি হিসেবে আমি খুবই খারাপ। রান্নার কাজটা মোটেও ভালো পারি না। ছোটবেলায় আমি ছিলাম দস্যি মেয়ে। রান্নার ব্যাপারে কখনোই আমার আগ্রহ ছিল না। নানা ধরনের খেলাধুলা করতাম। নদীতে সাঁতার কাটতাম। আর গান তো আছেই।

পার্লামেন্ট টোয়েন্টিফোর ডটকম থেকে নেয়া


Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরও দেখুন