সদ্য সংবাদ

 ১৭টি দেশের ভাষায় গাইলেন একুশের গান  কচুরিপানা খাবার উপযোগী কি না পরীক্ষা নিরীক্ষা চলছে: বাণিজ্যমন্ত্রী  মুজিববর্ষ: বাজারে আসছে স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা, সঙ্গে ২০০ টাকার নোট  প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ে, মন্টি সহ আটক চারজন   দুবাই থেকে ঢাকায় এসে গ্রেফতার শাকিল  বান্দরবানে ব্রাশফায়ারে আওয়ামী লীগ নেতা নিহত  করোনা মোকাবিলা আদৌ সম্ভব না: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা   নেতৃত্ব ছেড়ে দিন: বিএনপিকে কর্নেল অলি  নিখোঁজের দেড় বছর পর বাসায় ফিরলেন সাবেক র‌্যাব অধিনায়ক  নাইজার-ফ্রান্স যৌথ সামরিক অভিযানে নিহত ১২০  কালিয়াকৈরে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও লটারী ড্র অনুষ্ঠিত  রংপুরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত  ‘দৈনিক খবর’ এর ৪৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী রোববার  পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজির মেয়েকে পরীক্ষা হলে সুবিধা: কেন্দ্র সচিবকে অব্যাহতি  ১০০০ কোটি টাকা দেবে গ্রামীণফোন   চাষাঢ়ায় আটদিন ধরে নিখোঁজ পরিবারের ৪ সদস্য !  অন্য ভাষা প্রয়োজন তবে মাতৃভাষাকে বাদ দিয়ে নয়: প্রধানমন্ত্রী   পঞ্চগড়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন  ৮ বছর পর কন্যা সন্তানের মা হলেন শিল্পা শেঠি  আশুলিয়ায় ৫ম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠান

সরকার সামাজিক অভিশাপ নির্মূল করতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করবে

 Mon, Feb 10, 2020 12:01 AM
সরকার সামাজিক অভিশাপ নির্মূল করতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করবে

এশিয়া খবর ডেস্ক:: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রুটিন দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বিদ্যমান

 কিছু সামাজিক অভিশাপের বিরুদ্ধে সতর্ক নজর রাখার জন্য সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, তার সরকার এসব সামাজিক অভিশাপ নির্মূল করতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে যাবে।

তিনি বলেন, ‘সমাজে মাদক, সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতির মতো কিছু সামাজিক অভিশাপ রয়েছে। আমি এসব বিষয়ে আপনাদের বিশেষ মনোযোগ আকর্ষণ করছি।’

রবিবার সকালে মিরপুর সেনানিবাসে ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজের (ডিএসসিএসসি) শেখ হাসিনা কমপ্লেক্সে ২০১৯-২০২০ কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।

সমাজের বিদ্যমান সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান পরিচালনায় সরকারের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ, মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছি। অপরাধ বিরোধী এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, সমাজকে রক্ষা করার জন্য এই ধরণের অভিশাপ নির্মূল করা জরুরি। কারণ আমরা আমাদের সন্তানদের জীবন ধ্বংস করার কোন সুযোগ দিতে চাই না।

তিনি একইসঙ্গে বলেন, তার সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে সমগ্র বিশ্বের সঙ্গে যেন তাল মিলিয়ে চলতে পারে তেমনই একটি আধুনিক ও সুসজ্জিত বাহিনী হিসাবে গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে। তার সরকার তরুণদের মেধা, জ্ঞান এবং শক্তি দেশের কল্যাণে কাজে লাগাতে চায়।’

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর অবদানের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি সশস্ত্রবাহিনীকে এমনভাবে উন্নত করতে চাই যাতে তারা যেকোন দেশে যেকোন পরিস্থিতিতে শান্তি রক্ষায় কাজ করে যেতে পারে।’


তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী পৃথিবীর যেখানে কাজ করেছে সেখানেই সুনাম অর্জন করেছে। মানবিক সেবা দিয়ে বিভিন্ন দেশে স্থানীয় মানুষের হৃদয় জয় করেছে বাংলাদেশ সেনা বাহিনী।’

অনুষ্ঠানে ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড ও স্টাফ কলেজের কম্যাড্যান্ট মেজর জেনারেল মো. এনায়েত উল্লাহ স্বাগত বক্তৃতা করেন। বাংলাদেশ সেনা বাহিনীর ১২৫ জন, নৌ বাহিনীর ৩৪ জন এবং বিমান বাহিনীর ২২ জন ছাড়াও ২১ দেশ থেকে আগত ৫৪ জন বিদেশি অফিসারসহ মোট ২৩৫ জন শিক্ষার্থী এ বছর এ কলেজ থেকে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেছেন। প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে গ্র্যাজুয়েশন করা অফিসারদের হাতে সনদ তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবৃন্দ, তিন বাহিনী প্রধান, সশস্ত্রবাহিনী বিভাগের পিএসওসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ঊর্ধ্বতন বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বাসস

Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরও দেখুন