সদ্য সংবাদ

  ডিএমপির মিরপুর বিভাগে ১২ পুলিশ কর্মকর্তা বদলি   এমপির মামা শ্বশুর ‘জালাল মামা’তেই বিলীন সিদ্ধিরগঞ্জ আ’লীগ   স্কটিশ সুন্দরীর ‘টোপ’, সর্বস্বান্ত ব্যবসায়ী  পাবনার আমিনপুর থানার সেই বিতর্কিত ওসিকে অব্যাহতি, এলাকায় মিষ্টি বিতরণ  বকসিস না দেওয়ায় অক্সিজেন মাস্ক খুলে দেওয়ার অভিযোগ, শিশুর মৃত্যু  নারায়ণগঞ্জ পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যা  ভারতের বিরুদ্ধে সোচ্চার না হলে বাংলাদেশের মুক্তি নেই: ডা. জাফরুল্লাহ  গীতিকার ও সুরকার আলাউদ্দিন আলী আর নেই  হাসপাতালে ‘অভিযান’ চালানোর বিপক্ষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী  ইসরাইলে নেতানিয়াহুর পদত্যাগ দাবিতে বড় বিক্ষোভ  আন্তর্জাতিক তদন্তের দাবি নাকচ লেবানন প্রেসিডেন্টের  ওসি প্রদীপের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন চান্দিনার ওসি আবুল ফয়সল   সিফাতের মুক্তির দাবিতে ডাকা মানববন্ধনে পুলিশের লাঠিচার্জ, আহত ১০   ওসি প্রদীপ: ৩০ লাখ টাকা চাঁদা না দেয়ায় মাদক ব্যবসায়ী সাজিয়ে ক্রসফায়ার  করোনাকালে ও তেঁতুলিয়ার মহানন্দায় পাথর শ্রমিকদের কর্মচাঞ্চল্য  আড়াইহাজারে অটো চালকের লাশ উদ্ধার  মায়ের কারণেই বাবা দেশের জন্য কাজের সুযোগ পেয়েছেন : শেখ হাসিনা   কীভাবে পুলিশ সদস্যরা বিপথে যায়? গোয়েন্দা সংস্থাও ঘুষের টাকা পায়?   করোনা আক্রান্ত হয়ে আইসিইউতে সানাই   ওসি প্রদীপ, ইন্সপেক্টর লিয়াকত আলীসহ ৭ পুলিশ চাকরি থেকে বরখাস্ত

বাজেট সংকটকালীন নয়, লুটেরাদের স্বার্থ রক্ষা করা হয়েছে

বাজেট প্রত্যাখান বিএনপি এমপিদের

 Wed, Jul 1, 2020 10:02 PM
বাজেট সংকটকালীন নয়, লুটেরাদের স্বার্থ রক্ষা করা হয়েছে

এশিয়া খবর ডেস্ক:: ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেট প্রত্যাখ্যান করে বিএনপির সংসদ সদস্যরা বলেছেন

 এ বাজেটকে একমাত্র ক্ষমতাসীন দল ছাড়া কেউ কোনোভাবেই একটা সংকটকালীন বাজেট হয়েছে বলে মনে করেনা। এই বাজেটে লুটেরাদের স্বার্থ রক্ষা করা হয়েছে। একইসঙ্গে তারা করোনা মোকাবিলায় সরকারকে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা এবং রোডম্যাপ তৈরি করে জাতির উদ্দেশে প্রকাশ করারও দাবি জানিয়েছেন।

বুধবার দুপুরে রাজধানীর মানিকমিয়া এভিনিউ সংলগ্ন সংসদ ভবনের গেইটে বিক্ষোভ প্রদর্শনশেষে বাজেটের কপি ছিড়ে বাজেট প্রত্যাখ্যানের এই ঘোষনা দেন বিএনিপর এমপিরা। এ সময় তাদের হাতে বাজেট প্রত্যাখানের শ্লোগান সম্বলিত বিভিন্ন প্লাকার্ড ছিল।

বিএনিপর যুগ্ম মহাসচিব হারুনুর রশীদ এমপি বলেন, একটি অপ্রত্যাশিত ও অকল্পনীয় বাজেট পাস হয়েছে, যাতে গত অর্থবছরের চেয়েও ২৪ শতাংশ বেশি অর্থ বরাদ্দের কথা বলা হয়েছে। এটা অবাস্তব ও অকল্পনীয়। আমরা এই বাজেট প্রত্যাখ্যান করছি।

জি এম সিরাজ এমপি বলেন, মাত্র একদিন সংসদে সাধারণ আলোচনা করে এই বাজেট পাস করা হয়েছে। এক দিনের আলোচনায় বাজেট পাসের নজির ইতিহাসে নেই। আমরা এই বাজেট ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালিকের অপসারণের দাবি পুনর্বক্ত করে হারুনুর রশীদ এমপি বলেন, অবিলম্বে স্বাস্থ্য মন্ত্রীকে অপসারণ কওে যোগ্য ব্যক্তিকে দায়িত্ব দিতে হবে। অতি দ্রুত করোনা নিয়ন্ত্রণ, উত্তরণের জন্য এবং বিনা চিকিৎসায় যেন মানুষ না মারা যায়, তার সুনির্দিষ্ট করে পরিকল্পনা এবং রোডম্যাপ জাতির উদ্দেশে দিতে হবে সরকারকে।

এসময় দলটির ৭ জন এমপির মধ্যে ৫ জন উপস্থিত ছিলেন। বাকি দুই সংসদ সদস্য অসুস্থ থাকায় এই কর্মসূচিতে উপস্থিত হতে পারেননি বলে জানানো হয়। বিক্ষোভে অংশ নেয়া অন্য এমপিরা হলেন মোশাররফ হোসেন, আমিনুল ইসলাম।

হারুনুর রশীদ বলেন, বিএনপির সংসদ সদস্যদের মধ্যে একমাত্র আমাকে বাজেট আলোচনার শেষ দিকে বক্তব্য রাখার সুযোগ দিয়েছিল। কিন্তু একপর্যায়ে স্পিকার আমরা মাইকও বন্ধ করে দেন। মাত্র একজনই বিরোধী দলের সদস্য। বাকি সবাই মহাজোটের শরিক। আমাদের দাবি ছিল ভার্চুয়াল বাজেট আলোচনার। সেটা হলে সব সদস্য তার বাজেট প্রতিক্রিয়া দিতে পারতেন। সেই সুযোগ থেকেও বঞ্চিত করা হয়েছে।

প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে এই সংসদ গঠিত হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, এখানে যারা মহাজোটের শরিক, তারাই আবার বিরোধী দলে আছেন। যে কারণে সত্যিকার অর্থে জনগণের যে সংকট সেটি সংসদে প্রতিফলিত হচ্ছে না। আমরা যে কয়েকজন সদস্য তা বলার চেষ্টা করি, তাদেও সেই সুযোগ দেওয়া হয় না।

হারুন এমপি বলেন, স্বাস্থ্যখাতের বেহাল অবস্থার জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ চেয়েছিলাম এবং স্বাস্থ্য বিভাগকে সংস্কারের কথা বলেছিলাম। কিন্তু এই নিয়ে সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী কোনও কথা বলেন নাই।

এ সময় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিএনপির সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন, করোনা মোকাবিলায় বিএনপি দওয়া ৮৭ হাজার কোটি আর্থিক সহায়তা প্যকেজের প্রস্তাব দিয়েছিল। আমরা তিন বছর মেয়াদি বাজেট ভাবনা দিয়েছিলাম। কিন্তু সরকার বরাবরের মতো তার চরম কর্তৃত্ববাদী চরিত্র বজায় রেখে বিএনপি'র পরামর্শগুলো আমলে নেয়নি। শেষ পর্যন্ত সরকার যে বাজেট প্রস্তাবনা সামনে এনেছে, সেটা একমাত্র ক্ষমতাসীন দল ছাড়া কেউ কোনোভাবেই একটা সংকটকালীন বাজেট হয়েছে বলে রায় দেয়নি।

তিনি বলেন, প্রত্যেকটি ক্ষেত্র থেকে বলা হয়েছে প্রস্তাবিত বাজেট করোনায় সৃষ্ট জীবন এবং জীবিকার সংকট মোকাবিলায় সক্ষম নয়। ফলে আগামী দিনগুলোতে জনজীবনে চরম দুর্ভোগ নেমে আসবে এটা নিশ্চিতভাবেই বলা যায় পুরো বাজেটটি নানা রকম স্ববিরোধিতা, অসামঞ্জস্যতায় পরিপূর্ণ।

সরকারের আর সব বাজেটের মতো এই বাজেটে লুটেরাদের স্বার্থ রক্ষা করা হয়েছে। কালো টাকা সাদা করার সুযোগ যে রকম ঢালাওভাবে করা হয়েছে সেটা বাংলাদেশের ইতিহাসে আগে আর কখনও হয়নি। এবার মাত্র ১০ শতাংশ কর দিয়ে কালো টাকা সাদা করা যাবে। এই দেশে সবচেয়ে দরিদ্র মানুষও যে মোবাইল ফোনে কথা বলে, ইন্টারনেট ব্যবহার করে সেটা ব্যবহারের খরচ বাড়ানো হয়েছে, কিন্তু শুল্ক কমানো হয়েছে ধনীদের ব্যবহার্য সোনার।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরও দেখুন