সদ্য সংবাদ

  সিদ্ধিরগঞ্জ রসুলবাগে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ৩ জনের মৃত্যু, আহত ৫  সীমিত আকারে চলবে গণপরিবহনও  ব্রিটেনে প্রথমবারের মতো ‘বিচারক’ হলেন মুসলিম নারী   ঝিনাইদহে মেডিকেল ছাত্রসহ নিহত তিন  মহামারী থেকে ‘বেঁচে আছি- এটাই বড় ঈদ’   ঝিনাইদহে মদসহ নাগরীক লীগ নেতা গ্রেফতার   সরকার লকডাউন ঘোষণা না করে বড় ভুল করেছে: ফখরুল  করোনা উপসর্গ নিয়ে কুয়েত প্রবাসীর মৃত্যু!  ছাত্রলীগ নেতার গুলিতে অষ্টম শ্রেনীর ছাত্র নিহত   স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৩১ মে থেকে অফিস খোলা  নওগাঁ অসামাজিক কাজে রাজি না হওয়ায় স্ত্রীর মাথার চুল কাটলেন স্বামী   মালয়েশিয়া কারাবন্দি অভিবাসীদের ফেরত পাঠাবে মালয়েশিয়া  করোনা সংক্রমণ এবং মৃত্যুর হার দ্রুত বাড়ছে -ফখরুল  ভারতে এক খুন লুকাতে ৯ খুন!   দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ১১৬৬, মৃত্যু ২১  করোনায় আক্রান্ত ৩৫৭৪ জন পুলিশ সদস্য   বলিউডে নাম লেখাতে যাচ্ছেন মিঠুন চক্রবর্তীর মেয় দিশানি  ট্রাম্পের সেই হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন ওষুধে করোনা রোগীর মৃত্যুঝুঁকি   গণস্বাস্থ্য করোনা পরীক্ষা করবে, সবার জন্য উন্মুক্ত   চুমু দিয়ে গ্রে প্রেমিকাকেফতার ইরানি খেলোয়াড়

কৃষকের টাকা মেরে খায় সবাই

এক বছরে ৪ কোটি ২০ লাখ ডলার নিয়েছেন চেক রিপাবলিকের প্রধানমন্ত্রী * ভর্তুকি পান ব্রিটিশ রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথও

 Tue, Nov 5, 2019 9:10 PM
  কৃষকের টাকা মেরে খায় সবাই

এশিয়া খবর ডেস্ক:: কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে বাজেট বরাদ্দ দিয়ে থাকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।

কমন এগ্রিকালচারাল পলিসি বা ক্যাপের অধীনে প্রতি বছর প্রায় ৬ হাজার ৫০০ কোটি ডলার ব্যয় করা হয়।

কিন্তু যাদের জন্য এ বিশাল অর্থ দেয়া হয় তাদের হাতে পড়ছে না। বেশিরভাগই মেরে খায় ইইউ দেশগুলোর নেতারা। এ অর্থেই ধনীরা আরও ধনী হচ্ছেন। নিজেদের ক্ষমতা আরও শক্ত ও পোক্ত করছে রাজনীতিকরা।

বাড়ছে অর্থের অবৈধ লেনদেন। শুধু নেতারাই নয়, এ অর্থ যাচ্ছে নেসলের মতো বড় বড় খাদ্য উৎপাদন কোম্পানিগুলোর পকেটেও।

১৯৬২ সালের কৃষিনীতি অনুযায়ী এ কৃষি ভর্তুকি বিলি করে থাকে ইইউ। প্রধানত ফসল বা ফল ফলানো, পশুপালন, কৃষিজাত পণ্য রফতানির মতো খাতে দেয়া হয় এ ভর্তুকি ।

আবার কম কীটনাশক ব্যবহার, আইলে গাছ না লাগানো, জমি ফেলে রাখা, পুকুর না বোজানো, গাছ বা ঝোপঝাড় বাঁচিয়ে রাখা ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের জন্যও মেলে ভর্তুকি।

বিনিময়ে ইউরোপকে খাদ্য নিরাপত্তা দিয়েছে কৃষকরা। কৃষিজীবীদের আয়ের নিরাপত্তা না থাকলে ইউরোপবাসী এত কম দামে এ পরিমাণ খাবার-দাবার কিনতে পারতেন না। ৭৫০ ধরনের স্থানীয়, প্রথাগত খাদ্যদ্রব্য আর প্রায় ২ হাজার বিভিন্ন ধরনের সুরা ও মদকে এভাবে সুরক্ষিত করে রাখা যেত না।

মার্কিন ফুড ইন্ডাস্ট্রি ইউরোপের বাজার ভাসিয়ে দিত। ভর্তুকির টাকার বড় অংশটিই বৃহৎ ফার্মগুলোর পকেটে যায় বলে অভিযোগ করে আসছেন কৃষকরা।

চলতি সপ্তাহে এর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছেন জার্মানির কৃষকরা। আন্দোলনকারীদের দাবি, প্রতি বছর জার্মানির ৩ হাজার ৩শ’ বৃহৎ খামার ১১৪ কোটি ডলার ভর্তুকি নিচ্ছে। যেখানে পরিবারভিত্তিক ২ লাখ কৃষি খামার পাচ্ছে ৭৯ কোটি ডলার।

এ ভর্তুকির কারণে বড় কোম্পানিগুলো লাভবান হচ্ছে বলে অভিযোগ তাদের। নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউরোপের ৯০ শতাংশই গ্রামাঞ্চল। সেখানে ৬০ শতাংশ অধিবাসীর বাস।

অথচ ইউরোপে কৃষিজীবীর সংখ্যা প্রতি বছর দুই শতাংশ কমে যাচ্ছে। চাষী ছাড়া গ্রাম বাঁচে না, গ্রামীণ সংস্কৃতি বাঁচে না। একথা ইউরোপেও সত্য। কিন্তু ক্যাপের ভর্তুকির ৮০ শতাংশ যায় বড় খামারগুলোর কাছে। এর মধ্যে যেমন ইংল্যান্ডের রানী এলিজাবেথ পড়েন। যিনি বছরে পাঁচ লাখ ইউরো কৃষি ভর্তুকি পান।

তেমনই ক্যাম্পিনা কিংবা নেসলের মতো বিশাল বিশাল খাদ্য কোম্পানিগুলোও পেয়ে থাকে। এভাবে গত বছরই ৪ কোটি ২০ লাখ ডলার ট্যাঁকে গুজেছেন চেক রিপাবলিকের প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেজ বাবিস।

হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টের জাকভার শহর। কমিউনিস্ট শাসনামলে এখানকার কৃষকদের সব জমি কেড়ে নেয়া হয়েছিল। মাইলের পর মাইল এলাকাজুড়ে জোরপূর্বক শ্রম দিতের কৃষকরা। গম আর অন্য ফসল সরকারের গোলায় তুলে দিত।

প্রায় ৩ দশক পরে এসে বর্তমানে সেই সব কৃষকের ছেলেমেয়েরা নতুন এক শ্রেণির ‘জমিদার’র অধীনে হাড়ভাঙা খাটুনি খাটেন। দেশটির ধনিক শ্রেণি, রাজনৈতিক নেতা ও তাদের সাঙ্গপাঙ্গরাই এ নতুন জমিদার। তৈরি করেছে আধুনিক ধাচের সামন্ত ব্যবস্থা।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরও দেখুন