সদ্য সংবাদ

  করোনায় পুলিশের ‘বীরত্বগাঁথা’ নিয়ে বই  মিয়ানমার থেকে এলো ২০ টন পেঁয়াজ  আড়াইহাজারে গাঁজার চাষ, দুই সহোদর আটক  এই সরকারকে সরাতে হবে: মির্জা ফখরুল   ইউএনও ওয়াহিদাকে ওএসডি, স্বামীকে বদলি   মসজিদে বিস্ফোরণ: তিতাসের চার প্রকৌশলীসহ ৮ জন রিমান্ডে  বিশ্বে ভয়ংকর দুর্ভিক্ষ আসছে, ক্ষুধায় মরবে ৩ কোটি মানুষ!  আল্লামা শফীর জানাজায় জনতার ঢল, লাখো মানুষের চোখে পানি  মসজিদ বিস্ফোরণে ঘটনায় তিতাসের ৮ কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি।  ইউএনও ওয়াহিদার বাসায় টাকা ছিল ৪০ লাখ, সেই মালি নেয় ৫০ হাজার   ‘তিশা প্লাস’ বাসের দরজা-জানালা বন্ধ করে তরুণীকে গণধর্ষণ  'ঊর্মিলাকে পর্ন অভিনেত্রী' বললেন কঙ্গনা  যে যাই বলুক, আসলে মানুষ‌‌ পুলিশকে ভালোবাসে   আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কাজ করবেন, সরকারি কর্মচারীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী  ট্রাম্পের নারী কেলেংকারি ফাঁস, মুখ খুললেন মডেল  দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করার চেষ্টা করছে ভারত : জাফরুল্লাহ  তিতাস-ডিপিডিসি ও মসজিদ কমিটি দায়ী: প্রশাসনের তদন্ত প্রতিবেদন  তাহিরপুর-বাদাঘাট সড়কে সীমাহীন র্দূভোগ:দেখার কেউ নেই   মসজিদে অগ্নিকাণ্ডে নিহত পরিবারের মাঝে জেলা আ:লীগের আর্থিক সহায়তা প্রদান   ধর্ষণ মামলায় শিল্পপতি ছেলের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

বকসিস না দেওয়ায় অক্সিজেন মাস্ক খুলে দেওয়ার অভিযোগ, শিশুর মৃত্যু

 Sun, Aug 9, 2020 9:54 PM
বকসিস না দেওয়ায় অক্সিজেন মাস্ক খুলে দেওয়ার অভিযোগ, শিশুর মৃত্যু

গাইবান্ধা প্রতিনিধি :: বকসিস না দেওয়ায় গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

একমাস বয়সী এক শিশুর অক্সিজেন মাস্ক খুলে দেওয়ায় তার মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শনিবার দুপুরের এ ঘটনায় রোববার শিশু বিভাগের কনসালটেন্ট ডা. খায়রুন নাহারকে আহ্বায়ক করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্যরা হচ্ছেন- সদস্য সচিব আবাসিক চিকিৎসক ডা. হারুন অর রশিদ ও সদস্য ইএমও ডা. সুমন কুমার প্রামাণিক। এই তদন্ত কমিটি আগামী ৩ কর্মদিবসের মধ্যে তাদের রিপোর্ট পেশ করবে।

একমাস বয়সী শিশুটির নাম আবদুর রহিম। বাবার নাম মোশারফ হোসেন। বাড়ি গাইবান্ধা সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামে।

জানা যায়, শিশু আবদুর রহিমকে শ্বাসকষ্ট জনিত চিকিৎসার জন্য শনিবার দুপুরে গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে বিকেলের দিকে তাকে অক্সিজেন দেওয়া হয়। কিছুক্ষণ পর কর্তব্যরত নার্স রিমা আক্তার ও আয়া রেহেনা আক্তার শিশুটির স্বজনদের কাছে বকসিস চান। স্বজনরা শিশুটির বাবা নামাজ পড়তে গেছেন এসে বকসিস দেবেন, এমন কথা বলেন। কিন্তু এতে তারা আশ্বস্ত না হয়ে অক্সিজেন মাস্কটি খুলে দেন। এর কিছুক্ষণ পর শিশুটির মৃত্যু হয়।

শিশুটির মা আনিছা বেগম বলেন, ‌‘আমরা একাধিকবার নিষেধ করার পরও নার্স ও আয়া জোর করে অক্সিজেন মাস্ক খুলে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পরই আমার সন্তান মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।’

শিশুটির বাবা মো. মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘হাসপাতালের নার্স ও আয়ার অবহেলায় আমার সন্তানের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। আমি দোষীদের বিচার দাবি করছি।’

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে নার্স রিমা আক্তার বলেন, ‘বকসিস চাওয়ার ঘটনা সত্য নয়। অন্য একটি গুরুতর অসুস্থ শিশুর জন্য অক্সিজেন সিলিন্ডারটি স্থানান্তর করা হয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘আগে থেকেই শিশুটির অবস্থা খারাপ ছিল।’

আবাসিক চিকিৎসক ডা. হারুনর রশিদ বলেন, ‘তদন্ত কমিটি তদন্ত শুরু করেছে। তদন্ত শেষে বলা যাবে প্রকৃত ঘটনা কি।’

জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. মো. নবিউর রহমান বলেন, ‘বিষয়টি তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে হাসপাতালের কারও গাফিলতি প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরও দেখুন