সদ্য সংবাদ

 করোনা আক্রান্ত হয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন অভিনেত্রী কবরী  আশা ও তামাশার লকডাউন  কত বছর করোনার সঙ্গে থাকতে হবে কেউ জানিনা- ডা ফাহিম  ডলারের লোভে দুই মেয়েই অপহরণ করেছিলেন ম্যারাডোনাকে!  জনবল নিয়োগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে অবিশ্বাস্য দুর্নীতি, কঠোর শাস্তি চায় টিআইবি  অভিষেক 'উমরাও জান' ছবিতে ঐশ্বরিয়ার প্রেমে পড়েন।   ছাত্রলীগ নেতার জিন্স প্যান্ট চুরির ভিডিও ভাইরাল   লকডাউনে পুলিশের কাছ থেকে ‘মুভমেন্ট পাস’ নিতে হবে।   নরেন্দ্র মোদির পরিকল্পনায় ৪ মুসলমানকে গুলি করে হত্যা-মমতা   এক সপ্তাহ সব ধরনের অফিস ও পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে  র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার হেফাজতের ৪ নেতা  আহমদ শফীর মৃত্যু: বাবুনগরীসহ ৪৩ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দিল পিবিআই  অপরিকল্পিত লকডাউন বিপজ্জনক পরিস্থিতির : রব  আড়াইহাজারে নবম শ্রেনীর ছাত্রীর ধর্ষক গ্রেফতার   নতুন নির্দেশনা, সাত দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক   অভিনেত্রী পায়েলের ওপর হামলা   বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যের ডাক মির্জা ফখরুলের  নারায়ণগঞ্জ ডি‌বি পু‌লি‌শের সোর্স প‌রিচ‌য়ে বেপরোয়া সেই মোফাজ্জল ও মিশু চক্র   দেশে করোনায় ১৩ দিনে ৭৯২ জনের মৃত্যু   গুলিতে ৪ মুসলমানের মৃত্যুতে তীব্র ক্ষোভ মমতার

বিদেশে অনেক নেতার বাড়ি-গাড়ি দেখে এসেছি : আবদুল কাদের মির্জা

 Sat, Apr 3, 2021 11:02 PM
 বিদেশে অনেক নেতার বাড়ি-গাড়ি দেখে এসেছি : আবদুল কাদের মির্জা

নোয়াখালী প্রতিনিধি:: নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌর মেয়র, সড়ক পরিবহন

 ও সেতুমন্ত্রীর ভাই আবদুল কাদের মির্জা বলেছেন, কোম্পানীগঞ্জে '৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর আমার কয়েকজন নেতার সহযোগিতায় আমি এখানে সংগঠন গড়ে তুলেছি। আমিই প্রথম বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর মাইক নিয়ে রাস্তায় নেমেছিলাম। ওই সময় আমাকে থু থু মেরেছে, ঢিল মেরেছে, ধুলো মেরেছে, অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছে।

তিনি বলেন, ওই সময় মুছাপুরে অনেককে বেঁধে রেখেছিলো সেখানকার চেয়ারম্যান। সেখান থেকে আমার একজন কর্মী সিরাজ ভাই আমাকে গরুর গাড়ির জোয়াল দিয়ে সেখান থেকে উদ্ধার করছিলেন।

তিনি বলেন, আমি বিদেশে গেছি। আমেরিকা, সিঙ্গাপুর, অট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড সরকারি সফরে গেছি। সেখানকার রাজনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা আমি দেখে এসেছি। আমি দেখেছি, বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রথম সারির গুটি কয়েকজন, দ্বিতীয় সারির আধিকাংশ, যারা জাতীয়ভাবে রাজনীতি করে সেখানে বাড়ি-গাড়ির মালিক। তাদের ব্যাংক ব্যালেন্স আছে। সেখানকার বাঙালিদের মুখে মুখে এসব কথা প্রচলিত।

শনিবার বেলা ১২টায় ফেসবুক একাউন্ট থেকে লাইভে এসে এসব কথা বলেন কাদের মির্জা।

তিনি বলেন, সরকারি কিছু আমলা দুর্নীতিবাজ তাদের বাড়ি-গাড়ি ব্যাংক ব্যালেন্স সেখানে আছে আর কিছু কিছু এমপি সেখানে যায়, বিরোধী দলের নেতারা যায়, তারা হোটেলে কী করে, কিভাবে রাত কাটায় আমি অবগত হয়েছি।

আবদুল কাদের মির্জা আরো বলেন, আসলে আমি কিছু গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বিভিন্ন সময় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। আমি আজকে যে অবস্থানে সত্য বলা শুরু করেছি, তার বিষয়ে খোলামেলা জনগণকে জানাবো। এই প্রতিশ্রুতি আমি গুরুত্বপূর্ণ অনেককেই দিয়েছিলাম। আমি ৪৭ বছর এখানে রাজনীতি করি। সে রাজনীতির অভিজ্ঞতা, আমি চারবার এখানে পৌরসভার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। এই কোম্পানীগঞ্জের উন্নয়নের জন্য যেখানে যেখানে যাওয়া দরকার আমি গেছি। আমার দীর্ঘ দিনের এই তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে আমি আজ এই অবস্থায়।

তিনি বলেন, আমি চিকিৎসার জন্য ইতোমধ্যে দু’বার আমেরিকায় গেছি। পাঁচবার সিঙ্গাপুর গেছি। আমার স্ত্রী ও ছেলের চিকিৎসার জন্যও যেতে হয়েছে। আমি নিজে হার্টের রোগী। আমার দু’টি টিউমার আছে। প্রেসার, ডায়াবেটিসসহ অনেক রোগে আমি আক্রান্ত। আমার দুটি রিং বুকে আছে। এর মধ্যেই আমি দলের ফুল টাইমার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি।

তিনি আরো বলেন, আমি আমেরিকার নির্বাচন দেখে এসেছি। নির্বাচনে দু'গজ দূরে দূরে একজন দাঁড়ায়। ভোটাররা ভোট দিয়ে সুন্দরভাবে বের হয়ে যায়। কোনো ঝামেলা নেই। আমি ২/৩টি কেন্দ্র পরিদর্শন করেছি। এটা আমার বিবেককে নাড়া দিয়েছে। আমি ভোট চুরির রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না।

কাদের মির্জা বলেন, পৌরসভার মেয়র ও চেয়ারম্যান থাকার সময় প্রশাসনের বিষয়ে যে অভিজ্ঞা হয়েছে, এলাকায় কাজ করতে গিয়ে যে সমস্যায় পড়েছি সেগুলো আমার বিবেককে নাড়া দিয়েছিল।

তিনি বলেন, আমি আমেরিকাতে ২৪ দিন ছিলাম। করোনার সময় ১৮ দিন আমি ঘরে শোয়া ছিলাম। সেখানে থাকার সময় বাংলাদেশের অপরাজনীতির সব বিষয়গুলা আমার বিবেকে নাড়া দিয়েছে।

আবদুল কাদের মির্জা বলেন, আমি সেখানে (আমেরিকা) সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আমি যে কয়দিন বেঁচে থাকি সাহস করে সত্য কথা বলেই যাবো। অন্যায় অবিচার জুলুমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করব। আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতি করব। আমি জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের কথা বলার সিন্ধান্ত নিয়েই এখানে এসেছি। আমি শুরু করেছি।

তিনি বলেন, আমেরিকাতে আমি শুনেছি, হেফাজত এই ঘোষণা দিয়েছে যে বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভেঙে ফেলবে। বুড়িগঙ্গা নদীতে ফেলে দেবে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য। সেখানে আমার বিবেক নাড়া দিয়েছে। আমি বংলাদেশে এসে প্রথম ঘোষণা দিয়েছি। আমি সাহস করে সত্য কথা বলব। ঘোষণা দিয়ে আমার বাড়িতে নামাজের বিছানায় বসে শপথ করেছি। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য যারা ভাঙার ঘোষণা দিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে হাজার হাজার লোক নিয়ে মিছিল করেছি। জাতীয় নেতাদের কর্মসূচি দেয়ার জন্য বলেছি।

এ সময় তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান শাহাবউদ্দিন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের বিভিন্ন সমালোচনা করেন

Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরও দেখুন