সদ্য সংবাদ

 নারায়ণগঞ্জে ত্রিমুখী ফ্লাইওভার নির্মাণের পরিকল্পনা-জেলা প্রশাসক   যা বললেন মেলানিয়া   শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবি সংসদে   প্রেমিকের দেয়া ফ্ল্যাটে থাকছেন পপির, বিয়ের গুঞ্জন   শেষে হোয়াইট হাউস ছাড়লেন ট্রাম্প  “বঙ্গবন্ধু হিমালয় ওয়াচ টাওয়ার এন্ড কমপ্লেক্স” স্থাপনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন  রাহুল স্মৃতি টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন  হরিণাকুন্ডু সড়ক দুর্ঘটনায় যুবক নিহত  ঝিনাইদহে অবৈধ ইটভাটায় অভিযান, ২৩ লাখ টাকা জরিমানা  নবীনগরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চাচা ভাতিজার মৃত্যু  তাহিরপুরে কিশোরকে হত্যাচেষ্টা  কালিয়াকৈরে গৃহহীন বিধবার জন্য দুইটি ঘর নির্মাণ করে দিলেন পল্লীবিদ্যুৎ  দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য ৪২ হাজার রোহিঙ্গাকে শনাক্ত করল মিয়ানমার  মুক্তিযোদ্ধাদের নামে সড়ক ও সেতুর নামকরণ করা হবে   ঘুষ কেলেঙ্কারিতে স্যামসাং প্রধানের কারাদণ্ড  জমি দখল-জালিয়াতি প্রতিকারে নতুন আইন হচ্ছে   নারায়ণগঞ্জে হিরাঝিল, রাজধানী হোটেলসহ ৫ প্রতিষ্ঠানে অভিযান  বাইডেনের শপথ ঘিরে মুসলিমদের সতর্ক থাকার পরামর্শ  কাদের মির্জাকে পাবনা পাঠাতে বললেন নিক্সন চৌধুরী   ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ

এবার ২ মাসের বিল ২০ কোটি: ঢামেক পরিচালক

শুধু খাবার নয়, হোটেল ভাড়াসহ

 Tue, Jun 30, 2020 11:32 PM
এবার ২ মাসের বিল ২০ কোটি: ঢামেক পরিচালক

এশিয়া খবর ডেস্ক:: করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসায় নিয়োজিত ঢাকা মেডিকেল কলেজ

 (ঢামেক) হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও কর্মীদের খাবারের বিল ২০ কোটি টাকার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন  ঢামেক পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন।

উল্লেখ্য, ঢামেকের স্বাস্থ্যকর্মীদের এক মাসের খাবারের বিল ২০ কোটি টাকা কী করে হয় তা নিয়ে জাতীয় সংসদ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনার প্রেক্ষিতে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার দুপুরে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের কাছে ব্যাখ্যা দিয়েছেন ঢামেক পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন। বুধবার সকাল ১১টায় ঢামেকে সংবাদ সম্মেলন করে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

তিনি বলেন, এখানে খাবারের বিল কেন হবে, খাবারের জন্য তো মাত্র ৫০০ টাকা করে পার্মানেন্ট। একদিনে কোনো হোটেলের ভাড়া দুই হাজার টাকা, কোনো হোটেলের ৫০০ টাকা, কোনো হোটেলের আড়াই হাজার টাকা এবং কোনো হোটেলে পাঁচ হাজার টাকাও আছে। হোটেলের ভাড়াই তো ম্যাক্সিমাম এক্সপেনডিচার, তারপর হচ্ছে তাদের খাবার ও যাতায়াত। আমাদের এখানে যাতায়াতের জন্য প্রায় ১৫টি মিনিবাস, দুটি মাইক্রোবাস ও দুটি বাস রেখেছি। এগুলো দিয়ে প্রতিদিন তিন বেলা (সকাল, দুপুর, রাত) তাদের আনা-নেওয়া করা হচ্ছে। এই সবকিছু মিলিয়ে আমরা আনুমানিক বলেছিলাম যে, দুই মাসে (মে ও জুন)...।

তিনি বলেন, আমাদের কাছে জানতে চেয়েছিল, এই দুই মাসের জন্য আপনার কি পরিমাণ খরচ হতে পারে? ওই খরচটাই আমরা উল্লেখ করেছি। আমরা হিসেব করে দেখেছি- দুই মাসে আমাদের ২০ কোটি টাকার মতো লাগবে। এখানে রেলওয়ে হাসপাতাল আছে একটি, সেটিও আমরা চালাচ্ছি এবং তার জন্য এক কোটি টাকা ধরেছি। সবমিলিয়ে এক কোটি টাকা লাগতে পারে আবার নাও লাগতে পারে।

এটা তো একটা বাজেট। বাজেট তো একটু বেশি করেই আমরা চাই সবসময়। তারপর আমাদের যে বিল এসেছে, আমরা স্ক্রুটিনাইজ করে দেখব। যার যতো বিল হবে হোটেলে, আমরা সে অনুযায়ী তাকে বিল পে করব। যেটি থেকে যাবে সেটি আবার সরকারের কোষাগারে জমা চলে যাবে। এটা তো একটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।

ঢামেক পরিচালক বলেন, একজন ভদ্রলোক একটা বক্তব্য দিলেন, সেটি নিয়ে সমগ্র দেশ বিভিন্ন রকম কমেন্টস করল, যা আমাদের দারুণভাবে হতবাক করেছে। একজন লোক একটা মিথ্যা বক্তব্য দিলে পুরো দেশের মানুষ তার পিছনে চলে যাবে?’

তিনি বলেন, আমাদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে, আমরা আমাদের এক্সপ্লানেশন দিয়ে দিব- কীভাবে খরচ করছি, কোন খাতে কত ব্যয় হচ্ছে। আমাদের পয়েন্ট হচ্ছে- যে সব ভদ্রলোকেরা বিভিন্ন মিডিয়াতে এ ধরনের মিথ্যাচার করে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান ঢাকা মেডিকেল কলেজ এবং করোনা পরিস্থিতিতে আমরা যেভাবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সবাই কাজ করছি, এই যে এক ধরনের মিথ্যা কথা বলে তাদেরকে অপদস্থ করা হলো- এটি যিনি করেছেন তার বিরুদ্ধে কি করা হবে, সেটি আমরা জানতে চাই?

এ কে এম নাসির উদ্দিন বলেন, আমরা আমাদের প্রমাণ দেব, আমরা যদি অ্যাট ফল্টে থাকি। আমরা তো সরকারি কর্মকর্তা, আমাদের বিষয়ে তো নিশ্চয়ই সেই সিদ্ধান্ত হবে যদি আমরা সঠিকভাবে কাজ না করি। কিন্তু যিনি বা যে প্রতিষ্ঠান বা যে ব্যক্তি এই মন্তব্য করে আমাদের চিকিৎসক সমাজ ও আমাদের এই বৃহৎ প্রতিষ্ঠানকে অপদস্থ করেছে, আমি তার বিচার চাই।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরও দেখুন