সদ্য সংবাদ

 সুদে কারবারীর অত্যাচারে হরিণাকুন্ডুর পান ব্যবসায়ী দিশেহারা!   শ্যামনগর গ্রামে আসামীদের হুমকীতে মামলার বাদী গ্রাম ছাড়া!   পঞ্চগড় সীমান্তে ভারতীয় ২৮ টি গরু আট করেছে পুলিশ  সাঘাটায় সতীতলা গ্রামে সংঘর্ষের ঘটনায় আহত ব্যাক্তির মৃত্যু  সাঘাটায় বজ্রপাতে এক ব্যক্তির মৃত্যু  আড়াইহাজারে পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু   প্রেম নিয়ে যা বললেন জয়া আহসান  যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়বেন র‌্যাপার কানি ওয়েস্ট   ফতুল্লা কাশিপুরে বাল্য বিবাহ বন্ধ  ৬২ হাজার গ্রাহক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের শিকার, জড়িত ২৯০ কর্মকর্তা-কর্মচারী  সংসদ চললে আদালতও চলতে পারে   করোনা ভাইরাসে দুই হাজার ছাড়ালো মৃত্যু, আক্রান্ত এক লাখ ৬২ হাজার   সীমান্ত হত্যায় সরকার টু পর্যন্ত করে না: রিজভী  বিদেশফেরত সাজাপ্রাপ্ত ২১৯ জনকে কারাগারে প্রেরণ   নারায়ণগঞ্জে বেড়েছে হত্যাকান্ড, প্রশ্ন উঠেছে নিরাপত্তা নিয়ে   কণ্ঠশিল্পী আসিফের বিরুদ্ধে গায়িকা মুন্নির মামলা   বদলিতে তদবির কালচার চিরতরে বিদায় করতে চান আই‌জি‌পি   জমি ও ফ্লাটের নিবন্ধন ফি কমলো  আকাশ ডিটিএইচ সংযোগে এক হাজার টাকা মূল্যছাড়  তাপসীর পান্নুর বিরুদ্ধে দলবাজির অভিযোগ করলেন কঙ্গনা

৮ বার বিদ্যুতের দাম বাড়ল বর্তমান সরকার

 Thu, Feb 27, 2020 11:10 PM
 ৮ বার বিদ্যুতের দাম বাড়ল বর্তমান সরকার

এশিয়া খবর ডেস্ক:: আরো একবার পাইকারি, খুচরা ও সরবরাহ পর্যায়ে বিদ্যুতের

মূল্য বাড়িয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে মূল্য বৃদ্ধির ঘোষণা দেন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান মো. আবদুল জলিল। আগামী মার্চ থেকে এ দাম কার্যকর হবে।

সাধারণ গ্রাহক পর্যায়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম গড়ে ৫ দশমিক ৩ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। ফলে গ্রাহককে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের জন্য ৭ টাকা ১৩ পয়সা পরিশোধ করতে হবে। আগে প্রতি ইউনিটের দাম ছিল ৬ টাকা ৭৭ পয়সা।

পাইকারিতে বিদ্যুতের দাম প্রতি ইউনিট গড়ে ৮ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়েছে। আগে প্রতি ইউনিটের দাম ছিল ৪ টাকা ৭৭ পয়সা। মার্চ থেকে প্রতি ইউনিটের দাম হবে ৫ টাকা ১৭ পয়সা।

২০০৯ সালে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর এখন পর্যন্ত পাইকারি পর্যায়ে ৬ বার এবং খুচরা গ্রাহক পর্যায়ে ৮ বার বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। সর্বশেষ ২০১৭ সালের নভেম্বর নিত্যব্যবহৃত পণ্যটির দাম বাড়ানো হয়।

গত বছর গ্যাসের মূল্য বাড়ানোর দুই মাসের মাথায় বিদ্যুতের দাম আরেক দফা বাড়াতে বিইআরসিতে প্রস্তাব পাঠায় বিতরণ কোম্পানিগুলো। এসব প্রস্তাবের ওপর গত ২৮ নভেম্বর শুরু হয় গণশুনানি। নিয়ম অনুসারে গণশুনানির ৯০ দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানাতে হয় বিইআরসিকে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরও দেখুন