সদ্য সংবাদ

 কালকিনিতে ১৩১ বাড়িতে লাল নিশানা লাগিয়ে দিলো প্রশাসন  করোনার বিরুদ্ধে সাইফুল ইসলাম শান্তির অভিযান শুরু  রংপুরে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে মাস্ক বিতরণ  নরসিংদীতে হোম কোয়ারেন্টিনে ২০৫ প্রবাসী  কালকিনির বিভিন্ন হাট-বাজারে হাতধোয়ার জন্য বেসিন স্থাপন  পঞ্চগড়ে সাড়ে ৭শ’ পিস হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ  রংপুরে করোনা প্রতিরোধে মাস্ক বিতরণ  পার্বতীপুরে শুধুমাত্র পূজার মধ্যদিয়ে ঐতিহ্যবাহী ‘বাহা পরব’ উদযাপিত  রংপুরে এরশাদের জন্মদিন পালিত  বিএফআরআইতে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী এবং জাতীয় শিশু দিবস পালিত  করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে পঞ্চগড়ে জরুরি বৈঠক  আতঙ্কিত না হয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে : সাদ এরশাদ এমপি  কালকিনিতে দুই প্রবাসীকে আর্থিক জরিমানা  পঞ্চগড়ে সীমিত পরিসরে মুজিববর্ষ পালিত  রংপুরে ৮টি রাস্তা পাকাকরণ ও ড্রেন নির্মাণ কাজ শুরু  কালকিনিতে বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী পালিত  পঞ্চগড়ে মুজিব উতসব পালিত  কালিয়াকৈর প্রেসক্লাবে বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী পালিত  রংপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী পালিত  পঞ্চগড়ে কীটনাশক মুক্ত সবজির চাষ!

কাজ শুরুর আগেই বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর ব্যয় বাড়ল ৩০০০ কোটি টাকা

 Thu, Jan 9, 2020 11:35 PM
কাজ শুরুর আগেই বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর ব্যয় বাড়ল ৩০০০ কোটি টাকা

এশিয়া খবর ডেস্ক:: বঙ্গবন্ধু সেতুর পাশে যমুনা নদীর ওপর রেল সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হবে

আগামী ১৭ মার্চ জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিনে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওই দিন এ সেতুর কাজ শুরুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে ক্রয় কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

এদিকে, বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর নির্মাণ ব্যয় আরও বেড়ে গেছে। আগে এ প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছিল ৯ হাজার ৭৩৪ কোটি টাকা। এখন ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ আগের চেয়ে তিন হাজার কোটি টাকা বেশি খরচ হবে।

ব্যয় বাড়ার কারণ জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, কাজের পরিমাণ বেড়েছে। তবে কী ধরনের কাজ বেড়েছে সেটা তিনি বলেননি। এ প্রসঙ্গে তিনি জানান, বিষয়টি একনেকে আলোচনা হওয়া ভালো।

বৃহস্পতিবার ক্রয় কমিটির বৈঠকে এ-সংক্রান্ত দর প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়। এটিসহ মোট ৯ প্রকল্পের দরপ্রস্তাবে অনুমোদন দেয় ক্রয় কমিটি।

অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, ডুয়েল গেজ রেললাইন প্রকল্পটি বাস্তবায়নে পুরো টাকা দেবে জাপান সরকার। তবে খরচ বেড়ে যাওয়ায় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে নতুন করে অনুমোদন নিতে হবে।

জানা গেছে, জাপানি কোম্পানি সিনাগাওয়া ইন্টারসিটি এ সেতু নির্মাণ করবে। শিডিউল অনুযায়ী ২০২৩ সালের মধ্যে সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা। রেল মন্ত্রণালয় আলোচ্য প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।

২০১৬ সালে একনেকে 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু নির্মাণ' শীর্ষক প্রকল্পটি পাস হয়। কিন্তু এরপর বিভিন্ন জটিলতায় এ প্রকল্পের দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি। মূলত পার্শ্ববর্তী দেশগুলো থেকে রেলপথে পণ্য পরিবহনের সুবিধার্থে সেতুটি নির্মাণ করা হচ্ছে। এ ছাড়া অভ্যন্তরীণ রুটে সহজে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনেও সেতুটি কাজে লাগবে।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান বঙ্গবন্ধু সেতুর রেলপথে ওজন সীমাবদ্ধতার কারণে ভারী পণ্যবাহী ট্রেন চলতে পারে না। এ সেতুতে ট্রেনও পূর্ণ গতিতে চলতে পারে না। পৃথক রেলসেতু হলে আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়বে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতি আরও ত্বরাণ্বিত হবে বলে আশা করছে সরকার

Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরও দেখুন