সদ্য সংবাদ

 চিকিৎসকের আচরণের প্রতিবাদ করেছেন পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন  ডাক্তার -পুলিশের মাঠ পর্যায়ের বাস্তবতা  করোনা আক্রান্ত হয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন অভিনেত্রী কবরী  আশা ও তামাশার লকডাউন  কত বছর করোনার সঙ্গে থাকতে হবে কেউ জানিনা- ডা ফাহিম  ডলারের লোভে দুই মেয়েই অপহরণ করেছিলেন ম্যারাডোনাকে!  জনবল নিয়োগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে অবিশ্বাস্য দুর্নীতি, কঠোর শাস্তি চায় টিআইবি  অভিষেক 'উমরাও জান' ছবিতে ঐশ্বরিয়ার প্রেমে পড়েন।   ছাত্রলীগ নেতার জিন্স প্যান্ট চুরির ভিডিও ভাইরাল   লকডাউনে পুলিশের কাছ থেকে ‘মুভমেন্ট পাস’ নিতে হবে।   নরেন্দ্র মোদির পরিকল্পনায় ৪ মুসলমানকে গুলি করে হত্যা-মমতা   এক সপ্তাহ সব ধরনের অফিস ও পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে  র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার হেফাজতের ৪ নেতা  আহমদ শফীর মৃত্যু: বাবুনগরীসহ ৪৩ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দিল পিবিআই  অপরিকল্পিত লকডাউন বিপজ্জনক পরিস্থিতির : রব  আড়াইহাজারে নবম শ্রেনীর ছাত্রীর ধর্ষক গ্রেফতার   নতুন নির্দেশনা, সাত দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক   অভিনেত্রী পায়েলের ওপর হামলা   বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যের ডাক মির্জা ফখরুলের  নারায়ণগঞ্জ ডি‌বি পু‌লি‌শের সোর্স প‌রিচ‌য়ে বেপরোয়া সেই মোফাজ্জল ও মিশু চক্র

১২ লাখ টাকার চুক্তিতে হত্যা করা হয় সালমান শাহকে!

 Sat, Aug 12, 2017 11:55 AM
১২ লাখ টাকার চুক্তিতে হত্যা করা হয় সালমান শাহকে!

ডেস্ক রিপোর্ট : : ১২ লাখ টাকার চুক্তিতে হত্যা করা হয় ঢালিউডের আলোচিত নায়ক সালমান শাহকে।

 বৃহস্পতিবার দেশের একটি বেসরকারি স্যাটেলাইট নিউজ চ্যানেলে এক প্রতিবেদনে নতুন করে এ তথ্য উঠে এসেছে।

সালমান শাহ হত্যা মামলার আসামি রিজভী ১৯৯৭ সালের জুলাইয়ে ১৬৪ ধারায় দেয়া জবানবন্দিতেই ‘১২ লাখ টাকার’ বিষয়টি জানিয়েছিলেন।


জবানবন্দীতে রিজভী বলেন, সালমানকে হত্যা করতে সামিরার মা লাতিফা হক, ডন, ডেভিড, ফারুক, জাভেদের সঙ্গে ১২ লাখ টাকার চুক্তি করেন। তাতে উল্লেখ করা হয়, সালমানকে শেষ করতে কাজের আগে ৬ লাখ ও কাজের পরে ৬ লাখ দেয়া হবে।


রাতে সালমানের বাসায় প্রবেশ করে আসামিরা। জবানবন্দীতে রিজভী বলেন, সালমানকে ঘুমাতে দেখে আসামিরা তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। ফারুক পকেট থেকে ক্লোরোফোমের শিশি বের করে এবং সামিরা তা রুমালে দিয়ে সালমানের নাকে চেপে ধরে। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে মামলার তিন নম্বর আসামি আজিজ মোহাম্মদ এসে সালমানের পা বাঁধে এবং খালি ইনজেকশন পুশ করে। এতে সামিরার মা ও সামিরা সহায়তা করে। পরে ড্রেসিং রুমে থাকা মই নিয়ে এসে, ডনের সাথে আগে থেকেই নিয়ে আসা প্লাস্টিকের দড়ি আজিজ মোহাম্মদ ভাই সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলায়।


সংবাদ চ্যানেলটির প্রতিবেদনে বলা হয়, জবানবন্দিতে ডন, ডেভিড, ফারুক, জাভেদ ও আসামি রিজভি ছাড়াও ছাত্তার ও সাজু নামে আরো দু’জনের নাম উল্লেখ করা হয়। কিন্ত প্রত্যক্ষ আসামির এই জবানবন্দির পরও যাদের নাম পাওয়া যায় তারা সবসময়ই ছিলো ধরাছোঁয়ার বাইরে। হত্যার এক বছর পর সিআইডির রিপোর্টে বলা হয়- এটি আত্মহত্যা। ১২ বছর পর দেয়া জুডিশিয়াল ইনকোয়ারির রিপোর্টে একই কারণ দেখানো হয়। কিন্তু কোন আসামি বা সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদের কোন অস্তিত্ব নেই রিপোর্টগুলোতে। দু’বারই নারাজি দেন সালমানের পরিবার। ২০১৫ সালে র‌্যাবকে এই মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হলে আইনী জটিলতায় তাও বন্ধ থাকে। ২০১৬ সালে মামলাটি নিম্ম আদালতে পাঠানো হলে তদন্তভার দেয়া হয় পুলিশ পিবিআইকে। এদিকে সালমানকে হত্যার পরিকল্পনা জানার বিষয়টি যে আগে থেকেই রুবি জানতেন তা বোঝা যায় রিজভির জবানবন্দিতে। হত্যার আগে রুবির বাসায় যান হত্যাকারীরা। সূত্র : বিডি-প্রতিদিন/সময় টেলিভিশন

Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরও দেখুন