সদ্য সংবাদ

 কালকিনিতে ১৩১ বাড়িতে লাল নিশানা লাগিয়ে দিলো প্রশাসন  করোনার বিরুদ্ধে সাইফুল ইসলাম শান্তির অভিযান শুরু  রংপুরে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে মাস্ক বিতরণ  নরসিংদীতে হোম কোয়ারেন্টিনে ২০৫ প্রবাসী  কালকিনির বিভিন্ন হাট-বাজারে হাতধোয়ার জন্য বেসিন স্থাপন  পঞ্চগড়ে সাড়ে ৭শ’ পিস হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ  রংপুরে করোনা প্রতিরোধে মাস্ক বিতরণ  পার্বতীপুরে শুধুমাত্র পূজার মধ্যদিয়ে ঐতিহ্যবাহী ‘বাহা পরব’ উদযাপিত  রংপুরে এরশাদের জন্মদিন পালিত  বিএফআরআইতে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী এবং জাতীয় শিশু দিবস পালিত  করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে পঞ্চগড়ে জরুরি বৈঠক  আতঙ্কিত না হয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে : সাদ এরশাদ এমপি  কালকিনিতে দুই প্রবাসীকে আর্থিক জরিমানা  পঞ্চগড়ে সীমিত পরিসরে মুজিববর্ষ পালিত  রংপুরে ৮টি রাস্তা পাকাকরণ ও ড্রেন নির্মাণ কাজ শুরু  কালকিনিতে বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী পালিত  পঞ্চগড়ে মুজিব উতসব পালিত  কালিয়াকৈর প্রেসক্লাবে বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী পালিত  রংপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী পালিত  পঞ্চগড়ে কীটনাশক মুক্ত সবজির চাষ!

প্রবালদ্বীপ সেন্ট মার্টিন ভ্রমণে অনলাইন নিবন্ধন লাগবে

 Tue, Apr 23, 2019 11:14 PM
প্রবালদ্বীপ সেন্ট মার্টিন ভ্রমণে অনলাইন নিবন্ধন লাগবে

এশিয়া খবর ডেস্ক:: দেশের একমাত্র প্রবালদ্বীপ সেন্ট মার্টিন নিয়ে পরিকল্পনার শেষ নেই।

প্রথমে দ্বীপে পর্যটক নিয়ন্ত্রণ ও রাত্রী যাপন নিষদ্ধ এবং সর্বশেষ ভ্রমণে অনলাইন নিবন্ধনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এছাড়া দ্বীপে বিজিবি মোতায়েন নিয়েও চলছে আলোচনা।

সেন্ট মার্টিন বাঁচাতে একগুচ্ছ মতামতের কথা জানিয়েছেন টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রবিউল হাসান।

তিনি জানান,  'প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনকে বাঁচাতে ভ্রমণে যেতে আগামী মৌসুম থেকে নিবন্ধনের আত্ততায় আনার কথা জানানো হয়েছে। পর্যটকদের কিভাবে আরো বেশি সমৃদ্ধ করা যায় সে বিষয়ে অনেকগুলো মতামত পাঠানো হয়েছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে। সেই লক্ষ্যে সরকার প্রস্তাবনাগুলো বাস্তাবায়নের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।'

তিনি আরও জানায়, সেন্টমার্টিন দ্বীপটি দেশের একটা বড় সম্পদ। এ সম্পদকে বাঁচিয়ে রাখতে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে সরকার। তবে প্রকৃতি ও পরিবেশ সুরক্ষা না হলে এই দ্বীপের পরিবেশ হুমকির মুখে পড়বে।

সংশ্লিষ্ট মতে, আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও সেন্টমার্টিনে ১০৬টি হোটেল-মোটেলসহ নানা স্থাপনা গড়ে উঠেছে। পাশাপাশি অনিয়ন্ত্রিত পর্যটন সেন্টমার্টিন দ্বীপের সৌন্দর্য, পরিবেশ ও প্রতিবেশ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। সেন্টমার্টিন সাগরে ১০৩টি প্রজাতির অনেকগুলোই বিলুপ্ত হয়ে গেছে। পর্যটকের অবাধ চলাচলের কারণে কাঁকড়ার প্রজনন কমে গেছে। অপরিকল্পিত পয়ঃনিষ্কাশন এবং যত্রতত্র আবর্জনা ফেলে পানি ও মাটি দূষণের কারণে জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে। বর্তমানে এ দ্বীপে ১০ হাজার মানুষের বাস। তার ওপর পর্যটন মৌসুমে প্রতিদিন প্রায় ১০ হাজার পর্যটক দ্বীপে যাচ্ছেন। যত না মানুষ তার চেয়ে বেশি রিসোর্ট। দ্বীপের ভারসাম্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য না রেখেই অপরিকল্পিতভাবে ইট-পাথরের দালান গড়ে উঠেছে। উঁচু ভবন নির্মাণের জন্য প্রবাল খুঁড়ে মাটি বের করা হচ্ছে। অবাধে আহরণ হচ্ছে শামুক-ঝিনুক-পাথর। সৈকতসংলগ্ন এলাকায় হোটেল, মোটেল, রেস্টুরেন্ট ও দোকান নির্মাণের জন্য কেয়াবন ও ঝোপঝাড় ধ্বংস করা হচ্ছে। হোটেলে চলা জেনারেটরের আওয়াজে দ্বীপে চলছে শব্দদূষণ। যে যেভাবে পারছেন, দ্বীপে ঘুরছেন। পুরো এলাকা নিয়ন্ত্রণহীন। মানুষের অতিরিক্ত চাপে পানি ও পরিবেশদূষণে হুমকিতে দ্বীপের প্রায় ৬৮ প্রজাতির প্রবাল।

কক্সবাজারের পরিবেশবিষয়ক সংস্থা ইয়ুথ এনভায়রনমেন্ট সোসাইটির (ইয়েস) প্রধান নির্বাহী এম ইব্রাহিম খলিল মামুন বলেন, 'দ্বীপ বাচাঁতে সরকারের উদ্দ্যেগেকে স্বাগত জানায়। তবে এটি দ্রুত বাস্তায়ন দেখতে চায়। কেন না দেশের প্রবাল দ্বীপ সেন্টমাটিন দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে।'

৭ এপ্রিল থেকে দেশের অন্যতম পর্যটন এলাকা টেকনাফের সেন্টমার্টিন দ্বীপের নিরাপত্তায় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। দ্বীপটিতে তাদের পাশাপাশি আবারও ভারী অস্ত্র নিয়ে টহল দিতে শুরু করেছেন বিজিবির সদস্যরা। ২২ বছর পর অস্থায়ীভাবে দ্বীপটিতে সীমান্ত চৌকি স্থাপনা করা হয়েছে। পরে সেখানে স্থায়ী বর্ডার আউট পোস্টও (বিওপি) তৈরি করা হবে। তবে এর আগে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত সেখানে সীমান্তরক্ষী বাহিনী নিয়োজিত ছিল। এর পর থেকে সেখানে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পালন করে আসছেন কোস্টগার্ড, পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের অক্টোবরে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনকে নিজেদের অংশ বলে দাবি করেছিল মিয়ানমার। মিয়ানমার সরকারের জনসংখ্যা বিষয়ক বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রদর্শিত দেশটির মানচিত্রে সেন্টমার্টিনকে তাদের ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে দেখানো হয়। গত বছরের ৬ অক্টোবর বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মিয়ানমারের তৎকালীন রাষ্ট্রদূত উ লুইন ওকে তলব করে এর প্রতিবাদ জানায়। এরপর মিয়ানমারের মানচিত্র সংশোধন করা হয়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরও দেখুন