সদ্য সংবাদ

 কালকিনিতে ১৩১ বাড়িতে লাল নিশানা লাগিয়ে দিলো প্রশাসন  করোনার বিরুদ্ধে সাইফুল ইসলাম শান্তির অভিযান শুরু  রংপুরে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে মাস্ক বিতরণ  নরসিংদীতে হোম কোয়ারেন্টিনে ২০৫ প্রবাসী  কালকিনির বিভিন্ন হাট-বাজারে হাতধোয়ার জন্য বেসিন স্থাপন  পঞ্চগড়ে সাড়ে ৭শ’ পিস হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ  রংপুরে করোনা প্রতিরোধে মাস্ক বিতরণ  পার্বতীপুরে শুধুমাত্র পূজার মধ্যদিয়ে ঐতিহ্যবাহী ‘বাহা পরব’ উদযাপিত  রংপুরে এরশাদের জন্মদিন পালিত  বিএফআরআইতে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী এবং জাতীয় শিশু দিবস পালিত  করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে পঞ্চগড়ে জরুরি বৈঠক  আতঙ্কিত না হয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে : সাদ এরশাদ এমপি  কালকিনিতে দুই প্রবাসীকে আর্থিক জরিমানা  পঞ্চগড়ে সীমিত পরিসরে মুজিববর্ষ পালিত  রংপুরে ৮টি রাস্তা পাকাকরণ ও ড্রেন নির্মাণ কাজ শুরু  কালকিনিতে বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী পালিত  পঞ্চগড়ে মুজিব উতসব পালিত  কালিয়াকৈর প্রেসক্লাবে বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী পালিত  রংপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী পালিত  পঞ্চগড়ে কীটনাশক মুক্ত সবজির চাষ!

পঞ্চগড়ে রবিউল আলম সাবুলের সংবাদ সম্মেলন

লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ ‘অস্বীকার’, শিক্ষকবৃন্দ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিগণ এসময় উপস্থিত ছিলেন

 Sun, Feb 16, 2020 8:48 PM
পঞ্চগড়ে রবিউল আলম সাবুলের সংবাদ সম্মেলন

পঞ্চগড় থেকে মোঃ কামরুল ইসলাম কামু: ‘নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জন’ এর অভিযোগের প্রেক্ষিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এবং বোদা পাইলট বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজের প্রধান শিক্ষক রবিউল আলম সাবুল।

রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ ‘অস্বীকার’ করে বলেন, “আমি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার স্বীকার। সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আমার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।” রবিউল আলম সাবুল তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমার কোন অবৈধ আয় নেই। যা আয় করেছি বৈধভাবে করেছি। ইতোপূর্বে আমি এনজিওতে চাকুরি করেছি। ঠিকাদারি করেছি। প্রাইভেট পড়িয়েছি। বিভিন্ন সংস্থা থেকে ঋণ নিয়েছি। আমার স্ত্রী সরকারি চাকুরি করেন। আমি নিজে চাকুরি করি। এ থেকে যা আয় হয়েছে, তা দিয়ে কিছু জমি কিনে রেখেছি। দুর্নীতি দমন কমিশনের লিখিত অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি নাকি ২০১০ সালের মে মাসে বোদা পাইলট বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করে কয়েক বছরের মধ্যে দুর্নীতির মাধ্যমে শুন্য থেকে কোটিপতি হয়েছি। প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব নেয়ার পর স্কুল ও কলেজে ৪৪ জন শিক্ষক এবং প্রাথমিক বিদ্যালয় চালু করে পাঁচজন শিক্ষক ও একজন পিয়ন নিয়োগ দিয়েছি। এসব শিক্ষকের কাছ থেকে ৫-৭ লাখ টাকা নিয়েছি। এটা হাস্যকর ছাড়া কিছুই নয়। তিনি বলেন, অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম সুজন ২০১০-২০১২ মেয়াদে সভাপতি থাকাকালে চারজন এবং কাজী ফজলে বারী সুজা সভাপতি থাকাকালে শূন্যপদে সাধারণ শাখায় দুইজন, ডাবল শিফটে ১২ জন, কারিগরি শাখায় চারজন এবং কলেজ শাখায় ৯ জনকে সরকারি বিধিমালা মেনেই নিয়োগ দেয়া হয়েছিলো। পরবর্তীতে এনটিআরসিএ’র মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটিতে সাধারণ শাখায় একজন ও কলেজ শাখায় তিনজনকে নিয়োগ দেয়া হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক আবেদনকারীর অংশগ্রহণে কোন প্রকার আর্থিক লেনদেন ছাড়াই এসকল শিক্ষককে নিয়োগ দেয়া হয়। এসময় তিনি আরও বলেন, একবার নয় দু’বার নয় একাধিকবার আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে। এসব অভিযোগের তদন্তে আমার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। আশা করি, এবারও আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগেসমূহের কোন প্রমাণ সংশ্লিষ্টরা পাবেন না। আমার ও আমার বিদ্যালয়ের সুনাম নষ্ট করতে ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার বিরুদ্ধে নামে-বেনামে এভাবে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। বিষয়টি আমি সংশ্লিষ্ট সকলকে অবহিত করেছি। সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরও দেখুন