সদ্য সংবাদ

  ‘তিশা প্লাস’ বাসের দরজা-জানালা বন্ধ করে তরুণীকে গণধর্ষণ  'ঊর্মিলাকে পর্ন অভিনেত্রী' বললেন কঙ্গনা  যে যাই বলুক, আসলে মানুষ‌‌ পুলিশকে ভালোবাসে   আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কাজ করবেন, সরকারি কর্মচারীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী  ট্রাম্পের নারী কেলেংকারি ফাঁস, মুখ খুললেন মডেল  দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করার চেষ্টা করছে ভারত : জাফরুল্লাহ  তিতাস-ডিপিডিসি ও মসজিদ কমিটি দায়ী: প্রশাসনের তদন্ত প্রতিবেদন  তাহিরপুর-বাদাঘাট সড়কে সীমাহীন র্দূভোগ:দেখার কেউ নেই   মসজিদে অগ্নিকাণ্ডে নিহত পরিবারের মাঝে জেলা আ:লীগের আর্থিক সহায়তা প্রদান   ধর্ষণ মামলায় শিল্পপতি ছেলের যাবজ্জীবন কারাদন্ড   পঞ্চগড়ে চা পাতা চুরির অভিযোগ,  প্রজ্ঞাপন দিয়ে হাটহাজারী মাদরাসা বন্ধ ঘোষণা  ঝিনাইদহে সন্তান নিখোঁজ: খুঁজছে বাবা-মা   ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার কক্সবাজারে বদলি, যোগদান করলেন মুনতাসিরুল ইসলাম  ইসরাইল-ফিলিস্তিন অশান্তি উসকে দিল ট্রাম্পের ‘শান্তি চুক্তি’  পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু: ক্ষতিপূরণের ২ লাখ টাকা জমা দিলেন এসআই জাহিদের পরিবার  আ: লীগের বরকত-রুবেলের দুটি প্রতিষ্ঠানের ২৫ কার্যাদেশ বাতিল   সেই শিশু ইয়ামিনকে জার্সি-ব্যাট দিলেন মুশফিক   জিম্মি করে ব্যাংক লুটের চেষ্টা, বোমাসহ যুবক আটক  কক্সবাজারের এসপিসহ পুলিশের ৬ কর্মকর্তা বদলি

বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড কারা শুরু করেছিল, প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর

 Thu, Sep 10, 2020 8:04 PM
 বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড কারা শুরু করেছিল, প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর

এশিয়া খবর ডেস্ক:: বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বন্ধের দাবির মুখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

 পাল্টা প্রশ্ন রেখে বলেছেন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড কারা শুরু করেছিল?

বৃহস্পতিবার একাদশ জাতীয় সংসদের নবম অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এ প্রশ্ন রাখেন। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে শুরু হওয়া অধিবেশন প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয়।

সম্প্রতি কক্সবাজারে সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ হত্যাকাণ্ড নিয়ে চারদিকে ব্যাপক সমালোচনা উঠেছে। এমনকি সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতা জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বন্ধের দাবি জানিয়েছেন। এর জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড কারা শুরু করেছিল? এটা জিয়াউর রহমানের আমল থেকেই শুরু। আমাদের বহু নেতাকর্মীর লাশও পাওয়া যায়নি। এরকম বহু ঘটনা ঘটেছে। তারপরে তো একেবারে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়া হল এবং সেই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়ে গেছে।

আমরা চেষ্টা করছি এটাকে কীভাবে মোকাবেলা করা যায়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা সমালোচনা করব, যাদের দ্বারা নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। তবে মানুষ বিপদে পড়লে যাদের ডাকলে আগে আসে সেটা কিন্তু পুলিশ। আমরা এমন কিছু করব না যেন তারা আবার ভয়ে ভীত হয়ে কাজের উৎসাহ নষ্ট না হয়, সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে।

তিনি বলেন, পাশাপাশি আমাদের মাদক নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। সেগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা যথাযথ কাজ করে যাচ্ছে এবং তারা যথেষ্ট সাফল্য অর্জন করেছে। তারা নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছে, কিন্তু সেগুলো করতে গিয়ে যদি কিছু দুর্ঘটনা ঘটে, সেটা ঘটা খুব স্বাভাবিক। আমরা কিন্তু কাউকে ছেড়ে দিচ্ছি না। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছি। কেউ এটা বলতে পারবেন না যে অন্যায় করলে আমরা ছেড়ে দিচ্ছি। সেটা কিন্তু দেয়া হচ্ছে না।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরও দেখুন