সদ্য সংবাদ

  করোনায় পুলিশের ‘বীরত্বগাঁথা’ নিয়ে বই  মিয়ানমার থেকে এলো ২০ টন পেঁয়াজ  আড়াইহাজারে গাঁজার চাষ, দুই সহোদর আটক  এই সরকারকে সরাতে হবে: মির্জা ফখরুল   ইউএনও ওয়াহিদাকে ওএসডি, স্বামীকে বদলি   মসজিদে বিস্ফোরণ: তিতাসের চার প্রকৌশলীসহ ৮ জন রিমান্ডে  বিশ্বে ভয়ংকর দুর্ভিক্ষ আসছে, ক্ষুধায় মরবে ৩ কোটি মানুষ!  আল্লামা শফীর জানাজায় জনতার ঢল, লাখো মানুষের চোখে পানি  মসজিদ বিস্ফোরণে ঘটনায় তিতাসের ৮ কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি।  ইউএনও ওয়াহিদার বাসায় টাকা ছিল ৪০ লাখ, সেই মালি নেয় ৫০ হাজার   ‘তিশা প্লাস’ বাসের দরজা-জানালা বন্ধ করে তরুণীকে গণধর্ষণ  'ঊর্মিলাকে পর্ন অভিনেত্রী' বললেন কঙ্গনা  যে যাই বলুক, আসলে মানুষ‌‌ পুলিশকে ভালোবাসে   আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কাজ করবেন, সরকারি কর্মচারীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী  ট্রাম্পের নারী কেলেংকারি ফাঁস, মুখ খুললেন মডেল  দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করার চেষ্টা করছে ভারত : জাফরুল্লাহ  তিতাস-ডিপিডিসি ও মসজিদ কমিটি দায়ী: প্রশাসনের তদন্ত প্রতিবেদন  তাহিরপুর-বাদাঘাট সড়কে সীমাহীন র্দূভোগ:দেখার কেউ নেই   মসজিদে অগ্নিকাণ্ডে নিহত পরিবারের মাঝে জেলা আ:লীগের আর্থিক সহায়তা প্রদান   ধর্ষণ মামলায় শিল্পপতি ছেলের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

স্কটিশ সুন্দরীর ‘টোপ’, সর্বস্বান্ত ব্যবসায়ী

 Sun, Aug 9, 2020 10:05 PM
 স্কটিশ সুন্দরীর ‘টোপ’, সর্বস্বান্ত ব্যবসায়ী

এশিয়া খবর ডেস্ক:: মার্কিন একটি সংস্থা করোনা ভাইরাসের প্রতিষেধক তৈরি করছ

ে। আর সেই প্রতিষেধক তৈরিতে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল যাচ্ছে ভারত থেকে। সোশ্যাল মিডিয়ায় আলাপ হওয়া এক স্কটিশ সুন্দরীর প্রস্তাবে, সেই কাঁচামাল সরবরাহ করতে গিয়ে ৫৫ লাখ টাকা খোয়ালেন এক বাঙালি ব্যবসায়ী।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পাঁশকুড়া শহরের আশিষ সামন্ত নামের ওই ব্যবসায়ী এ বিষয়ে সিআইডিতে অভিযোগও করেছেন।

আশিষ সামন্ত অভিযোগে জানিয়েছেন, এ বছরের এপ্রিলে ফেইসবুকে তার সঙ্গে আলাপ হয় স্কটিশ মহিলা মারিয়া স্পেন্সারের। সেই আলাপের সূত্র ধরে বিভিন্ন সময় তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় চ্যাট করেছেন। সেখান থেকেই আশিস জানতে পারেন, মারিয়া একটি মার্কিন বহুজাতিক ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মী।

আশিষ জানিয়েছেন, গত জুন মাসে মারিয়া তাকে জানান, তার কোম্পানি করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক তৈরি করছে। সেই প্রতিষেধক তৈরি করতে একটি বিশেষ ধরনের তেল প্রয়োজন যা, তার কোম্পানি ভারত থেকে আমদানি করে। সেই তেল প্রতি লিটারের দাম আড়াই হাজার ডলার। মারিয়া তাকে প্রস্তাব দেন, ওই তেল তার কোম্পানিকে সরবরাহ করার।

আশিসের দাবি, মারিয়া তাকে জানিয়েছিলেন, এর আগে মহারাষ্ট্রের একটি কোম্পানির কাছ থেকে প্রতি লিটার তেল আড়াই হাজার ডলারে কিনে তিনি ওই তেল কোম্পানির কাছে পৌঁছে দিতেন প্রতি লিটার ৪ হাজার ৯০০ ডলার হিসেবে। কিন্তু বর্তমানে সেই সরবরাহকারী সরাসরি কোম্পানিকে সরবরাহ করতে চাওয়ায় মারিয়া নিজের লভ্যাংশ পাচ্ছেন না। তাই আশিষ যদি ওই সরবরাহকারীর কাছ থেকে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল কিনে তার কোম্পানিকে সরবরাহ করেন তা হলে লভ্যাংশের টাকা ভাগাভাগি করে নিতে পারেন মারিয়া এবং আশিষ।

অভিযোগকারী ব্যবসায়ীর দাবি, প্রথমে তিনি রাজি না হলেও পরে মোটা অঙ্কের লাভের কথা ভেবে তিনি রাজি হয়ে যান মারিয়ার প্রস্তাবে। এরপর মারিয়া তাকে মহারাষ্ট্রের আহমেদনগরের ওই তেলের সরবরাহকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেন। মারিয়ার পরিকল্পনা মতো, তিনি মারিয়ার কোম্পানিকে ওই তেল সরবরাহ করার দরপত্র পাঠান। সেই দরপত্র অনুমোদিত হয়। অন্য দিকে আহমেদনগরের কোম্পানিও তাকে সেই তেল সরবরাহ করতে সম্মত হয়। এর পর চার দফায় চারটি আলাদা আলাদা অ্যাকাউন্টে মহারাষ্ট্রের মালাদ, আহমেদনগর, রাজস্থানের জয়পুরের চার ব্যক্তির কাছে সব মিলিয়ে প্রায় ৫৫ লক্ষ টাকা তিনি পাঠান। তবে সেই কাঁচামাল তার কাছে আসেনি। সরবরাহকারী জানিয়ে দেন যে, তারা সরাসরি মার্কিন ওই সংস্থাকে ওই কাঁচামাল পাঠিয়ে দেবেন। কারণ, আশিসের রফতানি করার লাইসেন্স নেই। সেই প্রস্তাবে রাজি হয়ে যান আশিষ।

তার দাবি, টাকা-পয়সার লেনদেন হওয়ার পর হঠাৎ করেই সমস্ত সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় মারিয়ার সঙ্গে। শুধু মারিয়া নয়, তিনি যাদের যাদের নম্বর দিয়েছিলেন সরবরাহকারী হিসেবে তাদের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করতে ব্যর্থ হন আশিষ। মারিয়া যে মোবাইল নম্বর থেকে তার সঙ্গে যোগাযোগ করতেন, সেখানে ফোন করতে গিয়েও সেই নম্বরের কোন অস্তিত্ব নেই বলে জানতে পারেন তিনি। এর পর মারিয়ার দেওয়া তার সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করতে গেলেও সেই একই অবস্থা হয় তার। এর পরেই আশিস বুঝতে পারেন, তিনি প্রতারিত হয়েছেন। আশিসের দাবি, তিনি তার প্রায় সর্বস্ব ঢেলে দিয়েছিলেন মোটা অঙ্কের মুনাফা করার লোভে।

পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশ সুপার সুনীল যাদব জানিয়েছেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। খতিয়ে দেখছি গোটা বিষয়টি।

সূত্র: আনন্দবাজার।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরও দেখুন