সদ্য সংবাদ

 কিশোরীকে গণধর্ষণের মামলায় ডিবির এএসআই গ্রেপ্তার  আওয়ামী লীগ চায় না ভোটাররা কেন্দ্রে আসুক : বিএনপি  সাকিবের নিষেধাজ্ঞায় কষ্ট পেয়েছিলাম  র‌্যাবের শীর্ষ কমান্ডারদের উপর নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটরদের আহ্বান  সু চিকে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে বলল যুক্তরাষ্ট্র  ইরফান সেলিমের মামলা তদন্ত করবে ডিবি   বাপ-বেটার সম্পদের তথ্য সংগ্রহ করছে দুদক   ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের অল্প সুদে ঋণ দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর  বৈদেশিক মুদ্রা বিএনপি নেতা আজাদের ভাই গ্রেফতার  ভুয়া পুলিশ ডিবির সোর্স আনোয়ার এখন থানার ওসির ক্যাশিয়ার!  মহানবী (সা.)-কে ব্যঙ্গ : ফ্রান্সের ওপর খেপেছেন বিশ্বনেতারা  সেই দুই বোনকে এখনই বাবার বাসায় প্রবেশ নিশ্চিতের নির্দেশ  নতুন প্রেমে পড়েছেন স্টার জলসার ‘পাখি’   ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনকে ‘কবরে’ পাঠান: ডা. জাফরুল্লাহ  এ রাষ্ট্র প্রজার, নাগরিকের নয়   এ বাসা থেকেই ঢাকার সিসি ক্যামেরা নিয়ন্ত্রণ!  অবৈধ অস্ত্র ও মাদক রাখায় ইরফান সেলিমের ১ বছরের জেল   দেশে এক ব্যক্তির শাসন প্রতিষ্ঠা করেছে: ফখরুল   ঢাকার দুই সিটির ময়লা বাণিজ্যে কাউন্সিলররা  জাতিকে বিভ্রান্ত করতে পারে এমন সংবাদ পরিবেশন নয়: প্রধানমন্ত্রী

বিদ্ধাশ্রম থেকে এক মায়ের চিঠি, ছেলের উদ্দেশে: নাকফুলটা বিক্রি করে আমার কাফনের কাপড় কিনে দিও

 Thu, Jul 14, 2016 10:25 AM
 বিদ্ধাশ্রম থেকে এক মায়ের চিঠি, ছেলের উদ্দেশে: নাকফুলটা বিক্রি করে আমার কাফনের কাপড় কিনে দিও

এশিয়াখবর২৪ ডেস্ক :: বিদ্ধাশ্রম থেকে একজন মায়ের চিঠি আমার আদর ও ভালোবাসা নিও।অনেক দিন তোমাকে দেখি না, আমার খুব কষ্ট হয়। কান্নায় আমার বুক ভেঙে যায়। আমার জন্য তোমার কী অনুভূতি আমি জানি না।

তবে ছোটবেলায় তুমি আমাকে ছাড়া কিছুই বুঝতে না। আমি যদি কখনও তোমার চোখের আড়াল হতাম মা মা বলে চিৎকার করতে। মাকে ছাড়া কারও কোলে তুমি যেতে না। সাত বছর বয়সে তুমি আমগাছ থেকে পড়ে হাঁটুতে ব্যথা পেয়েছিলে।তোমার বাবা হালের বলদ বিক্রি করে তোমার চিকিৎসা করিয়েছেন। তখন তিন দিন,তিন রাত তোমার পাশে না ঘুমিয়ে, না খেয়ে, গোসল না করে কাটিয়েছিলাম। এগুলো তোমার মনে থাকার কথা নয়। তুমি একমুহূর্ত আমাকে না দেখে থাকতে পারতে না। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় আমার বিয়ের গয়না বিক্রি করে তোমার পড়ার খরচ জুগিয়েছি। হাঁটুর ব্যথাটা তোমার মাঝে মধ্যেই হতো। বাবা... এখনও কি তোমার সেই ব্যথাটা আছে? রাতের বেলায় তোমার মাথায় হাত না বুলিয়ে দিলে তুমি ঘুমাতে না। এখন তোমার কেমন ঘুম হয়? আমার কথা কি তোমার একবারও মনে হয় না? তুমি দুধ না খেয়ে ঘুমাতে না। তোমার প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই। আমার কপালে যা লেখা আছে হবে। আমার জন্য তুমি কোনো চিন্তা করো না। আমি খুব ভালো আছি। কেবল তোমার চাঁদ মুখখানি দেখতে আমার খুব মন চায়। তুমি ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া করবে। তোমার বোন....তার খবরাখবর নিও। আমার কথা জিজ্ঞেস করলে বলো আমি ভালো আছি। আমি দোয়া করি, তোমাকে যেন আমার মতো বৃদ্ধাশ্রমে থাকতে না হয়। কোনো এক জ্যোস্না ভরা রাতে আকাশ পানে তাকিয়ে জীবনের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে একটু ভেবে নিও। বিবেকের কাছে উত্তর পেয়ে যাবে। তোমার কাছে আমার শেষ একটা ইচ্ছা আছে। আমি আশা করি তুমি আমার শেষ ইচ্ছাটা রাখবে। আমি মারা গেলে বৃদ্ধাশ্রম থেকে নিয়ে আমাকে তোমার বাবার কবরের পাশে কবর দিও। এজন্য তোমাকে কোনো টাকা খরচ করতে হবে না। তোমার বাবা বিয়ের সময় যে নাকফুলটা দিয়েছিল সেটা আমার কাপড়ের আঁচলে বেঁধে রেখেছি। নাকফুলটা বিক্রি করে আমার কাফনের কাপড় কিনে নিও। তোমার ছোটবেলার একটি ছবি আমার কাছে রেখে দিয়েছি। ছবিটা দেখে দেখে মনে মনে ভাবি এটাই কি আমার সেই খোকা!’ এভাবে বেদনা ভরা একটি খোলা চিঠি ছেলের উদ্দেশে লিখেছেন মদিনা খাতুন (ছদ্মনাম),মদিনা খাতুনের বয়স এখন আশি। ছয় বছর আগে তার আশ্রয় জুটেছে বৃদ্ধাশ্রমে।

facebook

Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরও দেখুন