সদ্য সংবাদ

 করোনায় আক্রান্ত ৩৫৭৪ জন পুলিশ সদস্য   বলিউডে নাম লেখাতে যাচ্ছেন মিঠুন চক্রবর্তীর মেয় দিশানি  ট্রাম্পের সেই হাইড্রোক্সিক্লোরোকুইন ওষুধে করোনা রোগীর মৃত্যুঝুঁকি   গণস্বাস্থ্য করোনা পরীক্ষা করবে, সবার জন্য উন্মুক্ত   চুমু দিয়ে গ্রে প্রেমিকাকেফতার ইরানি খেলোয়াড়  পোশাক কারখানা মালিকের কান্না আন্তর্জাতিক মাধ্যমে   করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি পুতুল   সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩, আহত ৪   হরিণাকুন্ডু নাগরিক সেবা বন্ধ ঘোষণা ইউপি চেয়ারম্যানদের   ঝিনাইদহের ডালিয়া ফার্মে প্রতিদিন ফ্রি দুধ বিতরন   পাকিস্তানের করাচিতে যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৩৭   করোনায় আক্রান্ত র‍্যাব ৪-এর অধিনায়ক  চাঁদ দেখা যায়নি। সৌদি আরবে ঈদুল ফিতর রবিবার  আশুলিয়ার আউকপাড়া মাদক ব্যবসায়ী ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি।  করোনার কারণে প্রবাসীদের ৮৭ শতাংশের আয়ের কোনো উৎস নেই  দুবাই সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন ফিরে আসা সাংবাদিক এইচ ইমরান।  কালকিনিতে ১৩১ বাড়িতে লাল নিশানা লাগিয়ে দিলো প্রশাসন  করোনার বিরুদ্ধে সাইফুল ইসলাম শান্তির অভিযান শুরু  রংপুরে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে মাস্ক বিতরণ  নরসিংদীতে হোম কোয়ারেন্টিনে ২০৫ প্রবাসী

ভারতের নাগরিকত্ব আইন সংশোধনের প্রয়োজন ছিল না: প্রধানমন্ত্রী

 Sun, Jan 19, 2020 9:39 PM
ভারতের নাগরিকত্ব আইন সংশোধনের প্রয়োজন ছিল না: প্রধানমন্ত্রী

এশিয়া খবর ডেস্ক:: ভারতের নাগরিকত্ব আইন সংশোধন করার প্রয়োজন ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আবুধাবিতে গত শনিবার গালফ নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন। সাক্ষাৎকারটি শনিবার প্রকাশ করা হয়।

ভারতীয়দের একাংশের প্রবল আপত্তি এবং বিক্ষোভ-আন্দোলনের মধ্যেই গত ১০ জানুয়ারি ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের এক বিজ্ঞপ্তিতে ভারতের সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) কার্যকর করার কথা জানানো হয়। সংশোধিত এই নাগরিকত্ব আইনের মাধ্যমে ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাওয়া অ-মুসলমানরা (হিন্দু, শিখ, পার্সি, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ, জৈন) ভারতের নাগরিকত্ব পাবে।

ভারতের এই সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে গালফ নিউজের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'তারা (ভারত সরকার) কেন এটা (নাগরিকত্ব আইন সংশোধন) করল আমরা বুঝি না। এর প্রয়োজন ছিল না।'

তবে একই সঙ্গে নাগরিকত্ব আইন সংশোধনের বিষয়টিকে ভারতের 'অভ্যন্তরীণ বিষয়' বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, 'বাংলাদেশ সবসময়ই বলে এসেছে যে, সিএএ ও এনআরসি (জাতীয় নাগরিকপঞ্জি) ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। ভারত সরকারও বারবার তাদের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করেছে যে এনআরসি তাদের অভ্যন্তরীণ একটি বিষয়।

২০১৯ সালের অক্টোবরে নয়াদিল্লি সফরকারে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ব্যক্তিগতভাবেও এ বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন বলে এ সময় উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা।

এ ছাড়া এনআরসি বা সিএএ'র কারণে ভারত থেকে কারও বাংলাদেশে ফিরে আসার কোনো তথ্য নেই বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, 'ভারত থেকে কোনো অভিবাসী ফিরে আসছে না। তবে ভারতের ভেতরে মানুষ অনেক ধরনের সমস্যা মোকাবিলা করছে।'

বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১০ দশমিক ৭ শতাংশ হিন্দু এবং দশমিক ৬ শতাংশ বৌদ্ধ- এ তথ্য উল্লেখ করে গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, ধর্মীয় নিপীড়নের কারণে এ দেশের নাগরিকদের ভারতে অভিবাসনের বিষয়টি বাংলাদেশ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরও দেখুন