সদ্য সংবাদ

 কালকিনিতে ১৩১ বাড়িতে লাল নিশানা লাগিয়ে দিলো প্রশাসন  করোনার বিরুদ্ধে সাইফুল ইসলাম শান্তির অভিযান শুরু  রংপুরে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে মাস্ক বিতরণ  নরসিংদীতে হোম কোয়ারেন্টিনে ২০৫ প্রবাসী  কালকিনির বিভিন্ন হাট-বাজারে হাতধোয়ার জন্য বেসিন স্থাপন  পঞ্চগড়ে সাড়ে ৭শ’ পিস হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ  রংপুরে করোনা প্রতিরোধে মাস্ক বিতরণ  পার্বতীপুরে শুধুমাত্র পূজার মধ্যদিয়ে ঐতিহ্যবাহী ‘বাহা পরব’ উদযাপিত  রংপুরে এরশাদের জন্মদিন পালিত  বিএফআরআইতে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী এবং জাতীয় শিশু দিবস পালিত  করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে পঞ্চগড়ে জরুরি বৈঠক  আতঙ্কিত না হয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে : সাদ এরশাদ এমপি  কালকিনিতে দুই প্রবাসীকে আর্থিক জরিমানা  পঞ্চগড়ে সীমিত পরিসরে মুজিববর্ষ পালিত  রংপুরে ৮টি রাস্তা পাকাকরণ ও ড্রেন নির্মাণ কাজ শুরু  কালকিনিতে বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী পালিত  পঞ্চগড়ে মুজিব উতসব পালিত  কালিয়াকৈর প্রেসক্লাবে বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী পালিত  রংপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী পালিত  পঞ্চগড়ে কীটনাশক মুক্ত সবজির চাষ!

ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের নার্স ও আয়ার বিরুদ্ধে রোগীকে মারধরের অভিযোগ

 Mon, Jan 20, 2020 8:21 PM
ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের নার্স ও আয়ার বিরুদ্ধে রোগীকে মারধরের অভিযোগ

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ: ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে মিতা

 নুর আক্তার (২০) নামের এক রোগীকে মারধর করেছেন নার্স ও আয়া। ওই রোগী মহিলা ওয়ার্ডের মেডিসিন বিভাগে ভর্তি রয়েছেন। শনিবার (১৮ জানুয়ারি) বিকেলে সদর হাসপাতালের মহিলা ওয়ার্ডের মেডিসিন বিভাগে এ ঘটনা ঘটে। মিতা নুর সদর উপজেলার ছোট-কামারকুন্ডু গ্রামের তসির মন্ডলের স্ত্রী এবং শহরের ব্যাপারীপাড়া এলাকার মিকাইল মন্ডলের মেয়ে মিতা নুরের বাবা মিকাইল মন্ডল বলেন, শনিবার বিকেলে স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া করে গলায় দড়ি দেয় মিতা। পরে তাকে অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে যাই। এ সময় তাকে জরুরি বিভাগ থেকে মহিলা ওয়ার্ডের মেডিসিন বিভাগে পাঠানো হয়। সেখানে নিলেই ডিউটিরত আয়া ও নার্স মেয়েকে গালিগালাজ শুরু করেন। আমাদের সামনে মিতাকে নার্স বলেন ‘তুই বার বার কেন হাসপাতালে আসিস, মরতে পারিস না।’ এই বলে মিতাকে ধাক্কা দেন নার্স। সঙ্গে সঙ্গে তার পেটে লাথি দেন আয়া। এরপর থেকে মিতার রক্তক্ষরণ হচ্ছে। ওই সময় নার্স ও আয়ার নাম জানতে পারিনি আমি। এ নিয়ে হাসপাতালের ১২০ নম্বর রুমে গিয়ে অভিযোগ দিলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। সরকারি হাসপাতালে কেন আমার মেয়েকে মারবেন নার্স। আমি নার্স ও আয়ার বিচার চাই। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ওই সময় সদর হাসপাতালের মহিলা ওয়ার্ডের মেডিসিন বিভাগে দায়িত্বরত ছিলেন নার্স আফরিন ও আয়া বিউটি আক্তার। মহিলা ওয়ার্ডের মেডিসিন বিভাগের রোগীদের স্বজনরা জানিয়েছেন, অসুস্থ অবস্থায় রোগীকে নিয়ে এলেই গালিগালাজ শুরু করেন নার্স ও আয়া। এরপর হঠাৎ রোগীকে ধাক্কা দেন নার্স। তার সঙ্গে সঙ্গে রোগীকে লাথি দেন আয়া। নার্স ও আয়ার এমন কান্ডে আমরা হতভম্ব হয়ে গেছি সবাই। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সদর হাসপাতালের এক চিকিৎসক বলেন, রোগীকে ক্যানোলা দেয়ার সময় তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়েছে। তবে নার্স ও আয়া যদি রোগীর সঙ্গে সত্যিই এমন দুর্ব্যবহার করেন সেটি অবশ্যই দুঃখজনক। সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক চিকিৎসক আয়ুব আলী বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি খোঁজখবর নিয়ে দেখব। অনাকাঙক্ষিত ঘটনা হতে পারে। সংবাদ করবেন না, মানুষ জানলে হাসপাতালের সুনাম নষ্ট হবে। জানতে চাইলে জেলা সিভিল সার্জন সেলিনা বেগম বলেন, এর আগেও আমার কাছে কয়েকজন রোগীর স্বজন এমন অভিযোগ করেছেন। যদিও সদর হাসপাতাল আমার অধীনে না তবুও স্বাস্থ্য বিভাগের জেলা প্রধান হিসেবে এ বিষয়ে আমি খোঁজখবর নেব। যদি এ ঘটনায় নার্স ও আয়ার দোষ পাওয়া যায় তাদের শাস্তির আওতায় আনা হবে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরও দেখুন