সদ্য সংবাদ

 কালকিনিতে ১৩১ বাড়িতে লাল নিশানা লাগিয়ে দিলো প্রশাসন  করোনার বিরুদ্ধে সাইফুল ইসলাম শান্তির অভিযান শুরু  রংপুরে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে মাস্ক বিতরণ  নরসিংদীতে হোম কোয়ারেন্টিনে ২০৫ প্রবাসী  কালকিনির বিভিন্ন হাট-বাজারে হাতধোয়ার জন্য বেসিন স্থাপন  পঞ্চগড়ে সাড়ে ৭শ’ পিস হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ  রংপুরে করোনা প্রতিরোধে মাস্ক বিতরণ  পার্বতীপুরে শুধুমাত্র পূজার মধ্যদিয়ে ঐতিহ্যবাহী ‘বাহা পরব’ উদযাপিত  রংপুরে এরশাদের জন্মদিন পালিত  বিএফআরআইতে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী এবং জাতীয় শিশু দিবস পালিত  করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে পঞ্চগড়ে জরুরি বৈঠক  আতঙ্কিত না হয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে : সাদ এরশাদ এমপি  কালকিনিতে দুই প্রবাসীকে আর্থিক জরিমানা  পঞ্চগড়ে সীমিত পরিসরে মুজিববর্ষ পালিত  রংপুরে ৮টি রাস্তা পাকাকরণ ও ড্রেন নির্মাণ কাজ শুরু  কালকিনিতে বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী পালিত  পঞ্চগড়ে মুজিব উতসব পালিত  কালিয়াকৈর প্রেসক্লাবে বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী পালিত  রংপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী পালিত  পঞ্চগড়ে কীটনাশক মুক্ত সবজির চাষ!

১০ বছরের মেয়াদের গাছ ১৭ বছর উত্তীর্ণ

উপকারভোগীরা কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা পাচ্ছেনা!

 Sun, Jul 28, 2019 9:46 PM
১০ বছরের মেয়াদের গাছ ১৭ বছর উত্তীর্ণ

পঞ্চগড় প্রতিনিধি॥: সামাজিক বনায়ন কর্মসূচীর আওতায় বিগত ২০০২-২০০৩ অর্থ বছরে

পঞ্চগড়-দিনাজপুর মহাসড়কের পাশে বিভিন প্রজাতির গাছ লাগানো হয়। উপকারভোগীদের সাথে সরকারের (বনবিভাগ)এর চুক্তি হয় গাছের বয়স ১০ বছর হলেই এই গাছ নিলামের মাধ্যেমে কেটে ফেলতে হবে। অথচ ২০০২-২০০৩ হতে বর্তমান ২০১৯ সাল অতিবাহিত হতে চরছে। কোন সাড়া নেই কর্র্তপক্ষের। উপকারভোগীরা র্দীঘদিন ধরে পঞ্চগড় বনবিভাগে ধর্ণা দিলেও কোন ফয়দা হয়নি। গাছগুলি আজ বয়সের ভাড়ে নষ্ট হতে চলেছে। আবার কেউ কেউ এসব গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে। কোন নিয়ম নীতির বালাই নেই।
 সম্প্রতি পঞ্চগড় সদর আটোয়ারী উপজেলার ধামোর, মির্জাপুর ও পঞ্চগড় সদর উপজেলার ধাক্কামারার খোলাপাড়া, মাগুড়া ইউনিয়নের দলুয়া, ঝলই হাট  ও বোদা উপজেলার বেংহাড়ী ইউনিয়নে এমন চিত্র ফুটে উঠেছে। এছাড়া পঞ্চগড়-আটোয়ারী মহাসড়কের পাশে গাছ-গাছারি উপড়ে গেছে। এদিকে ঝড়ে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে এসব এলাকার আম-কাঠাল, ইউকিলিপটার্স সহ নানা জাতের ফলজও বনজ গাছ। 
ওই দিনের রাতে ঝড়ের পর জেলার আন্তঃসড়ক মহা সড়ক গাছ পড়ে বন্ধ হয়ে যায় এরপর ফায়ার সার্ভিস সহ জেলার পুলিশ কবাহিনী ও আম-জনতা এসব গাছ কেটে অনেক কষ্টে সড়ক চলাচলে সহায়তা করে।এদিকে ঝড়ে কারনে পঞ্চগড়-দিনাজপুর মসহাসড়কে বন বিভাগ ২০০৩ ইং সালে উপকারভোগীদের জন্য বিভিন্ন জাতের গাছ লাগিয়েছিলেন। এসব গাছের প্রায় এখভাগ গাছ ঝড়ে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে।
খাঁপুকুর গ্রামের আব্দুল খালেক, ধকরাহাটের নজরুল ইসলাম সহ অনেক উপকারভোগীরা জানান, চুক্তি অনুযায়ী ১০ বছরের মধ্যে গাছ নিলামে বিক্রি করে সমুদয় অর্থ উপকারভোগী সহ জমির মালিক(সওজ) ও বন বিভাগের মধ্যে ভাগ করে দেয়ার নিয়ম। অথচ ১৭/১৮ বছর হয়ে গেলো বন বিভাগ কোন উদ্যোগ নিচ্ছেনা। নজরুল ইসলাম জানান, বন বিভাগকে দু’দুবার আবেদন দিয়েছি এক প্রতিজন ৩‘শ ৪’শ টাকা দিয়ে গাছের মার্কিং করেছি। কিন্তু আজ অবধি কোন গাছ কাটার খবর নেই। বীট কর্মকর্তা রতন লাল মোহরকে মুঠো ফোনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে, তিনি বলেন, আমি কি করবো’। এসব গাছের দায়িত্ব বলে ফোন বন্ধ করে দেন।এই বনায়নের প্রায় ৫০টি গাছ উপড়ে-দুমরে মুচরে গেছে।
এবিষয়ে পঞ্চগড় বন বিভাগের রেঞ্জার মোঃ রুহুল আমিন জানান, আমি কদিন আগে আসলাম। কোন চুক্তিনামা পাইনি। পঞ্চগড় সদর বীটকে বলেছি রিপোর্ট করার জন্য ‘ দেখি তিনি কি করেন। তবে এসব গাছ ঝড়ে পড়ে যাওয়ার পর যে যার মত করে গাছ নিয়ে যাচ্ছে। জানা যায়, এই বনায়নের গাছে ৯০ জন উপকারভোগী আছে। তারা গাছ কাটার অনুমতি না পাওয়ায় হায়-হতাশ করছে। সড়ক (সওজ) বিভাগ পঞ্চগড়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ জহুরুল হক বলেন, আমি খোজঁ নিয়েছি ‘ এসব গাছ উপকারভোগীরা বাড়ীতে নিয়ে জড়ো করছে।
এ বিষয়ে উপকারভোগীরা জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।
 
 

Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরও দেখুন