সদ্য সংবাদ

 মৌলবাদী শুধু মুসলিম নয়, হিন্দু-খ্রিস্টানরাও হতে পারে :পুলিশ সুপার জায়েদুল  বন্দর ঘাটে ছাত্রলীগ নেতা খান মাসুদের মাসে ১০ লাখ টাকা চাঁদাবাজি  চট্টগ্রামে পুলিশ বক্সে বোমা বিস্ফোরণ, পুলিশ সহ দগ্ধ ৩  দিল্লিতে মুসলিম নির্যাতনের প্রতিবাদে ঢাকায় বিশাল বিক্ষোভ   ‘থার্ড ক্লাস’ মেয়ে শাবনূর  চীনের বাইরে ৫৩টি দেশে ভয়াবহ করোনাভাইরাস, মৃত ৭০  ‘১১ বছর পর জানতে পারলাম আমায় বন্ধ্যা করে দিয়েছে'   তেঁতুলিয়ায় নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ শীর্ষক সেমিনার  কোনো অঘটন ঘটলে দায় কিন্তু সরকারের: মওদুদ   দিল্লির সমস্যা সমাধান করুন: ভারতকে ওবায়দুল কাদের  মেহেরপুরে ফুটবল এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি নির্বাচিত  মেহেরপুর আঞ্চলিক ইজতেমা’র দ্বিতীয় দিনে মুসল্লীর ঢল  দিল্লিতে মুসলমানদের ওপর হামলার সময় পুলিশের নিষ্ক্রীয়তায় উদ্বেগ  কালকিনিতে তিন শতাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে বিনামূল্যে স্কুল ব্যাগ ও ড্রেস বিতরণ  পঞ্চগড়ে কাঁচা চা পাতার মূল্য নির্ধারণে সভা অনুষ্ঠিত  বঙ্গবন্ধুর কারণে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি   স্বামী-স্ত্রী দগ্ধ হয়ে ঢাকা মেডিকেল, কোল থেকে পড়ে কয়লা হয়ে যায় রুশদি  রাজধানীর আবাসিক হোটেলগুলোতে বাড়ছে অসামাজিক কার্যকলাপ   দিল্লির দাঙ্গায় ৩৪ জন নিহত, মন ভেঙেছে শেবাগ-যুবরাজদের   ঘর-বাড়ি হারিয়ে পালাচ্ছেন দিল্লির মুসলমানরা

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় প্রকাশ্যে বিদ্যুৎ মিস্ত্রিকে গলা কেটে হত্যা

 Sat, Jan 18, 2020 12:31 AM
 নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় প্রকাশ্যে বিদ্যুৎ মিস্ত্রিকে গলা কেটে হত্যা

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:: নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় প্রকাশ্যে আব্দুর রহিম নামে এক বিদ্যুৎ মিস্ত্রিকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বত্তরা।

শুক্রবার রাত ৯টার দিকে মাসদাইর গুদারাঘাট এলাকায় একটি ফোন ফ্যাক্সের দোকানে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আব্দুর রহিম (৩৫) ওই এলাকার ইলিয়াস সরদারের বাড়ির ভাড়াটিয়া ঈমান আলীর ছেলে।

এলাকাবাসী জানান, নিহত আব্দুর রহিম পেশায় বিদ্যুৎমিস্ত্রি হলেও মাদকাসক্ত ছিলেন। নষ্ট ফারুক নামে পরিচিত ফোন ফ্যাক্সের দোকান মালিকের শ্যালক আসিফও মাদকাসক্ত। মাদকের দেনা পাওনা নিয়ে আসিফ তার দুলা ভাই নষ্ট ফারুকের দোকানে আব্দুর রহিমকে পেয়ে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে আব্দুর রহিমের গলায় ছুরিকাঘাত করেন আসিফ।

এ সময় দোকানের ভেতর রহিম লুটিয়ে পড়লে তাকে ধাক্কা দিয়ে বাইরে ফেলে দেন আসিফ। এরপর ঈমান আলী খবর পেয়ে আশপাশের লোকজন নিয়ে তার ছেলে রহিমকে উদ্ধার করে শহরের খানপুর হাসপাতালে নিয়ে যান।

সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক রহিমকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় ফারুক ও তার শ্যালক আসিফের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তবে নিহত রহিমের বাবা ঈমান আলী বলেন, গুদারাঘাট এলাকায় ফারুকের ফোন ফ্যাক্সের দোকানের সামনে রহিমকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে লোকজন আমাকে খবর দেয়। এরপর এসে স্থানীয় লোকজনদের সহযোগিতায় রহিমকে উদ্ধার করে খানপুর হাসপাতাল নিয়ে আসি। কে বা কারা রহিমকে হত্যা করেছে এ বিষয়ে এখনো কিছুই জানতে পারিনি।

ঘটনাস্থলে যাওয়া ফতুল্লা মডেল থানার এসআই খালেক বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। নিহতের গলায় ধারাল অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরও দেখুন