সদ্য সংবাদ

  মালয়েশিয়া কারাবন্দি অভিবাসীদের ফেরত পাঠাবে মালয়েশিয়া  করোনা সংক্রমণ এবং মৃত্যুর হার দ্রুত বাড়ছে -ফখরুল  ভারতে এক খুন লুকাতে ৯ খুন!   দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ১১৬৬, মৃত্যু ২১  করোনায় আক্রান্ত ৩৫৭৪ জন পুলিশ সদস্য   বলিউডে নাম লেখাতে যাচ্ছেন মিঠুন চক্রবর্তীর মেয় দিশানি  ট্রাম্পের সেই হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন ওষুধে করোনা রোগীর মৃত্যুঝুঁকি   গণস্বাস্থ্য করোনা পরীক্ষা করবে, সবার জন্য উন্মুক্ত   চুমু দিয়ে গ্রে প্রেমিকাকেফতার ইরানি খেলোয়াড়  পোশাক কারখানা মালিকের কান্না আন্তর্জাতিক মাধ্যমে   করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি পুতুল   সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩, আহত ৪   হরিণাকুন্ডু নাগরিক সেবা বন্ধ ঘোষণা ইউপি চেয়ারম্যানদের   ঝিনাইদহের ডালিয়া ফার্মে প্রতিদিন ফ্রি দুধ বিতরন   পাকিস্তানের করাচিতে যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৩৭   করোনায় আক্রান্ত র‍্যাব ৪-এর অধিনায়ক  চাঁদ দেখা যায়নি। সৌদি আরবে ঈদুল ফিতর রবিবার  আশুলিয়ার আউকপাড়া মাদক ব্যবসায়ী ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি।  করোনার কারণে প্রবাসীদের ৮৭ শতাংশের আয়ের কোনো উৎস নেই  দুবাই সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন ফিরে আসা সাংবাদিক এইচ ইমরান।

আসমা বিশ^বিদ্যালয়ে চান্স পেয়ে ভর্র্তি অনিশ্চিত

 Wed, Oct 30, 2019 4:56 PM
আসমা বিশ^বিদ্যালয়ে চান্স পেয়ে ভর্র্তি অনিশ্চিত

পঞ্চগড় প্রতিনিধি॥: পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার

 মেধাবী ছাত্রী আসমা খাতুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ভর্তি পরীক্ষায় 'খ' ইউনিটে ৩৬৮তম হয়েছে । তবে বাবার আর্র্থিক দৈন্যতায় তার ভর্তির বিষয়টি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।   দার্রিদতায় লালিত স্বপ্ন ভেস্তে যাবে কী’  ‘এই মেধাবী আসমার’। এমন ভাবনায় পরিবার ও তার আতœীয় স্বজনরা।  

জানা গেছে, আসমা খাতুন তেতুঁলিয়া উপজেলার শালবাহান ইউনিয়নের লোহাকচি গ্রামের দর্জি শাহ আলমের মেয়ে। সে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পেয়েছে। আসমাসহ ৫ ভাইবোনের মধ্যে বড় বোন শাহনাজ পারভীনের বিয়ে হয়েছে। মেজো বোন শারমিন আক্তার একটি ব্যাংকের উপবৃত্তি ও আত্মীয় স্বজনদের সহযোগিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগে তৃতীয় বর্ষে অধ্যয়ন করছেন। তার যমজ দুই ভাই রাকিব ও রাশিদ এবার জেএসসি পরীক্ষার্থী।

এদিকে, আড়াই বছর পূর্বে আসমার বাবা শাহ আলমের মেরুদন্ডে অস্ত্রোপচারের পর কর্মহীন হয়ে পড়েন তিনি। তাই সংসারের হাল ধরেন মা রোকেয়া পারভীন। নিজস্ব এক বিঘা জমিতে আবাদ করলেও স্বামীর চিকিৎসার খরচ এবং সন্তানদের পড়ালেখার খরচ চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাকে।

আসমা খাতুন  বলেন, ‘আমি কষ্ট করে লেখাপড়া চালিয়ে আজ বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেয়েছি। কিন্তু অর্থের অভাবে ভর্তি হতে পারব কিনা’।  

আসমার বাবা শাহ আলম  বলেন, ‘আমি কাজ করতে পারি না। আমার মেয়ে কষ্ট করে লেখাপড়া করে আজ ভার্সিটিতে চান্স পেয়েছে। অথচ তার ভর্তির খরচ জোগাড় করতে পারছি না। যদি কেউ আমার মেয়ের জন্য সহযোগিতার হাত বাড়াতো  ‘ তাহলে হয়তো তার স্বপ্ন পূরন হতো’।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরও দেখুন