সদ্য সংবাদ

  ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডে বিশাল কেলেঙ্কারি  ‘কী কথা হয়েছে ফোনে?’   প্রকাশ্যে সিগারেট টানছেন সৌদি নারীরা!  ৫০ দিনে কেউ ১ কোটি, আমি হারিয়ে যাইনি: শিল্পা  নারায়ণগঞ্জ সবজির গাড়িতে বিপুল সংখ্যক ফেনসিডিল, আটক ২   দেশে সিনেমা হল এখন ৬০টি!  চাকরির পেছনে ছোটার মানসিকতা পরিবর্তন করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী   আড়াইহাজারে ২ মাস পর রোকসানা হত্যা রহস্য উদঘাটন  বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় দ্বিতীয় ঢাকা  কাশ্মীরিদের সংগ্রামকে পুরোপুরি সমর্থন করছেন মালয়েশিয়া  পঞ্চগড়ে রবিউল আলম সাবুলের সংবাদ সম্মেলন  কালিয়াকৈরে গণমাধ্যম ও সমাজভিত্তিক সংগঠনের সাথে পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত  রংপুর পলিটেকনিক শিক্ষক-কর্মচারীদের মানববন্ধন  শাজাহান খানের বিরুদ্ধে ইলিয়াস কাঞ্চনের ক্ষতিপূরণ মামলা  নারায়ণগঞ্জে ডাকাতি, মতলব থেকে আদনানকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি  বিদেশ ভ্রমণে ১০ হাজার ডলার সঙ্গে নিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের শর্ত  তুর্কি সৈন্যের গায়ে আঁচড় লাগলে সিরিয়ার রক্ষা নেই’  সংসার করতে মালয়েশিয়া যাচ্ছিল রোহিঙ্গা তরুণীরা!  প্রধানমন্ত্রী বৃহস্পতিবার কালিয়াকৈরে আসছেন  মুজিববর্ষে দেশের সকল ঘরে আলো জ্বালব : প্রধানমন্ত্রী

সব দুর্নীতিই আইনের আওতায় আসছে: দুদক চেয়ারম্যান

 Mon, Jan 20, 2020 9:33 PM
 সব দুর্নীতিই আইনের আওতায় আসছে: দুদক চেয়ারম্যান

এশিয়া খবর ডেস্ক:: গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা একজন প্রভাবশালী জনপ্রতিনিধির দুর্নীতি সম্পর্কে

 দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, 'কমিশন নীরব নয়। যেখানে দুর্নীতি, কমিশনের চোখ সেখানেই। দুর্নীতির তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হচ্ছে গোপনে। কে ১০ পার্সেন্ট, কে ৫ পার্সেন্ট- কমিশন সেটা দেখে না। কমিশন দেখে দুর্নীতি হয়েছে কিনা। দুর্নীতি ১ শতাংশও হলেও দুর্নীতিই এবং তা আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। ওয়েট অ্যান্ড সি।'

সোমবার দেশব্যাপী দুর্নীতিবিরোধী জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা-২০২০ উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনে একজন সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন কমিশনের চেয়ারম্যান। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন হয়।

সংবাদ সম্মেলনে দুদক চেয়ারম্যানের কাছে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন, দুদক থেকে অনেকের পিএস, এপিএসকে ডাকা হচ্ছে। এর মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়রের এপিএসকেও ডাকা হয়েছে। এই মেয়রকে সরকারের বিভিন্ন বিভাগে মিস্টার টেন পার্সেন্ট বলে ডাকা হয়। তিনিসহ এমন অনেকের ব্যাপারে দুদক নীরব কেন?

এর জবাবে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, 'দুর্নীতি কীভাবে ঘটেছে, সেটা যদি পিএস-এপিএসরা বলতে পারেন, আমরা খুঁজে বের করব। সুতরাং চিন্তা করার কোনো সুযোগ নেই, পিএস-এপিএস দিয়েই তদন্ত শেষ করব। পিএস-এপিএস ছাড়াও যারা দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, যুক্ত হয়েছেন বা যুক্ত আছেন, তাদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে।' এই পর্যায়ের ব্যক্তিদের মধ্যে একটি মামলা হাইকোর্টে বিচারাধীন আছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

দুর্নীতির অভিযোগে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এপিএস ড. মোহাম্মদ আরিফুর রহমান সেখ, ডিএসসিসির মেয়র সাঈদ খোকনের এপিএস শেখ কুদ্দুস এবং চট্টগ্রামের পটিয়ার এমপি ও জাতীয় সংসদের হুইপ সামশুল হক চৌধুরীর পিএ এজাজ চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুদক। এরই পরিপ্রেক্ষিতে দুদক চেয়ারম্যানের কাছে ওই সব এপিএসের বসদের বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছিল।

দুর্নীতির নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করতে দুদকের আয়োজনে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়ে গতকাল থেকে শুরু হয়েছে দুর্নীতিবিরোধী জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা। দেশের ২৬ হাজার ২১৩টি স্কুলে দুদকের সততা সংঘ রয়েছে। এই ২৬ হাজার ২১৩টি স্কুলেই বিতর্ক প্রতিযোগিতা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বিতর্ক প্রতিযোগিতার বিষয় স্কুল পর্যায়ে 'মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমের অভাবেই দুর্নীতির বিস্তার ঘটে', উপজেলা পর্যায়ে 'দুর্নীতিবিরোধী মনোভাব সৃষ্টিতে পরিবারের ভূমিকাই মুখ্য', জেলা পর্যায়ে 'অভাব নয়, সীমাহীন লোভই দুর্নীতির প্রধান কারণ' এবং বিভাগীয় পর্যায়ে 'তথ্যপ্রযুক্তির সর্বাত্মক ব্যবহারই পারে দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়তে'। এর পর জাতীয় পর্যায়ে হবে 'প্রতিরোধ নয়, দমনই দুর্নীতি নির্মূলের কার্যকর উপায়' শীর্ষক প্রতিযোগিতা। স্কুল থেকে শুরু হওয়ার পর পর্যায়ক্রমে জাতীয় পর্যায়ে এসে আগামী ৩১ ডিসেম্বর বিতর্কের চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হবে।

এ প্রতিযোগিতা সম্পর্কে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, আগামী প্রজন্মকে সৎ, যোগ্য, মেধাবী, দেশপ্রেমিক এবং নৈতিকতা ও মূল্যবোধসম্পন্ন যুক্তিনির্ভর মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।

সোমবারের সংবাদ সম্মেলনে দুদক কমিশনার এ এফ এম আমিনুল ইসলাম, সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখ্‌ত, বিতর্ক প্রতিযোগিতার প্রধান সমন্বয়ক ও দুদকের মহাপরিচালক এ কে এম সোহেল, অপফামের কান্ট্রি ডিরেক্টর দীপংকর দত্ত, চ্যানেল আইয়ের পরিচালক ও বার্তাপ্রধান শাইখ সিরাজ উপস্থিত ছিলেন। বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আই ও অপফাম ইন বাংলাদেশ দুদককে সহায়তা করছ

Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরও দেখুন