সদ্য সংবাদ

 সুদে কারবারীর অত্যাচারে হরিণাকুন্ডুর পান ব্যবসায়ী দিশেহারা!   শ্যামনগর গ্রামে আসামীদের হুমকীতে মামলার বাদী গ্রাম ছাড়া!   পঞ্চগড় সীমান্তে ভারতীয় ২৮ টি গরু আট করেছে পুলিশ  সাঘাটায় সতীতলা গ্রামে সংঘর্ষের ঘটনায় আহত ব্যাক্তির মৃত্যু  সাঘাটায় বজ্রপাতে এক ব্যক্তির মৃত্যু  আড়াইহাজারে পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু   প্রেম নিয়ে যা বললেন জয়া আহসান  যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়বেন র‌্যাপার কানি ওয়েস্ট   ফতুল্লা কাশিপুরে বাল্য বিবাহ বন্ধ  ৬২ হাজার গ্রাহক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের শিকার, জড়িত ২৯০ কর্মকর্তা-কর্মচারী  সংসদ চললে আদালতও চলতে পারে   করোনা ভাইরাসে দুই হাজার ছাড়ালো মৃত্যু, আক্রান্ত এক লাখ ৬২ হাজার   সীমান্ত হত্যায় সরকার টু পর্যন্ত করে না: রিজভী  বিদেশফেরত সাজাপ্রাপ্ত ২১৯ জনকে কারাগারে প্রেরণ   নারায়ণগঞ্জে বেড়েছে হত্যাকান্ড, প্রশ্ন উঠেছে নিরাপত্তা নিয়ে   কণ্ঠশিল্পী আসিফের বিরুদ্ধে গায়িকা মুন্নির মামলা   বদলিতে তদবির কালচার চিরতরে বিদায় করতে চান আই‌জি‌পি   জমি ও ফ্লাটের নিবন্ধন ফি কমলো  আকাশ ডিটিএইচ সংযোগে এক হাজার টাকা মূল্যছাড়  তাপসীর পান্নুর বিরুদ্ধে দলবাজির অভিযোগ করলেন কঙ্গনা

পরিবহন খাতে চাঁদার সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও জড়িত: নাসিম

 Wed, Nov 20, 2019 9:10 PM
পরিবহন খাতে চাঁদার সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও জড়িত: নাসিম

এশিয়া খবর ডেস্ক:: আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন,

পরিবহন খাতে সবচেয়ে বড় সমস্যা হল চাঁদাবাজি। এখানে কোটি কোটি টাকা চাঁদা আদায় হয়। এই চাঁদা আদায়ের জন্য এখানে কোনো রাজনৈতিক নেতার ধর্ম নেই। চাঁদার ব্যাপারে সবাই একমত। এ খাতে চাঁদাবাজির সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও জড়িত আছে।

বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট (ফারুক) আয়োজিত জেলহত্যা দিবস ও শেখ রাসেলের জন্মদিনকে ‘জাতীয় শিশু রক্ষা দিবস’ হিসেবে পালনের দাবিতে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

নাসিম বলেন, আমি একদিন হোম মিনিস্টার ছিলাম। এখন বলছি, পরিবহন সেক্টরে সবচেয়ে বড় সমস্যা হল চাঁদাবাজি। এ সেক্টরের চাঁদার সমস্যা সমাধান করতে পারলে অনেক সমস্যার সমাধান হবে।

পরিবহন ধর্মঘট ডাকার বিষয়ে মালিক শ্রমিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা আলোচনায় বসতে পারতেন। তা না করে আগে ধর্মঘট ডেকে দিলেন মানুষকে কষ্ট দেয়ার জন্য। এটা ঠিক করেননি। বিএনপিকে উদ্দেশ করে নাসিম বলেন, আইনটি প্রয়োগের সঙ্গে সঙ্গে জনগণকে জিম্মি করে ধর্মঘট শুরু হয়ে গেল। জনগণকে জিম্মি করে যে ধর্মঘট হয়, তাকে আপনারা সমর্থন করবেন, এই রাজনীতি আমরা করি না।

প্রধানমন্ত্রীর প্রতি নাসিম বলেন, ক্যাসিনো-কাণ্ড নিয়ে যদি এত ব্যবস্থা করা যেতে পারে, তাহলে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। ক্যাসিনো-কাণ্ড যারা করে, তারা অপরাধী। তাহলে কেন পরিবহন সেক্টরে যারা জনগণকে জিম্মি করে রাখে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে না। শক্ত করে ব্যবস্থা নেন, তাহলে এই পরিবহন সেক্টরে কেউ ধর্মঘট করার সাহস পাবে না। এ সময় জনগণকে একটু ধৈর্য ধরতে বলেন নাসিম।

তিনি বলেন, দেখবেন ওই সব মাফিয়া চক্র ঠাণ্ডা হয়ে যাবে। শেখ রাসেলের জন্মদিনকে ‘জাতীয় শিশু রক্ষা দিবস’ হিসেবে পালন করা যায় কি না, সে ব্যাপারে সংসদে আলোচনা করবেন বলেও জানান তিনি।

আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমএ কাদের খান, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের কার্যনির্বাহী সভাপতি ফাল্গুনী হামিদ প্রমুখ।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরও দেখুন