সদ্য সংবাদ

  করোনা পরীক্ষার সিরিয়াল পেলেন দেড় মাস পর!  গণপরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধির সুপারিশ অগ্রহণযোগ্য : ক্যাব  কোয়ারেনটাইনে নায়িকা রাধিকা   করোনা: সরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য ১ সরকারি প্রতিষ্ঠানের জ৮ স্বাস্থ্যবিধি নির্দেশনা   করোনা আক্রান্ত ৩০ ভাগ রোগীর চিকিৎসা দিতে পারছে না সরকার: রিজভী  করোনা মোকাবেলায়: বাংলাদেশকে ৭৩২ মিলিয়ন ডলার দিচ্ছে আইএমএফ   ৬১ লাশ দাফনের পর করোনায় আক্রান্ত নারায়ণগঞ্জের ‘বীর’ কাউন্সিলর খোরশেদ  ইসরাইলি বাহিনীর হাতে আটক আল-আকসা মসজিদের গ্র্যান্ড ইমাম   দেশের এই ক্রান্তিকালে স্বেচ্ছাচারিতা গভীর উদ্বেগজনক: টিআইবি   সিদ্ধিরগঞ্জের বোমা ও ইয়াবাসহ নাদিরা গ্রেপ্তার   পঞ্চগড়ের দুগ্ধ খামারিদের করুণ দশা   ঝিনাইদহ করোনা উপসর্গ নিয়ে ঢাকা ফেরত যুবকের মৃত্যু!   ৩১ মে ফেসবুক লাইভে এসএসসির ফল জানাবেন শিক্ষামন্ত্রী  বাস চলাচলে সরকারের ১২ শর্ত   লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশি হত্যার বিচার চায় বাংলাদেশ   পঞ্চগড়ে করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে ১০ জন সুস্থ হয়েছেন   ঝিনাইদহে ঘুর্ণিঝড় আম্পানে ২ লাখ ২৭ হাজার চাষী ক্ষতিগ্রস্থ!  শৈলকুপায় লিচু বাগান রক্ষায় কারেন্ট জালের ফাঁদ   করোনা: দেশে ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের নতুন রেকর্ড ২৫২৩ জন , মৃত্যু ২৩   সিদ্ধিরগঞ্জ রসুলবাগে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ৩ জনের মৃত্যু, আহত ৫

পঞ্চগড় সদর হাসাপাতালে ১০ বছর ধরে এক্স-রে মেশিন অচল

সচলের উদ্যোগ নেই, রোগীদের অন্তহীন দুর্ভোগ

 Thu, Aug 1, 2019 9:44 PM
পঞ্চগড় সদর হাসাপাতালে ১০ বছর ধরে এক্স-রে মেশিন অচল

পঞ্চগড় প্রতিনিধি॥: পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের এক্স-রে মেশিনটি র্দীঘ প্রায় ১০ বছর

 ধরে নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। অভিযোগ আছে, মেশিনটি মেরামত করার কোনো উদ্যোগ নেই কর্তৃপক্ষের। ফলে স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বিপুল জনগোষ্ঠি।
জানা গেছে, পঞ্চগড় জেলার নিম্ন ও মধ্যবিত্তের মানুষের একমাত্র ভরসা এ হাসপাতালটি। তবে তেমন একটা চিকিৎসা সেবা পান না তারা। ফলে চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যেতে হয় রোগী সাধারনকে। দীর্ঘ ১০ বছর ধরে সিমেন্স এক্স-রে ৫০০এমএ মেশিনটি বিকল হয়ে পড়ে আছে। সিএমএসডি থেকে বরাদ্দ আসা এক্স-রে মেশিনটি পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের ২০০৯ সালে স্থাপন করা হয়। প্রতিদিন ২০০-৩০০টি এক্স-রে করার ক্ষমতা থাকলেও এখন সেটা আর ব্যবহার করা যায় না।
আরও জানা গেছে, ২০০২ সালের দিকে ২০০ এমএ মেশিন দিয়ে এক্সে-রে করা হত। পরে ২০০৯ সালে ৫০০এমএ মিশনটি স্থাপন করা হয়। কিন্তু সেটিও কিছুদিনের মধ্যে বিকল হয়ে যায়। এরপর থেকে ১০০এমএ মেশিন দিয়ে এক্স-রে করা হচ্ছে। যেটি দিয়ে প্রতিদিন ১০টি এক্স-রে করা যায় না। কিন্তু প্রতিদিন চাহিদা আছে ৫০টি।এদিকে এক্স-রের মান নিম্ন, ভোগান্তি ও কাঙ্খিত সেবা না পেয়ে পঞ্চগড়ের সাধারন রোগীদের বাধ্য হয়ে প্রাইভেট প্যাথলজি ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গিয়ে সেবা নিতে হচ্ছে।
 জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলা দেবনগর এলাকার বাসিন্দা সেলিনা বেগম বলেন, হাসপাতালে শুধু ফ্রি থাকা যায়। এখানে ডাক্তার নেই, এক্স-রে মেশিন থাকলেও বিকল।একই ভোগান্তির কথা জানান পঞ্চগড় পৌরসভার বাসিন্দা আবু সুফিয়ান। তিনি বলেন, 'এক্স-রে মেশিন দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। ফলে আমাদের অতিরিক্ত টাকা খরচ করে বাইরে থেকে এক্স-রে করাতে হচ্ছে।
মিঠাপুকুরের রেজাউল হক জানান' কি যে ব্যাপার হাসপাতালের এক্্র-রে মেশিনটির বিষয়ে কোন উদ্যোগ নেই। পঞ্চগড়ে কি লোক নাই। জানা গেছে, সরকারের কেন্দ্রীয় ঔষধাগারে (সিএএসডি) ৪৫টি ডিজিটাল এক্সে-রে মেশিন মজুদ থাকলেও প্রাইভেট প্যাথলজি ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিকদের যোগসাজশে সেগুলো হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে না।এ বিষয়ে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের এক্স-রে অপরেটর আরফান আলী বলেন, বর্তমানে ব্যবহৃত এক্স-রে মেশিনটি দিয়ে ভালো ও পরিষ্কার ছবি না আসায় রোগীরা বিভিন্ন অভিযোগ করেন।'
পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) প্রতীক কুমার বনিক বলেন, 'ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে একাধিকবার এক্স-রে মেশিনের চাহিদাপত্র পাঠানো হলেও কোনো সাড়া মেলেনি।কর্তৃপক্ষ বিষযটি জানার পরেও কেন এই এক্্র-রে মেশিনটি অচল হলেও কেন সচল বা এটি পরিবর্র্তন করছেন না। যা জনগনের মনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরও দেখুন