সদ্য সংবাদ

  রোববার থেকে হিফজ মাদ্রাসা খোলার অনুমতি   সাংবাদিক রাশীদ উন নবী বাবু আর নেই   ধর্ষণ চেষ্টার ঘটনা ৫০ হাজার টাকায় আপোষ রফা   এশিয়া কাপ বাতিল, বিশ্বকাপ না হলে আইপিএলের সম্ভাবনা : গাঙ্গুলী   ভার্চুয়াল আদালত পরিচালনায় সংসদে বিল পাস   ১২৫ বাংলাদেশিকে বিমান থেকে নামতে দিচ্ছে না ইতালি   দেশে করোনা শনাক্তে ফি আরোপ অমানবিক, আত্মঘাতী: টিআইবি  যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি চীন: এফবিআই  রূপকথাকেও হার মানায় রিজেন্টের সাহেদের উত্থান  জনকল্যাণকর কর্মসূচি দিয়ে মানুষের পাশে থাকবো : আমু  সংসদে দাঁড়িয়ে কাঁদলেন প্রধানমন্ত্রী  সাঘাটায় বাঙ্গালী নদীর পানি কমার সাথে ভয়াবহ ভাঙন  পঞ্চগড়ে প্রণোদনার দাবিতে কিন্ডারগার্টেন শিক্ষককদের কর্মসূচি  গাইবান্ধায় প্রথম আলো ট্রাষ্টের ত্রাণ বিতরণ   মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ অর্পন করলে দুই ডিসি   সাঘাটায় টাকা নিয়ে দলিল করে না দিয়ে উল্টো গাছ কর্তন  অস্ট্রেলিয়া থেকে সঙ্গা ও সপ্তক ফেরার পরই সমাহিত হবেন এন্ড্রু কিশোর  ঝিনাইদহে পথচারীদের মাঝে ট্রাফিক সার্জেন্ট মোস্তাফিজুর রহমানের মাস্ক বিতরণ  ঝিনাইদহে গাঁজাসহ আদালতে কর্মরত পুলিশ সদস্য আটক  ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট বলসোনারো করোনায় আক্রান্ত

রেলওয়ের উন্নয়নের নামে ৪০০ কোটি টাকা লোপাট! অনুসন্ধানে দুদক

 Tue, Nov 26, 2019 10:13 PM
 রেলওয়ের উন্নয়নের নামে ৪০০ কোটি টাকা লোপাট! অনুসন্ধানে দুদক

এশিয়া খবর ডেস্ক:: পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের রেললাইনে পাথর সরবরাহ ও স্টেশন পরিষ্কারের নামে ৪০০ কোটি

 টাকা লোপাটের অভিযোগ উঠেছে। ২০১৭ সালে বিভিন্ন স্থানে রেললাইনে সামান্য কিছু পাথর ফেলে এবং এক বছর ধরে ভিম ও ব্লিচিং পাউডার না কিনেই গোপনে কোটি কোটি টাকার টেন্ডার আত্মসাতের অভিযোগের তদন্তে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন(দুদক)। এর বাইরে আরো কয়েকটি বিষয়ে অনিয়ম-দুর্নীতির ব্যাপারেও অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। দুদকের একটি সূত্র এটি নিশ্চিত করেছে।

সূত্র মতে, ২০১৭ সালে রেললাইনে পাথর সরবরাহের নামে কয়েক কোটি টাকা লুটপাটের অভিযোগ ওঠে। রেলের গতি বাড়ানোর নামে প্রায় ৪০০ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ হয়। এরপর এ অঞ্চলের বিভিন্ন লাইনে ১০-৩০ কিলোমিটার হারে গতিও বাড়ানো হয়। কিন্তু বছর না যেতেই একের পর এক ট্রেন দুর্ঘটনায় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ আবার ট্রেনের গতি কমাতে বাধ্য হয়। এ নিয়ে রেললাইন সংস্কারের নামে কোটি কোটি টাকা লুটপাটের অভিযোগ উঠে। দুদক জানিয়েছে, তারা ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করেছে। এখন সেগুলো নিয়ে চলছে অনুসন্ধান।

সূত্র জানায়, রেললাইন সংস্কারের পাশাপাশি গত কয়েক বছরে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের স্টেশনগুলো পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার নামেও টেন্ডার করে সরকারি অর্থের অপচয় করা হয়েছে। অথচ স্টেশনগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কাজে ব্লিচিং বা ভিম পাউডারসহ অন্যান্য মালামাল কোন অর্থ বছরে কেনাই হয়নি। এ বিষয় নিয়েও সম্প্রতি অভিযোগ উঠেছে।


তবে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের তৎকালীন প্রধান প্রকৌশলী বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, 'কাজ না করে বিল পরিশোধের কোনো সত্যতা নেই। পাথর সরবরাহ করার পরেই টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। যারা ঠিকমতো পাথর সরবরাহ করেনি এমন ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করে বিলও আটকে দেয়া হয়।' কিন্তু তিনি চলে যাবার পর ওই ঠিকাদারকে বিল পরিশোধ করার কথা শুনেছেন বলে জানান এই প্রকৌশলী।

উল্লেখ্য, পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের ২৩১টি স্টেশনের ৯২টি বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। আর ৫৮টি ক্ষয়িষ্ণু। তবে গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন প্রায় ৫০টি। এর মধ্যে ১০টি স্টেশন প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তার আওতায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়। বাকি ৪০টি স্টেশন প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তার নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিকের আওতায়। অন্যদিকে এই ৪০টি স্টেশন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক বেলাল উদ্দিন সরকারের দপ্তর থেকেও কেনাকাটা করা হয়। এসব অভিযোগ তদন্ত করছে দুদক।


Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরও দেখুন