সদ্য সংবাদ

 সুদে কারবারীর অত্যাচারে হরিণাকুন্ডুর পান ব্যবসায়ী দিশেহারা!   শ্যামনগর গ্রামে আসামীদের হুমকীতে মামলার বাদী গ্রাম ছাড়া!   পঞ্চগড় সীমান্তে ভারতীয় ২৮ টি গরু আট করেছে পুলিশ  সাঘাটায় সতীতলা গ্রামে সংঘর্ষের ঘটনায় আহত ব্যাক্তির মৃত্যু  সাঘাটায় বজ্রপাতে এক ব্যক্তির মৃত্যু  আড়াইহাজারে পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু   প্রেম নিয়ে যা বললেন জয়া আহসান  যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়বেন র‌্যাপার কানি ওয়েস্ট   ফতুল্লা কাশিপুরে বাল্য বিবাহ বন্ধ  ৬২ হাজার গ্রাহক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের শিকার, জড়িত ২৯০ কর্মকর্তা-কর্মচারী  সংসদ চললে আদালতও চলতে পারে   করোনা ভাইরাসে দুই হাজার ছাড়ালো মৃত্যু, আক্রান্ত এক লাখ ৬২ হাজার   সীমান্ত হত্যায় সরকার টু পর্যন্ত করে না: রিজভী  বিদেশফেরত সাজাপ্রাপ্ত ২১৯ জনকে কারাগারে প্রেরণ   নারায়ণগঞ্জে বেড়েছে হত্যাকান্ড, প্রশ্ন উঠেছে নিরাপত্তা নিয়ে   কণ্ঠশিল্পী আসিফের বিরুদ্ধে গায়িকা মুন্নির মামলা   বদলিতে তদবির কালচার চিরতরে বিদায় করতে চান আই‌জি‌পি   জমি ও ফ্লাটের নিবন্ধন ফি কমলো  আকাশ ডিটিএইচ সংযোগে এক হাজার টাকা মূল্যছাড়  তাপসীর পান্নুর বিরুদ্ধে দলবাজির অভিযোগ করলেন কঙ্গনা

হেলিকপ্টারে চড়া মানবপাচারকারী কেসমত ধরা খেলেন!

 Wed, Feb 26, 2020 12:08 AM
হেলিকপ্টারে চড়া মানবপাচারকারী কেসমত ধরা খেলেন!

রাজবাড়ী প্রতিনিধি:: কিছুদিন পরপরই হেলিকপ্টারে সপরিবারে রাজবাড়ীর গ্রামের বাড়িতে আসতেন।

সবসময় হাতে থাকতো ওয়াকিটকি ও একাধিক সশস্ত্র দেহরক্ষী। নতুন ডিসি-এসপি এলেই দিতেন ক্রেস্ট ও বড় ফুলের তোড়া।

বিভিন্ন ওয়াজ মাহফিল ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বড় অংকের ডোনেশন দিয়ে হতেন অতিথি। নিজেকে পরিচয় দিতেন বিশিষ্ট শিল্পপতি, সিকিউরিটি কোম্পানির মালিক, উইনার গ্রুপ অব কোম্পানির চেয়ারম্যান হিসেবে।

ঈদের সময় ঢাকঢোল পিটিয়ে অনেক মানুষের মধ্যে যাকাতের কাপড় বিতরণ করতেন। শীতের সময় কম্বল দিতেন। দামি গাড়িতে চড়তেন। আলীশান বাড়িতে বসবাস ও রাজার হালে জীবনযাপন করতেন। এখন জানা গেল তিনি একজন প্রতারক ও মানবপাচারকারী।

সোমবার রাতে ঢাকার বারিধারা ডিওএইচএস এলাকা থেকে র‌্যাব তাকে মানব পাচার ও প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার করে। এ সময় তার কাছ থেকে শতাধিক পাসপোর্ট, অনুমোদনহীন ওয়াকিটকিসহ প্রতারণায় ব্যবহৃত নানা সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।

র‌্যাব জানায়, রাজবাড়ী সদর উপজেলার চন্দনী ইউনিয়নের ধাওয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা আবদুল্লাহ আল মামুন ওরফে কেসমত পত্রিকায় চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে নানা প্রলোভন দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নিত। কখনো কখনো ভয় দেখিয়ে আদায় করতো অর্থ। টাকা ফেরত চাইতে এসে অনেকে মারধরের শিকারও হয়েছেন। নিজেকে ক্ষমতাধর জাহির করতে তিনি ওয়াকিটকির অনৈতিক ব্যবহার করতেন। প্রতারণার টাকায় গ্রামে যেত হেলিকপ্টারে চরে। অফিস কর্মচারীদের কাউকেই সে দুই মাসের বেশি চাকরিতে রাখতেন না।

এদিকে র‌্যাবের হাতে গ্রেফতারকৃত আবদুল্লাহ আল মামুন ওরফে কেসমতের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার হাটখোলাভিটা গ্রামের হাজী মো. আলাউদ্দিন ভুঁইয়া (৪৪) নামে এক ভুক্তভোগী বাদী হয়ে ডিএমপির ক্যান্টনমেন্ট থানায় মানব পাচারের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, আবদুল্লাহ আল মামুন ওরফে কেসমত বিভিন্ন এলাকার প্রায় ৫০ জনকে বিদেশে পাঠানোর নামে দালাল চক্রের সহায়তায় মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। তাদের মধ্যে হাজী মো. আলাউদ্দিনের কাছ থেকে ৮০ লাখ, আলী আকবরের কাছ থেকে ২৩ লাখ টাকা, আবদুল আলিমের কাছ থেকে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা, ইসমাইল হোসেনের কাছ থেকে ৪ লাখ ও ফয়সালের কাছ থেকে ৩২ লাখ টাকা নিয়ে তাদেরকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে আটকে রাখে। সেখানে আটকে রেখে বিদেশে পাঠানোর জন্য আরও টাকা আদায়ের উদ্দেশ্যে নির্যাতন করতে থাকে।

বন্দীদশা থেকে কৌশলে পালিয়ে হাজী মো. আলাউদ্দিন ভুঁইয়া র‌্যাব-২ ঢাকার কোম্পানি অধিনায়ককে অবহিত করেন। পরে র‌্যাবের একটি দল সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে বারিধারা ডিওএইচএসের একটি ভবনের ৭ তলায় উইনার ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেলস নামক প্রতিষ্ঠানের অফিস থেকে আবদুল্লাহ আল মামুন ওরফে কেসমতকে আটক করে। সেখানকার একটি কক্ষে আটকে রাখা আলী আকবর, আবদুল আলিম, ইসমাইল হোসেন ও ফয়সালকে উদ্ধার করা হয়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরও দেখুন