সদ্য সংবাদ

  নতুন করে আরেকটি বাবরি মসজিদ নির্মাণ হবে।  ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনেও ইসি ব্যর্থ: সুজন  বঙ্গবন্ধুর সব ভাষণ নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সম্পাদিত বই   ৫ কারণে নায়ক সালমান শাহর ‘আত্মহত্যা’: পিবিআই   কুমিল্লায় শাড়ি ভাঁজে ৪০ হাজার পিস ইয়াবা  পদত্যাগের পর মাহাথির কেন অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী?  ব্লাকমেইল করে ৫ বছরে শত কোটি টাকার মালিক পাপিয়া দম্পতি!  প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সফরেই দিল্লি রণক্ষেত্র, নিহত পুলিশ কর্মকর্তা  পাপিয়ার অপরাধ অনুযায়ী বিচার হবে: ওবায়দুল কাদের   ১৫ দিনের রিমান্ডে যুব মহিলা লীগের পাপিয়া  ঝিনাইদহে বিনামুল্যে ৩ শতাধিক দুস্থ-অসহায়দের চিকিৎসা সেবা প্রদান  ঝিনাইদহ অবাধে ফসলি জমিতে পুকুর খনন! ক্ষতিগ্রস্থ ফসলী জমি!  সাঘাটায় অবৈধ ভটভটি ও অটো ভ্যান চলাচলে দূর্ঘটনা বাড়ছে  কালিয়াকৈর প্রেসক্লাবে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত  পঞ্চগড়ে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত  পুলিশের সেবার মান বাড়াতে হবে  অনলাইনে টিকিট বিক্রি করে কয়েকশ কোটি টাকা পাচার   ‘টক অব দ্য কান্ট্রি: রাজনীতির আড়ালে পাপিয়ার দেহব্যবসা  করোনাভাইরাস: বিদেশ ভ্রমণ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ  পুলিশের এসআইয়ের কোপে ক্ষতবিক্ষত ৪ জন

জলবায়ু পরিবর্তন: পৃথিবী জরুরি অবস্থার মুখোমুখি!

 Wed, Nov 6, 2019 10:20 PM
 জলবায়ু পরিবর্তন: পৃথিবী জরুরি অবস্থার মুখোমুখি!

এশিয়া খবর ডেস্ক:: জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে পৃথিবী এখন জরুরি অবস্থার মুখোমুখি বলে

 মন্তব্য করা একটি গবেষণা প্রতিবেদনকে স্বীকৃতি দিয়েছেন বিশ্বের ১৫৩টি দেশের প্রায় ১১ হাজার বিজ্ঞানী।

৪০ বছরের তথ্য-উপাত্ত নিয়ে করা জলবায়ুর গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে পৃথিবী এখন জরুরি অবস্থার মুখোমুখি। পরিবর্তনজনিত সংকট চিহ্নিত করতে বিশ্বব্যাপী সরকারগুলো ব্যর্থ হচ্ছে। সংকট মোকাবেলায় আমূল ও টেকসই পরিবর্তন ছাড়া বিশ্ব ‘অবর্ণনীয় দুর্ভোগের’ পথেই এগিয়ে যাচ্ছে বলেও এতে সতর্ক করা হয়েছে, জানিয়েছে বিবিসি।

সংকটের প্রকৃত স্বরূপ দেখাতে গবেষকরা বিভিন্ন ক্ষেত্রের তথ্য-উপাত্তও হাজির করেছেন, যা ‘গত ৪০ বছরের জলবায়ু পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ চিহ্নগুলোর সচিত্র সংকলন’।

গবেষকদের দেয়া এ তথ্যগুলোর মধ্যে আছে, মানুষ ও প্রাণীকূলের সংখ্যা বৃদ্ধি, মাথাপিছু মাংস উৎপাদন, বিশ্বজুড়ে বৃক্ষ আচ্ছাদিত স্থান হ্রাস এবং জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার।

গবেষক দলের প্রধান সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. থমাস নিউসাম বলেছেন, জরুরি অবস্থার অর্থ হচ্ছে যদি আমরা কার্বন নিঃসরণ না কমাই, গবাদিপশু উৎপাদন না কমাই, ভূমির বিনাশ ও জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার না কমাই, তাহলে পরিস্থিতি এখনকার চেয়েও ভয়াবহ আকার নেবে।

তিনি আরো বলেন, আমরা কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ বাড়িয়েছি, তাপমাত্রা বাড়িয়েছি; ৪০ বছর ধরে আমরা এটি জানি এবং ঠেকানোরও কোনো ব্যবস্থাও নিচ্ছি না; আমরা যে ভয়াবহ সমস্যায় পড়তে যাচ্ছি তা বুঝতে রকেট বিজ্ঞানী হওয়ার প্রয়োজন নেই।
সংকট মোকাবিলায় বিজ্ঞানীরা তেল ও গ্যাসের স্থানে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি, মিথেন, হাইড্রোফ্লুরোকার্বনের ব্যবহার কমিয়ে আনা, জমির বিনাশ ঠেকানো, বন, তৃণভূমি ও ম্যানগ্রোভ বন যেগুলো বিপুল পরিমান কার্বন শোষণ করে তার পরিমাণ বাড়ানো, মানুষের খাদ্যভ্যাস বদলে ফেলা- বিশেষ করে মাংসে আসক্তি কমানো, খাদ্য অপচয় কমানো, কার্বন নিঃসৃত জ্বালানি নির্ভর অর্থনীতি ও প্রবৃদ্ধি থেকে সরে আসা এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার নিয়ন্ত্রণে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরও দেখুন