সদ্য সংবাদ

  জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের পক্ষ থেকে নবাগত বিভাগীয় কমিশনার কে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন।।  এসপি হারুন দুই তৈল ব্যবসায়ীর কাছ থেকে আদায় করেন ৩৮ লাখ টাকা  নূর হোসেনের মায়ের কাছে রাঙ্গার দুঃখ প্রকাশ  জেনেভা থেকে ২ মানবাধিকার কর্মীকে অপহরণ করেছে সৌদি!  এসপি হারুনের দুর্নীতি তদন্তের নির্দেশনা চেয়ে রিট   সৌদিতে নারীকর্মী না পাঠানোর দাবি সংসদে   'গ্রীণ আরমি' এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী পালিত  নবীনগরে ইউএনও উদ্যোগে অসহায় পরিবার পেল বাসগৃহ   ভয়ঙ্কর আলমাস চেয়ারম্যান টাকার জন্য সবই পারেন  সৈয়দপুর বিমানবন্দর এলাকার ক্ষতিগ্রস্তদের সংবাদ সম্মেলন  ব্রাহ্মণবাড়িয়া ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা, নিহত ১৬  রংপুরের মেরিন একাডেমি ডিসেম্বরে উদ্বোধন  মেলা, মদের বার কেন বন্ধ হচ্ছেনা, জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির আলোচনায়  পঞ্চগড়ে মোবাইল ব্যবসায়ীর দোকানে অগ্নিকান্ডে ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি  ১০ বছরে ছয়বার বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী  কালিয়াকৈরে মোহনা টেলিভিশন এর প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত  চিলাহাটির বিশিষ্ট সমাজসেবক আব্দুল করিম বসুনিয়ার দাফন সম্পন্ন  রংপুরে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যদিয়ে ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) পালিত  আওয়ামী যুবলীগের ৪৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী আজ  অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তুরিনকে অপসারণ: আইনমন্ত্রী

মালয়েশিয়া আরবদের কুপ্রস্তাব ও নোংরা ইঙ্গিতে অতিষ্ঠ ফারিয়া শাহরিন

 Sat, Aug 12, 2017 12:55 PM
 মালয়েশিয়া আরবদের কুপ্রস্তাব ও নোংরা ইঙ্গিতে অতিষ্ঠ ফারিয়া শাহরিন

ডেস্ক রিপোর্ট : : মডেলিং ও অভিনয় জগতের একটি পরিচিত স্নিগ্ধ মুখ ফারিয়া শাহরিন। প্রথম দিকে একটি সিম কোম্পানির

 বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে দর্শক নজরে পরিচিত হয়ে ওঠেন তিনি। ‘আকাশ কত দূরে’ নামক চলচ্চিত্র এবং বেশ কিছু টিভি নাটকে অভিনেয় করে বিনোদন মুলুকে স্থায়ী আসনে অধিষ্ঠিত হয়ে আছেন তিনি। বর্তমানে এ সুদর্শনা অভিনেত্রীর বসবাস প্রবাসে। মালয়েশিয়ান একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন তিনি। কিন্তু কেমন আছেন সেখানে আমাদের দেশি অভিনেত্রী ফারিয়া শাহরিন?


তার বর্তমান দিনকাল কেমন যাচ্ছে সেটা বর্ণনা করার আগে একটি বিষয় না বললেই নয়। আজ হঠাৎ করেই চোখ আটকে যায় ফারিয়ার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে। সেখানে তার লেখা একটি স্ট্যাটাস দেখেই যোগাযোগ করে তার সঙ্গে। তিনি তার স্ট্যাটাসে লিখেছেন- ‘আমরা মেয়েরা সবসময় মেয়েই থাকব, আমরা কোনোদিন পুরুষের সমান হতে পারব না। যতই নারী আন্দোলন, হিউম্যান রাইটস, ওমেন রাইটস, নারী পুরুষ সমান বুলি ঝারি না কেন আমরা কোনোদিন অনের সমান হতে পারব না। কারণ আমরা শারীরিকভাবে দুর্বল। কষ্ট হয় কথাগুলো বলতে। রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় যখন কোনো আরব গাড়ি থেকে মাথা বের করে নোংরাভাবে শিস দিয়ে ইশারা করে ডাকে, তখন আমার মতো রগচটা ফারিয়াও মাথা নিচু করে চলে যায়। ইচ্ছা করে গলা টিপে চোখ খুলে টেনে বের করে ফেলি, কিন্তু একটা টু শব্দ করারও সাহস হয় না, ভয় হয় যদি ধরে নিয়ে যায়! কমপ্লেইন দেবো কাকে? ঐ পুলিশও তো গাড়ি থামিয়ে ইশারা করে। আরে আমি তো অ্যাডাল্ট, তিন বছরের ছোট বাচ্চারাই রেহাই পায় না এসব জানোয়ারদের থেকে। এই ছোট বাচ্চাও ওদের হিংস্রতার শিকার। এই অভিশাপ আর কত দিন কত বছর! যাদের ছেলে নেই, তাদের মেয়েরা কি বাপ মা অসুস্থ হলে রাত তিনটায় ওষুধ কিনতে কোনোদিন রাস্তায় নামতে পারবে না? কোনোদিন জ্যোৎস্না দেখতে রাত বিরাতে রাস্তায় বসে টং দকানে চা খেতে পারবে না’?


কেন এমন স্ট্যাটাস? মূল ঘটনাটি কী? ফারিয়া শাহরিনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান- ‘রোজই এমন ঘটনার শিকার হই কম-বেশি। কিন্তু  খুব ভয় পেয়ে যাই। একা হেঁটে যাচ্ছিলাম বাসার পাশের বাজারে খাবার আনতে। একজন আরব গাড়ি নিয়ে অনেকক্ষণ ফলো করল। তারপর আমি ভয়ে একটি দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলাম, যাতে চলে যায়। তারপর সে মাথা বের করে খুব নোংরাভাবে শিস দিয়ে আমাকে ডাকল, ইশারা করল। আমি খুব রাগ নিয়ে তাকিয়ে ছিলাম। কিছুক্ষণ পর দেখি পুলিশের গাড়ি। সামনে যেতেই পুলিশও দেখি শিস দিয়ে হাসছে! আমি খুব সিম্পল টি-শার্ট আর প্যান্ট পরা ছিলাম। কোনো প্রোভোকিং কাপড় নয়। এখানে আসার পরই আমি আরব আর কালোদের দ্বারা টিজিংয়ের শিকার হচ্ছি। এরা খুব নোংরাভাবে টিজ করে, ডাক দেয়। অনেক রাগ লাগে আমার কিন্তু ভয়ে কিছু বলতে পারি না। কারণ ওরা বিপজ্জনক। বাসার নিচে নামতে পারি না কালোদের অত্যাচারে। বিদেশে এরা মন হয় শেয়াল কুকুরের মতো পার্টনার খুঁজতে থাকে। একটু অন্ধকার দেখলেই এসে নম্বর চায়; বলে- আমি ঐ সবে এক্সপার্ট, আমার সঙ্গে চলো। আমার সঙ্গে চলো অথবা তোমার নম্বর দাও। কী যে জঘন্য লাগে’।


আরব! কারা এরা? সৌদি আরব থেকে আগত মালয়েশিয়ান বাসিন্দারা? এই প্রশ্নের উত্তরে ফারিয়া বলেন- এখানে (মালয়েশিয়ায়) অনেক বাইরের ছেলেরা পড়তে আসে। আরব মানে শুধু সৌদি না আরও অনেক দেশের আরব এখানে থাকে। যেমন ইয়েমেন, প্যালেস্টাইন ও লিবিয়া’


অভিনেত্রী ফারিয়া শাহরিন আরও জানিয়েছেন- ‘আমি একা থাকি তাই একা চলাফেরা করি সব সময়। সঙ্গে কেউ থাকে না। তাই এসবের ভিকটিম হচ্ছি’।


পড়াশোনার জন্য মালয়েশিয়ায় বসবাস করছেন তিনি। ভালো চাকরি পেয়ে গেলে সেখানে থেকেও যেতে পারেন তিনি। এমনটাই বলেছেন ফারিয়া শাহরিন। একরাশ হতাশা নিয়ে বলেছেন- ‘ভেবেছিলাম বিদেশ নিরাপদ। না, নিজেকে বোঝা মনে হয় যখন এসবের শিকার হই।


এখন সমগ্র মানব জাতীর কাছে একটিই প্রশ্ন- সমগ্র পৃথিবীটাই কি মেয়েদের জন্য একটি উন্মুক্ত কারাগার হয়ে উঠছে? কোথায় গেলে শান্তি পাবে মেয়েরা? কোথায় স্বাধীন মায়ের জাতি?

সূত্র: প্রিয়.কম

Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরও দেখুন