সদ্য সংবাদ

  নারী পুলিশদের কাছে জনপ্রিয় হচ্ছে হিজাব   মুজিববর্ষের পঞ্চগড়ে ১০০ কিশোরীকে মাশার্ল আর্ট প্রশিক্ষণ  জমজম কূপ পরিষ্কারকরণ প্রকল্পের প্রথম ব্যক্তি ইয়াহিয়া আর নেই  নারায়ণগঞ্জ মডেল মসজিদ উদ্বোধন নিয়ে যা বললেন ইফা উপপরিচালক  দশ ব্যাংকে ঘাটতি ২৯ হাজার কোটি টাকা   পিস্তল ঠেকিয়ে নারীর ৩ লাখ টাকা ছিনতাই, ৩ পুলিশ গ্রেপ্তার  সরকারি অর্থ ব্যয়ে জনগণের স্বার্থ নিশ্চিত করুন : রাষ্ট্রপতি  আ’লীগ ভোট ডাকাতি করে আমাদের বিজয় কেড়ে নিয়েছে: জাতীয় পার্টি  মসজিদ ইস্যুতে মেয়র আইভীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার নোংরা রাজনীতির অংশ।  হঠাৎ এক মঞ্চে বাবু-শামীম-সেলিম ওসমান -আইভীর চ্যালেঞ্জ   মেয়র আইভীকে নিয়ে মাওলানা আব্দুল আউয়ালের বিভ্রান্তকর বক্তব্যের ব্যাখ্যা  ভালো কাজ করতে অনেক লোকের প্রয়োজন হয়  সৌদির বিমান বন্দরে হুতির হামলা, বিমানে আগুন  নির্বাচনের ক্রমবর্ধমান ঘটনায় উদ্বিগ্ন মাহবুব তালুকদার  অনেকের চেয়ে ভালোভাবে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করেছি : প্রধানমন্ত্রী   মিয়ানমারের বিক্ষোভকারীদের হুশিয়ারি সামরিক জান্তার  থানার দায়িত্ব এসপিদের দিতে সুপারিশ করেছে দুদক  পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ১২ কর্মকর্তাকে বদলি  রূপগঞ্জের কায়েতপাড়ায় ইউপি নির্বাচনকে ঘীরে প্রচরণায় মুখর  পঞ্চগড়ে কোভিড-১৯ টিকাদান কর্মসূচীর উদ্বোধন

মিয়ানমারের বিক্ষোভকারীদের হুশিয়ারি সামরিক জান্তার

 Mon, Feb 8, 2021 9:46 PM
 মিয়ানমারের বিক্ষোভকারীদের হুশিয়ারি সামরিক জান্তার

এশিয়া খবর ডেস্ক:: মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থানের বিরোধী বিক্ষোভকারীদের

 বিরুদ্ধে ‘ব্যবস্থা’ নেয়ার হুশিয়ারি দিয়েছে দেশটির সামরিক কর্তৃপক্ষ। অপরদিকে, দেশটির বিভিন্ন শহরে প্রতিবাদরত বিক্ষোভকারীরা গণতন্ত্রের সংগ্রামে নিরাপত্তা বাহিনীকে জনতার পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

সোমবার সেনানিয়ন্ত্রিত মাওয়াদ্দি টিভিতে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর প্রধান জেনারেল মিন অং হ্লাইয়াং এক ঘোষণায় বলেন, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের নামে দেশে আইন লঙ্ঘন করা হচ্ছে এবং শক্তি প্রয়োগের হুমকি দেয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা, জননিরাপত্তা ও আইনের শাসনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, বাধা তৈরি ও ধ্বংস করার যে আক্রমণাত্মক প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে, তার বিরুদ্ধে আইন অনুসারে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

এ দিকে শনিবার থেকে শুরু হওয়া মিয়ানমারে সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে টানা বিক্ষোভের তৃতীয় দিন দেশটির বিভিন্ন শহরের রাস্তায় প্রতিবাদ করেছে বিক্ষোভকারীরা। রাজধানী নেপিডোসহ দেশটির বৃহত্তম দুই শহর ইয়াঙ্গুন ও মান্দালায়ের রাস্তায় হাজার হাজার লোক বিক্ষোভে অংশ নেয়।

বিক্ষোভকারীরা নিরাপত্তা বাহিনীকে গণতান্ত্রিক লড়াইয়ে জনতার পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে। ইয়াঙ্গুনে বিক্ষোভকারীরা ‘নাগরিকের জন্য পুলিশ’ স্লোগান দিয়ে মোতায়েন পুলিশ সদস্যদের ফুল, পানির বোতল, হালকা খাবার ও সিগারেট উপহার দেয়।

রাজধানী নেপিডোতে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে জলকামান ছোঁড়ে নিরাপত্তা বাহিনী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও চিত্রে দেখা যায়, নেপিডোর রাস্তায় সেনা অভ্যুত্থানের প্রতিবাদে হাজার হাজার লোকের বিক্ষোভ করার সময় নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে জলকামান ছোঁড়ে।

বৃহত্তম শহর ইয়াঙ্গুনে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, ডাক্তার, নার্স, শিক্ষক ও বৌদ্ধ সন্ন্যাসীসহ লাখো মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন। এ সময় তারা ‘স্বৈরাচারকে না বলুন’ ও ‘আমরা চাই গণতন্ত্র’ লেখা ব্যানার বহন করেন। একই সাথে বিক্ষোভকারীরা বৌদ্ধ ধর্মীয় পতাকা ও ক্ষমতাচ্যুত নেত্রী অং সান সু চির ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) পতাকা বহন করে।

নাম প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির কাছে বলেন, ‘আজ আমরা পেশাজীবীরা বিশেষ করে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, শিক্ষকসহ সরকারি চাকরিজীবীরা এগিয়ে এসেছি ঐক্যমত প্রকাশে। আমাদের লক্ষ্য একই, স্বৈরতন্ত্রের পতন নিশ্চিত করা।’

অনলাইন মাধ্যমে শ্রমিকদের সামরিক অভ্যুত্থানের প্রতিবাদে কাজ বন্ধ রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বার্তা সংস্থা এএফপি-এর কাছে ২৮ বছর বয়সী গার্মেন্টস শ্রমিক নিন তাজিন বলেন, ‘আজকে কাজের দিন ছিল কিন্তু বেতন কাটা হলেও আমরা কাজে যাবো না।’

সন্তান নিয়ে প্রতিবাদে অংশ নেয়া নিন হাইমান সোয়ে নামের এক নারী বিক্ষোভকারী বিবিসিকে বলেন, ‘আমরা দেখছি তরুণ জনসাধারণ সামরিক জান্তাকে মেনে নেয়নি। আমরা কিশোরদেরও বিক্ষোভে দেখেছি।’

সেনা অভ্যুত্থানের প্রতিবাদে শনিবার থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ মিয়ানমারে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করে দেয়া হলেও রোববার বিকেলে তা আংশিকভাবে চালু করা হয়।

এর আগে ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী, তাতমাদাও দেশটিতে সেনা অভ্যুত্থান ঘটায় এবং প্রেসিডেন্ট উইন মিন্ট ও স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চিসহ রাজনৈতিক নেতাদের গ্রেফতার করে। সাথে সাথে দেশটিতে এক বছরের জন্য জরুরি অবস্থা জারি করা হয়।

নভেম্বরের নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে বেসামরিক প্রশাসনের সাথে সামরিক বাহিনীর কয়েক দিনের দ্বন্দ্বের পর এই অভ্যুত্থান ঘটে। ওই নির্বাচনে সুচির নেতৃত্বের ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি) জয় লাভ করে, যা তাতমাদাও অস্বীকার করেছে।

সূত্র : বিবিসি, আলজাজিরা, এএফপি

Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরও দেখুন