সদ্য সংবাদ

 মহেশপুরে পুলিশের গুলিতে মাদক ব্যবসায়ী আহত  এই সেই অ্যাকশন হিরো রুবেল  বিক্ষোভের মুখে কুয়েত সরকারের পদত্যাগ  ‘ব্যারিস্টার সুমন প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসতে মামলা করেন’  সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ট্রেন লাইনচ্যুত, ৪ বগিতে অগ্নিকাণ্ড   প্রধানমন্ত্রীর দুবাই সফরে ৩ চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা : মোমেন  পেঁয়াজের দাম নিয়ে যা বললেন পার্থ  রোহিঙ্গা নির্যাতন: এবার সু চির বিরুদ্ধে আর্জেন্টিনার আদালতে মামলা   পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সংসদে ক্ষোভ প্রকাশ  তেঁতুলিয়ায় বৃহত্তম সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী  রেলের গেটম্যানকে মারধরের ব্যাখ্যা দিলেন সেই নারী ইউএনও  নবীনগর পৌরসভার নব নির্বাচিত মেয়রের দায়িত্বভার গ্রহণ  ত্যাগী নেতা অয়েজুদ্দীন বিশ্বাসকে পাশে চায় গোদাগাড়ীর মানুষ  সিদ্ধিরগঞ্জে গৃহবধূ তানিয়া হত্যা, স্বামী ইমন পলাতক   গায়িকার সমর্থনে নগ্ন ছবি শেয়ার পাক অভিনেত্রীর   পর্যটকদের আকর্ষণে নারী পুলিশদের হট প্যান্ট পরার উদ্যাগ!  প্রতিবন্ধী মানুষের চক্ষু সেবার মান উন্নয়নে রংপুরে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত  মানুষ জাতীয় পার্টিকে আরও শক্তিশালী দেখতে চায়: জিএম কাদের  সরকারি তিন ব্যাংকে নতুন এমডি   দুই কোটি টাকায় পাওয়া যাবে সৌদির আবাসন ভিসা

জলবায়ু পরিবর্তন: পৃথিবী জরুরি অবস্থার মুখোমুখি!

 Wed, Nov 6, 2019 10:20 PM
 জলবায়ু পরিবর্তন: পৃথিবী জরুরি অবস্থার মুখোমুখি!

এশিয়া খবর ডেস্ক:: জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে পৃথিবী এখন জরুরি অবস্থার মুখোমুখি বলে

 মন্তব্য করা একটি গবেষণা প্রতিবেদনকে স্বীকৃতি দিয়েছেন বিশ্বের ১৫৩টি দেশের প্রায় ১১ হাজার বিজ্ঞানী।

৪০ বছরের তথ্য-উপাত্ত নিয়ে করা জলবায়ুর গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে পৃথিবী এখন জরুরি অবস্থার মুখোমুখি। পরিবর্তনজনিত সংকট চিহ্নিত করতে বিশ্বব্যাপী সরকারগুলো ব্যর্থ হচ্ছে। সংকট মোকাবেলায় আমূল ও টেকসই পরিবর্তন ছাড়া বিশ্ব ‘অবর্ণনীয় দুর্ভোগের’ পথেই এগিয়ে যাচ্ছে বলেও এতে সতর্ক করা হয়েছে, জানিয়েছে বিবিসি।

সংকটের প্রকৃত স্বরূপ দেখাতে গবেষকরা বিভিন্ন ক্ষেত্রের তথ্য-উপাত্তও হাজির করেছেন, যা ‘গত ৪০ বছরের জলবায়ু পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ চিহ্নগুলোর সচিত্র সংকলন’।

গবেষকদের দেয়া এ তথ্যগুলোর মধ্যে আছে, মানুষ ও প্রাণীকূলের সংখ্যা বৃদ্ধি, মাথাপিছু মাংস উৎপাদন, বিশ্বজুড়ে বৃক্ষ আচ্ছাদিত স্থান হ্রাস এবং জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার।

গবেষক দলের প্রধান সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. থমাস নিউসাম বলেছেন, জরুরি অবস্থার অর্থ হচ্ছে যদি আমরা কার্বন নিঃসরণ না কমাই, গবাদিপশু উৎপাদন না কমাই, ভূমির বিনাশ ও জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার না কমাই, তাহলে পরিস্থিতি এখনকার চেয়েও ভয়াবহ আকার নেবে।

তিনি আরো বলেন, আমরা কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ বাড়িয়েছি, তাপমাত্রা বাড়িয়েছি; ৪০ বছর ধরে আমরা এটি জানি এবং ঠেকানোরও কোনো ব্যবস্থাও নিচ্ছি না; আমরা যে ভয়াবহ সমস্যায় পড়তে যাচ্ছি তা বুঝতে রকেট বিজ্ঞানী হওয়ার প্রয়োজন নেই।
সংকট মোকাবিলায় বিজ্ঞানীরা তেল ও গ্যাসের স্থানে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি, মিথেন, হাইড্রোফ্লুরোকার্বনের ব্যবহার কমিয়ে আনা, জমির বিনাশ ঠেকানো, বন, তৃণভূমি ও ম্যানগ্রোভ বন যেগুলো বিপুল পরিমান কার্বন শোষণ করে তার পরিমাণ বাড়ানো, মানুষের খাদ্যভ্যাস বদলে ফেলা- বিশেষ করে মাংসে আসক্তি কমানো, খাদ্য অপচয় কমানো, কার্বন নিঃসৃত জ্বালানি নির্ভর অর্থনীতি ও প্রবৃদ্ধি থেকে সরে আসা এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার নিয়ন্ত্রণে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরও দেখুন