সদ্য সংবাদ

  দেশে ভয়াবহ দুঃশাসন চলছে: ফখরুল   বাংলাদেশি গার্মেন্টস কর্মীদের টাকা পাঠাচ্ছেন এক ভিনদেশি ব্যবসায়ী   ডিসি পদে নিয়োগ পাওয়া কয়েকজনকে ঘিরে বিতর্ক   দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রেকর্ড ৩৬.০১৬ বিলিয়ন ডলার  চাকরির বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রতারণার অভিযোগে ৩ নারীসহ গ্রেপ্তার ৭   করোনামুক্ত হলেন জোকোভিচ ও তার স্ত্রী  বাজেটে রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটের সুযোগ বেড়েছে : ফখরুল   রাষ্ট্রায়ত্ত সব পাটকল বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার   করোনা: ঝিনাইদহ জেলা, ৫ জনের মৃত্যু আক্রান্ত ২৩৬!  প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে আপত্তিকর অবস্থায় ইউপি সদস্য ধরা  কুয়েতে এমপি পাপুল ব্যাংক হিসাবে ১৩৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা জব্দ।  আড়াইহাজারে মন্দিরে অগ্নি সংযোগ ঘটনা  রূপগঞ্জে হত্যা পর লাশে সিমেন্টের প্রলেপ  নবীনগরে নন-এমপিও শিক্ষকদের মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ   বান্দরবানে ২ ভাইকে পিটিয়ে হত্যা  লাদাখ সীমান্তে রণপ্রস্তুতি চীন-ভারত  দিলরুবা খানের জিডি নিয়ে মুখ খুললন শাকিব খান  বাসা-বাড়িতে গ্যাস সংযোগের বিষয়ে সু খবর আসছে।   ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান লতিফুর রহমান মারা গেছেন  পিপিই দুর্নীতিতে স্লোভেনিয়ার অর্থমন্ত্রী গ্রেপ্তার, পদত্যাগ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

প্রবালদ্বীপ সেন্ট মার্টিন ভ্রমণে অনলাইন নিবন্ধন লাগবে

 Tue, Apr 23, 2019 11:14 PM
প্রবালদ্বীপ সেন্ট মার্টিন ভ্রমণে অনলাইন নিবন্ধন লাগবে

এশিয়া খবর ডেস্ক:: দেশের একমাত্র প্রবালদ্বীপ সেন্ট মার্টিন নিয়ে পরিকল্পনার শেষ নেই।

প্রথমে দ্বীপে পর্যটক নিয়ন্ত্রণ ও রাত্রী যাপন নিষদ্ধ এবং সর্বশেষ ভ্রমণে অনলাইন নিবন্ধনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এছাড়া দ্বীপে বিজিবি মোতায়েন নিয়েও চলছে আলোচনা।

সেন্ট মার্টিন বাঁচাতে একগুচ্ছ মতামতের কথা জানিয়েছেন টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রবিউল হাসান।

তিনি জানান,  'প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনকে বাঁচাতে ভ্রমণে যেতে আগামী মৌসুম থেকে নিবন্ধনের আত্ততায় আনার কথা জানানো হয়েছে। পর্যটকদের কিভাবে আরো বেশি সমৃদ্ধ করা যায় সে বিষয়ে অনেকগুলো মতামত পাঠানো হয়েছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে। সেই লক্ষ্যে সরকার প্রস্তাবনাগুলো বাস্তাবায়নের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।'

তিনি আরও জানায়, সেন্টমার্টিন দ্বীপটি দেশের একটা বড় সম্পদ। এ সম্পদকে বাঁচিয়ে রাখতে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে সরকার। তবে প্রকৃতি ও পরিবেশ সুরক্ষা না হলে এই দ্বীপের পরিবেশ হুমকির মুখে পড়বে।

সংশ্লিষ্ট মতে, আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও সেন্টমার্টিনে ১০৬টি হোটেল-মোটেলসহ নানা স্থাপনা গড়ে উঠেছে। পাশাপাশি অনিয়ন্ত্রিত পর্যটন সেন্টমার্টিন দ্বীপের সৌন্দর্য, পরিবেশ ও প্রতিবেশ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। সেন্টমার্টিন সাগরে ১০৩টি প্রজাতির অনেকগুলোই বিলুপ্ত হয়ে গেছে। পর্যটকের অবাধ চলাচলের কারণে কাঁকড়ার প্রজনন কমে গেছে। অপরিকল্পিত পয়ঃনিষ্কাশন এবং যত্রতত্র আবর্জনা ফেলে পানি ও মাটি দূষণের কারণে জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে। বর্তমানে এ দ্বীপে ১০ হাজার মানুষের বাস। তার ওপর পর্যটন মৌসুমে প্রতিদিন প্রায় ১০ হাজার পর্যটক দ্বীপে যাচ্ছেন। যত না মানুষ তার চেয়ে বেশি রিসোর্ট। দ্বীপের ভারসাম্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য না রেখেই অপরিকল্পিতভাবে ইট-পাথরের দালান গড়ে উঠেছে। উঁচু ভবন নির্মাণের জন্য প্রবাল খুঁড়ে মাটি বের করা হচ্ছে। অবাধে আহরণ হচ্ছে শামুক-ঝিনুক-পাথর। সৈকতসংলগ্ন এলাকায় হোটেল, মোটেল, রেস্টুরেন্ট ও দোকান নির্মাণের জন্য কেয়াবন ও ঝোপঝাড় ধ্বংস করা হচ্ছে। হোটেলে চলা জেনারেটরের আওয়াজে দ্বীপে চলছে শব্দদূষণ। যে যেভাবে পারছেন, দ্বীপে ঘুরছেন। পুরো এলাকা নিয়ন্ত্রণহীন। মানুষের অতিরিক্ত চাপে পানি ও পরিবেশদূষণে হুমকিতে দ্বীপের প্রায় ৬৮ প্রজাতির প্রবাল।

কক্সবাজারের পরিবেশবিষয়ক সংস্থা ইয়ুথ এনভায়রনমেন্ট সোসাইটির (ইয়েস) প্রধান নির্বাহী এম ইব্রাহিম খলিল মামুন বলেন, 'দ্বীপ বাচাঁতে সরকারের উদ্দ্যেগেকে স্বাগত জানায়। তবে এটি দ্রুত বাস্তায়ন দেখতে চায়। কেন না দেশের প্রবাল দ্বীপ সেন্টমাটিন দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে।'

৭ এপ্রিল থেকে দেশের অন্যতম পর্যটন এলাকা টেকনাফের সেন্টমার্টিন দ্বীপের নিরাপত্তায় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। দ্বীপটিতে তাদের পাশাপাশি আবারও ভারী অস্ত্র নিয়ে টহল দিতে শুরু করেছেন বিজিবির সদস্যরা। ২২ বছর পর অস্থায়ীভাবে দ্বীপটিতে সীমান্ত চৌকি স্থাপনা করা হয়েছে। পরে সেখানে স্থায়ী বর্ডার আউট পোস্টও (বিওপি) তৈরি করা হবে। তবে এর আগে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত সেখানে সীমান্তরক্ষী বাহিনী নিয়োজিত ছিল। এর পর থেকে সেখানে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পালন করে আসছেন কোস্টগার্ড, পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের অক্টোবরে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনকে নিজেদের অংশ বলে দাবি করেছিল মিয়ানমার। মিয়ানমার সরকারের জনসংখ্যা বিষয়ক বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রদর্শিত দেশটির মানচিত্রে সেন্টমার্টিনকে তাদের ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে দেখানো হয়। গত বছরের ৬ অক্টোবর বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মিয়ানমারের তৎকালীন রাষ্ট্রদূত উ লুইন ওকে তলব করে এর প্রতিবাদ জানায়। এরপর মিয়ানমারের মানচিত্র সংশোধন করা হয়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরও দেখুন