সদ্য সংবাদ

 কালকিনিতে ১৩১ বাড়িতে লাল নিশানা লাগিয়ে দিলো প্রশাসন  করোনার বিরুদ্ধে সাইফুল ইসলাম শান্তির অভিযান শুরু  রংপুরে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে মাস্ক বিতরণ  নরসিংদীতে হোম কোয়ারেন্টিনে ২০৫ প্রবাসী  কালকিনির বিভিন্ন হাট-বাজারে হাতধোয়ার জন্য বেসিন স্থাপন  পঞ্চগড়ে সাড়ে ৭শ’ পিস হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ  রংপুরে করোনা প্রতিরোধে মাস্ক বিতরণ  পার্বতীপুরে শুধুমাত্র পূজার মধ্যদিয়ে ঐতিহ্যবাহী ‘বাহা পরব’ উদযাপিত  রংপুরে এরশাদের জন্মদিন পালিত  বিএফআরআইতে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী এবং জাতীয় শিশু দিবস পালিত  করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে পঞ্চগড়ে জরুরি বৈঠক  আতঙ্কিত না হয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে : সাদ এরশাদ এমপি  কালকিনিতে দুই প্রবাসীকে আর্থিক জরিমানা  পঞ্চগড়ে সীমিত পরিসরে মুজিববর্ষ পালিত  রংপুরে ৮টি রাস্তা পাকাকরণ ও ড্রেন নির্মাণ কাজ শুরু  কালকিনিতে বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী পালিত  পঞ্চগড়ে মুজিব উতসব পালিত  কালিয়াকৈর প্রেসক্লাবে বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী পালিত  রংপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী পালিত  পঞ্চগড়ে কীটনাশক মুক্ত সবজির চাষ!

মরণোত্তর পুরস্কার গ্রহণ না করতে পরিবারকে অনুরোধ করেছেন কুটি মনছুর

 Wed, Jan 25, 2017 12:06 PM
  মরণোত্তর পুরস্কার গ্রহণ না করতে পরিবারকে অনুরোধ করেছেন কুটি মনছুর

ডেস্ক রিপোর্ট:: প্রায় আট হাজার গান লিখে বাংলা লোকজ গানকে সমৃদ্ধ করেছেন লোকগানের অন্যতম পুরোধা কুটি মনসুর।

সততা আর নিষ্ঠা দিয়ে দিনের পর দিন লোকজ গানকে ভালোবেসে গেছেন। কিš‘ এর বিনিময়ে তিনি অর্থ বা পতিপত্তি চাননি। দেশের বাংলা গানের জন্য তিনি এতো অবদান রাখলেও কয়েকটি পুরষ্কার ছাড়া সরকার এই গুণী শিল্পীর কোনো খবরই রাখেননি কেউ। তাই মৃত্যুর আগে মনোকষ্টে পরিবারের সদস্যদেরকে অনুরোধ করেছেন, ‘বেঁচে থাকতে যেহেতু কোনো মূল্যায়ন হলো না, তাই আমি মারা যাবার পর কোনো মরোনোত্তর পুরষ্কার দেওয়া হলে তোমরা তা গ্রহণ করো না।’

কুটি মুনসুরের জামাতা শাহাবুদ্দিন দোলন জানিয়েছেন এ তথ্য। তিনি বলেন, ‘কুটি মুনসুর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন- ‘রুনা লায়লা, সাবিনা ইয়াসমিন, রথীন্দ্রনাথ রায়, নীনা হামিদসহ অনেকেই তার গান গেয়ে বিখ্যাত হয়েছেন। অথচ মৃত্যুর আগে কেউই তার কোনো খোঁজখবর রাখেননি। এতে তিনি খুব মনোকষ্ট পেয়েছেন।’

প্রখ্যাত গীতিকার ও সুরকার কুটি মনসুর (৯০) ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অব¯’ায় মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। লোকজ গানের জগতে অন্যতম পুরোধা ব্যক্তি কুটি মনসুর ১৯২৬ সালে ফরিদপুরের চরভদ্রাসন থানার লোহারটেক গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পরিবার নিয়ে রাজধানীর বনশ্রী এলাকার ই ব্লকে ভাড়া বাসায় থাকতেন।  তার চার মেয়ে ও দুই ছেলে রয়েছে।

বাংলাদেশের গানের জগতের এই গুণী শিল্পী অসু¯’ হওয়ার মাস দুয়েক আগে বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদ থেকে প্রকাশিত হয় কুটি মনসুরের লেখা আমার বঙ্গবন্ধু, আমার একাত্তর বইটি।

বাংলাদেশের গানের জগতের এই গুণী শিল্পী অসু¯’ হওয়ার মাস দুয়েক আগে বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদ থেকে প্রকাশিত হয় কুটি মনসুরের লেখা আমার বঙ্গবন্ধু, আমার একাত্তর বইটি।

কুটি মনসুরের অসংখ্য কালজয়ী গানের মধ্যে রয়েছে, ‘আমি কি তোর আপন ছিলাম না রে জরিনা’, ‘আইলাম আর গেলাম’, ‘যৌবন জোয়ার একবার আসে রে’, ‘হিংসা আর নিন্দা ছাড়ো’, ‘সাদা কাপড় পরলে কিš‘ মনটা সাদা হয় না’ এমন অসংখ্য গানের গায়ক, গীতিকার, সুরকার ও সংগীত পরিচালক কুটি মনসুর।

সত্তর ও আশির দশকে বাংলাদেশের আধুনিক বাংলা গানের পরিচিত একটি নাম কুটি মনসুর। তাঁর কথা ও সুরে গান গেয়েছেন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠিত কণ্ঠশিল্পীরা। তাঁদের মধ্যে আছেন সৈয়দ আব্দুল হাদী, এন্ড্রো কিশোর, রুনা লায়লা, সাবিনা ইয়াসমীন, দিলরুবা খান, নীনা হামিদ, রথীন্দ্রনাথ রায়, ফকির আলমগীর, ইন্দ্রমোহন রাজবংশী, ফিরোজ সাঁই, কিরণ চন্দ্র রায়, মুজিব পরদেশী, মমতাজ, ডলি সায়ন্তনী, মীনা বড়–য়া, এম এ মতিন, জানে আলম, রবি চৌধুরী, মনির খান, শুভ্র দেব প্রমুখ।

কুটি মনসুর দীর্ঘ ৬০ বছরের সংগীতজীবনে পল্লিগীতি, আধুনিক, জারি-সারি, পালাগান, পুঁথিপাঠ, ভাটিয়ালি, মুর্শিদী, মারফতি, আধ্যাত্মিক, দেহতত্ত্ব, হামদনাত, ইসলামি প্রভৃতি বিষয়ে প্রায় আট হাজার গান লিখেছেন।

এর আগে গত ২২ ডিসেম্বর ঢাকার রামপুরার বাসায় গুরুতর অসু¯’ হয়ে পড়েন কুটি মনসুর। এরপর তাঁকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অব¯’ার অবনতি ঘটলে ২৯ ডিসেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ¯’ানান্তর করা হয় তাঁকে। তাঁর চিকিৎসার দায়িত্বে ছিলেন চিকিৎসক বেনজীর আহমেদ।


Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরও দেখুন