সদ্য সংবাদ

 ভয়াবহ গণপরিবহনে কোথাও স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না   সিদ্ধিরগঞ্জে সেই ভুয়া ডাক্তার গ্রেফতার  অভিযুক্ত সেই তিন পুলিশ কর্মকর্তার ঠাঁই হল জেলে   চেয়ারম্যান মোস্তফা রাড়ি সহ নয়জনের নামে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা  বিক্ষোভে সমর্থন ট্রাম্প কন্যার  দীর্ঘ নয় বছরেও হত্যার বিচার হয়নি শাহাজাহান সিরাজের  শৈলকুপায় সাংবাদিক পরিচয়দানকারী সহ ২মাদকসেবী আটক   পঞ্চগড়ে ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে রাস্তা উন্নয়নের কাজ শুরু  নবীনগরে ব্যাংকের ম্যানেজারসহ করোনা শনাক্ত ৩   আমার বাবা পৃথিবী বদলে দিয়েছে: জিয়ানা   জুন থেকেই পোশাক কারখানার শ্রমিক ছাঁটাই হতে পারে: রুবানা হক  আড়াইহাজারে যুবলীগ সভাপতিকে কুপিয়ে আহত   মানুষকে রক্ষার চেষ্টা করছি প্রাণপণে : প্রধানমন্ত্রী   চাটখিল পৌরসভার বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ   'অনির্বাচিত' সরকারের কাছে জনগণের জীবনের মূল্য নেই: রিজভী   যুক্তরাষ্ট্রে নিহত ১৩ বিক্ষোভকারী, গ্রেপ্তার ৯ হাজার   শ্বাসকষ্ট নিয়ে প্রধান বিচারপতি সিএমএইচে ভর্তি   পুলিশে আক্রান্ত বেড়ে ৫৫০৭, করোনামুক্ত আরও ৩০ জন   কেরালায় মৃত্যুর জন্য তিনদিন পানিতে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা অন্তঃসত্ত্বা হাতির   ইমাম-মুয়াজ্জিনদের হাতে পৌঁছুল প্রধানমন্ত্রী ও স্বজন সমাবেশের ঈদ উপহার

৬৩টি কারখানা বন্ধ, ৩২ হাজার পোশাক শ্রমিক চাকরি হারিয়েছেন: বাণিজ্যমন্ত্রী

 Wed, Feb 5, 2020 10:31 PM
 ৬৩টি কারখানা বন্ধ, ৩২ হাজার পোশাক শ্রমিক চাকরি হারিয়েছেন: বাণিজ্যমন্ত্রী

এশিয়া খবর ডেস্ক:: বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সী জানিয়েছেন, গত বছরে (২০১৯ সাল) বিজিএমই’র

 আওতাধীন ৬৩টি কারখানা বন্ধ হয়েছে। এই বন্ধের কারণে ৩২ হাজার ৫৮২ জন শ্রমিক চাকরি হারিয়েছেন।

তবে বিকেএমই’র অধীনে থাকা কোনো কারখানা আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হয়নি। এ সংস্থার অধীনে থাকা ২২শ’ কারখানার মধ্যে ৯২০টি সদস্যপদ নবায়ন করেছে। সদস্যপদ নবায়ন না করায় ১২৮০টি কারখানা বন্ধ রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। রফতানি আদেশ পাওয়া সাপেক্ষে কারখানাগুলো পুনরায় সক্রিয় হতে পারবে বলে জানান মন্ত্রী।

বুধবার জাতীয় সংসদে টেবিলে উত্থাপিত বেগম শামসুর নাহারের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, চাকরি হারানো শ্রমিকদের নতুন কর্মসংস্থানের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তৈরি পোশাক শিল্পের শ্রমিক-কর্মচারীদের দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ প্রদান কর্মসূচির আওতায় এই কর্মরত শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। এর অধীন তৈরি পোশাক খাতে ভবিষ্যতে কাজ করবে এমন জনগোষ্ঠীর প্রশিক্ষণ প্রদানের বিষয়টি পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

আনোয়ার হোসেন খানের প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে পেঁয়াজের বার্ষিক চাহিদা প্রায় ২৪ লাখ টন। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে পেঁয়াজের উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ২৩.৩০ লাখ টন। এই পণ্যের উৎপাদন থেকে বিপণন পর্যন্ত সময়ে ৩০-৩৫ শতাংশ এবং আমদানিকৃত পেঁয়াজের মানের ভিন্নতা অনুসারে ১৫ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত পচে নষ্ট হয়ে যায়। খাবারে অনুপযোগী পেঁয়াজ বাদ দিলে নিট উৎপাদন ১৫.১৪ লাখ মেট্রিক টন। ফলে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৮-৯ লাখ টন।

মন্ত্রী বলেন, ফেব্র“য়ারি মাসের মাঝামাঝি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত সময়ে বাংলাদেশে বীজ উৎপাতিত পেঁয়াজ সংগ্রহের মৌসুম। মৌসুম শুরু হলে সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে এবং মূল্য স্থিতিশীল হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

সৈয়দ আবু হোসেনের প্রশ্নের জবাবে টিপু মুন্সী বলেন, বর্তমানে ৪৫টি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি রয়েছে। বর্তমানে আরও ৬টি আঞ্চলিক বাণিজ্য চুক্তির সদস্য। এছাড়া ৯টি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে। দেশগুলো হচ্ছে আফগানিস্তান, ভুটান, চীন, ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া, লাওস, মালদ্বীপ. পাকিস্তান ও শ্রীলংকা। মমতা হেলা লাভলীর প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, তৈরি পোশাক কারখানায় নারী শ্রমিকের ২২ শতাংশ যৌন হয়রানির শিকার কথাটি সঠিক নয়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরও দেখুন