সদ্য সংবাদ

  প্রাথমিকে উপবৃত্তির টাকা বিতরণ করা হবে ‘নগদে’  নবীনগর-শিবপুর-রাধিকা সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন   পঞ্চগড় পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে লড়াই হবে তৌহিদুল -জাকিয়া  কৃষকদের পরিশ্রমে আজ বাংলাদেশ উন্নত -ডেপুটি স্পীকার  দায়িত্ব নিয়েই ১০০ দিন জনগণকে মাস্ক পরাবেন বাইডেন   রোহিঙ্গাদের জন্য দেশের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে: ওবায়দুল কাদের   পুলিশের লাঠিপেটায় ছত্রভঙ্গ ভাস্কর্য বিরোধী মিছিল  ফতুল্লায় নৃত্য শিল্পি ধর্ষণ: গ্রেফতার ১  দেশের সাত জেলায় সড়কে ঝরল ২১ প্রাণ  গাঁজা বিপজ্জনক মাদক নয় : জাতিসঙ্ঘ   ‘দেশে আলেমদের মাঠে নামিয়েছে সরকার: ডা. জাফরুল্লাহ  দুদকে যেতেই হবে ডিএজি রুপাকে   জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৯ বিজয়ীদের নাম ঘোষণা  সিদ্ধিরগঞ্জে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা  ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, এএসআই প্রত্যাহার   পাকিস্তানের ১৯৭১ সালের নৃশংসতা অমার্জনীয় : প্রধানমন্ত্রী  ‘আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দেশের মানুষকে হতাশ করেছে’   ২৫ ব্যাংকে খেলাপি ঋণ ৮০ হাজার কোটি টাকা  ঢাকার যাত্রীদের জন্য গুগল ম্যাপে নতুন ফিচার  নবীনগরে অজ্ঞাতনামা মহিলার লাশ উদ্ধার

শরণার্থী থেকে নায়করাজ

 Tue, Aug 22, 2017 11:09 AM
                      শরণার্থী থেকে নায়করাজ

ডেস্ক রিপোর্ট : : ‘আমি আমার জীবনের অতীত ভুলি না। আমি এই শহরে রিফিউজি হয়ে এসেছি। স্ট্রাগল করেছি।

না খেয়ে থেকেছি। যার জন্য পয়সার প্রতি আমার লোভ কোনোদিন আসেনি। ওটা আসেনি বলেই আজকে আমি এতদূর শান্তিতে এসেছি।’ এক বিশেষ সাক্ষাত্কারে কথাগুলো বলেছিলেন নায়করাজ রাজ্জাক।


আজ তিনি চলে গেলেন না ফেরার দেশে। কিন্তু তার এই দীর্ঘপথ চলা কি এতো সহজ ছিলো? ভক্তদের কাছে রাজ্জাক হিসেবে পরিচিত হলেও উনার নাম আব্দুর রাজ্জাক। জন্ম ১৯৪২ সালে কলকাতায়। ১৯৬৪ সালে শরণার্থী হয়ে ঢাকায় আসেন এই মহান নায়ক। এর পর জড়িয়ে পড়েন চলচ্চিত্রে। দু’একটা সিনেমায় ছোটখাটো চরিত্রে অভিনয় করার পর ৬৭ সালে মুক্তি পায় নায়ক হিসেবে তার প্রথম ছায়াছবি বেহুলা। সেই থেকে শুরু।


প্রায় ৫০ বছরের অভিনেতা হিসেবে রাজ্জাকের ঝুলিতে রয়েছে ৩০০’র মতো বাংলা ও উর্দু ভাষার চলচ্চিত্র। এর মধ্যে বেশ কয়েকটিই পেয়েছে ক্লাসিকের খ্যাতি।


১৯৬৪ সালের ২৬ এপ্রিল শূন্য হাতে ঢাকায় পৌঁছেন রাজ্জাক। সঙ্গে নিয়ে এসেছিলেন পীযূষ বসুর চিঠি এবং পরিচালক আবদুল জব্বার খান ও শব্দযন্ত্রী মনিবোসের ঠিকানা। স্ত্রী ও শিশুপুত্রকে স্টেডিয়ামে শত-শত উদ্ধাস্তুদের ভিড়ে রেখে রাজ্জাক গিয়ে দেখা করেন পরিচালক আবদুল জব্বার খানের সঙ্গে। তিনি রাজ্জাককে আশ্বাস দেন। রাজ্জাক পরে কমলাপুর এলাকায় মাসিক আশি টাকা ভাড়ায় বাসা ঠিক করে স্ত্রী-পুত্র নিয়ে ওঠেন। উদ্বাস্তু রাজ্জাকের আশ্রয় মিলল ঠিকই কিন্তু জীবিকা অর্জনের কোনো পথ নেই। তিনি দেখা করেন শব্দযন্ত্রী মনিবোসের সঙ্গে। ঘুরে বেড়ান চিত্রপুরীর অফিসে-অফিসে কাজের তাগিদে। দেখা করেন এহতেশাম, মোস্তাফিজ, সুভাষ দত্ত, সৈয়দ আওয়াল প্রমুখের সঙ্গে। কিন্তু ততটা পাত্তা পান না। কিন্তু জীবন থেমে থাকে না। পরিচালক আবদুল জব্বার খান তাকে কাজের সুযোগ করে দেন ‘ইকবাল ফিল্মস’ প্রতিষ্ঠানে। এ প্রতিষ্ঠানের ছবি ‘উজালা’য় তিনি হন পরিচালক কামাল আহমেদের সহকারী। সহকারী হিসেবে দ্বিতীয় ছবি ‘পরওয়ানায়’ কাজ শুরু করেন। কিন্তু ছবির কাজ শতকরা আশি ভাগ হওয়ার পরই তিনি সহকারীর কাজ ছেড়ে দেন। কাজ ছেড়ে দেয়ার কারণ, তিনি ছবিতে অভিনয় করবেন। এ জন্য শুরু হয় রাজ্জাকের আবার নতুন সংগ্রাম।


১৯৬৬ সালের ২৮ অক্টোবর জহির রায়হান পরিচালিত পৌরাণিক ছবি ‘বেহুলা’ মুক্তি পায়। ওই ছবি মুক্তির পর দর্শকরা পরিচিত হলেন নতুন নায়ক রাজ্জাকের সঙ্গে। দেখতে অনেকটা উত্তম কুমার ও বিশ্বজিতের মতো, হাসিখুশি, বয়সে তরুণ এ নবাগত নায়ককে দর্শকরা লুফে নেন বেহুলারূপী সুচন্দার বিপরীতে। এরপর আর পিছে ফিরে তাকাতে হয়নি নায়করাজকে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরও দেখুন