সদ্য সংবাদ

 কালকিনিতে ১৩১ বাড়িতে লাল নিশানা লাগিয়ে দিলো প্রশাসন  করোনার বিরুদ্ধে সাইফুল ইসলাম শান্তির অভিযান শুরু  রংপুরে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে মাস্ক বিতরণ  নরসিংদীতে হোম কোয়ারেন্টিনে ২০৫ প্রবাসী  কালকিনির বিভিন্ন হাট-বাজারে হাতধোয়ার জন্য বেসিন স্থাপন  পঞ্চগড়ে সাড়ে ৭শ’ পিস হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ  রংপুরে করোনা প্রতিরোধে মাস্ক বিতরণ  পার্বতীপুরে শুধুমাত্র পূজার মধ্যদিয়ে ঐতিহ্যবাহী ‘বাহা পরব’ উদযাপিত  রংপুরে এরশাদের জন্মদিন পালিত  বিএফআরআইতে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী এবং জাতীয় শিশু দিবস পালিত  করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে পঞ্চগড়ে জরুরি বৈঠক  আতঙ্কিত না হয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে : সাদ এরশাদ এমপি  কালকিনিতে দুই প্রবাসীকে আর্থিক জরিমানা  পঞ্চগড়ে সীমিত পরিসরে মুজিববর্ষ পালিত  রংপুরে ৮টি রাস্তা পাকাকরণ ও ড্রেন নির্মাণ কাজ শুরু  কালকিনিতে বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী পালিত  পঞ্চগড়ে মুজিব উতসব পালিত  কালিয়াকৈর প্রেসক্লাবে বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী পালিত  রংপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী পালিত  পঞ্চগড়ে কীটনাশক মুক্ত সবজির চাষ!

‘৫৪ ধারায় গ্রেফতারে পুলিশকে পরিচয়পত্র দেখাতে হবে’

 Wed, May 25, 2016 10:46 AM
‘৫৪ ধারায় গ্রেফতারে পুলিশকে পরিচয়পত্র দেখাতে হবে’

ডেস্ক রিপোর্ট ::: বিনা পরোয়ানায় কাউকে গ্রেফতার করতে হলে পুলিশকে পরিচয়পত্র দেখাতে হবে বলে জানিয়েছেন বিশিষ্ট আইনজীবীরা। এ বিষয়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আপিল খারিজ হওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় এ কথা জানিয়েছেন বিশিষ্ট আইনজীবী ড. কামাল হোসেন ও ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম।

 ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ও ১৬৭ ধারা অনুযায়ী গ্রেফতার ও রিমান্ডের ক্ষেত্রে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন মঙ্গলবার (২৪ মে) খারিজ করে দেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। এ রায়ের পর দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় তারা সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
প্রসঙ্গত, একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পুলিশ হেফাজতে ‍মৃত্যুর পর ১৯৯৮ সালে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ও ১৬৭ ধারার বিষয়ে রিট করা হয়। মানবাধিকার সংগঠন সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন, আইন ও সালিশ কেন্দ্র এবং ব্লাস্ট―এই তিনটি সংগঠন রিট করেছিল।
রিটের রায়ে ২০০৩ সালে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারা সংশোধনের নির্দেশনা দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। আইন সংশোধনীর পূর্ব পর্যন্ত ১৫ দফা নির্দেশনা মেনে চলার নির্দেশও দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। ওই রায়ের বিরুদ্ধে একই বছর আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। দীর্ঘ ১৩ বছর পর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ রাষ্ট্রপক্ষের সেই আপিল আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন। তবে রায়ে গাইডলাইন আকারে হাইকোর্টের রায়ে কিছু মোডিফিকেশন থাকবে বলেও জানিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৪ মে) রাষ্ট্রপক্ষের আপিল খারিজের পর রিট আবেদনকারীর পক্ষের অন্যতম আইনজীবী ও সংবিধান-প্রণেতা ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘১৩ বছর আগে রায়ে ৫৪ ধারাকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হয়েছিল। সে সময় যে আদেশগুলো দেওয়া হয়েছিল, সেগুলোর ব্যাপারে আজ চূড়ান্ত রায় হলো। তখন সরকার যে ফাইল করেছিল সেটা আজকে তারা ডিসমিস করেছে।’
এই রায়ের ফলে হাইকোর্টের দেওয়া গাইডলাইনগুলো বহাল থাকছে উল্লেখ করে জ্যেষ্ঠ এই আইনজীবী বলেন, ‘আমরা ধরে নেব সেগুলোকে বহালই রাখা হয়েছে। কিš‘ রায় দেখে আমরা এটা ব্যাখ্যা করব। নীতিগতভাবে আমরা বলতে পারব সবগুলোই বহাল আছে। এর ওপর কিছু মন্তব্য যদি তারা করেন, সেটা আমরা পূর্ণাঙ্গ রায় দেখে বলতে পারব।’

রাষ্ট্রপক্ষের আপিল খারিজ হওয়ার ফলে এখন বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের বিষয়টি কী দাঁড়াল? জানতে চাইলে রিটকারীদের আরেক আইনজীবী ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম বলেন, ‘হাইকোর্ট বলেছিল এটা (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার) করতে হলে যৌক্তিক কারণে সন্দেহ ও অব¯’া দেখে করতে হবে। সার্বিক অব¯’া বিবেচনায় যেটা প্রয়োজন হয় সেটা রিজনেবল হতে হবে, অবজেকটিভ হতে হবে। গ্রেফতার করার পরই তাকে বলতে হবে কী কারণে তাকে গ্রেফতার করা হলো। গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিকে তার ল’ইয়ার নিযুক্ত, তার সাথে আত্মীয়স্বজনের যোগাযোগের ব্যব¯’া করতে হবে। গ্রেফতারের সময় পুলিশকে তার পরিচয়পত্র দেখাতে হবে।’

আপিল বিভাগের রায়ের পর রাষ্ট্র এসব নির্দেশনা মেনে চলবে আশা করে আমীর-উল ইসলাম বলেন, ‘আপিল ডিসমিস হওয়ার পরে আমি মনে করি এই নির্দেশনাগুলো প্রতিপালন করা একটি রাষ্ট্রীয় কর্তব্য। আইনের শাসন রক্ষা করার জন্য সবচেয়ে প্রথম সারির দায়িত্ব প্রত্যাশা করি পুলিশের কাছ থেকে।’
হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী সরকার প্রতিবেদন না দিলে তা বাস্তবায়ন হয় না বলে জানিয়েছেন ব্লাস্টের আইনজীবী সারা হোসেন। তিনি বলেন, ‘অ্যাপিলেট ডিভিশন শুনানিতে বার বার সরকার পক্ষের কোছে জানতে চেয়েছেন, ১৫টি নির্দেশনার ব্যাপারে তারা কীভাবে কত দূর পালন করেছেন? কিš‘ সেই প্রতিবেদন এখনো রাষ্ট্রপক্ষ দেয়নি। তবে আমরা মিডিয়ার মাধ্যমে ও মানবাধিকার সংগঠনের প্রতিবেদনের মাধ্যমে আমরা জানতে পেরেছি পুলিশ হেফাজতে এবং বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সং¯’ার হেফাজতে নির্যাতন চলছে। আপিল বিভাগের রায়ের পর আমরা আশা করছি আইন প্রয়োগকারী সং¯’া ও ম্যাজিস্ট্রেট তা মেনে চলবে।’


Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরও দেখুন