সদ্য সংবাদ

  ‘তিশা প্লাস’ বাসের দরজা-জানালা বন্ধ করে তরুণীকে গণধর্ষণ  'ঊর্মিলাকে পর্ন অভিনেত্রী' বললেন কঙ্গনা  যে যাই বলুক, আসলে মানুষ‌‌ পুলিশকে ভালোবাসে   আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কাজ করবেন, সরকারি কর্মচারীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী  ট্রাম্পের নারী কেলেংকারি ফাঁস, মুখ খুললেন মডেল  দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করার চেষ্টা করছে ভারত : জাফরুল্লাহ  তিতাস-ডিপিডিসি ও মসজিদ কমিটি দায়ী: প্রশাসনের তদন্ত প্রতিবেদন  তাহিরপুর-বাদাঘাট সড়কে সীমাহীন র্দূভোগ:দেখার কেউ নেই   মসজিদে অগ্নিকাণ্ডে নিহত পরিবারের মাঝে জেলা আ:লীগের আর্থিক সহায়তা প্রদান   ধর্ষণ মামলায় শিল্পপতি ছেলের যাবজ্জীবন কারাদন্ড   পঞ্চগড়ে চা পাতা চুরির অভিযোগ,  প্রজ্ঞাপন দিয়ে হাটহাজারী মাদরাসা বন্ধ ঘোষণা  ঝিনাইদহে সন্তান নিখোঁজ: খুঁজছে বাবা-মা   ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার কক্সবাজারে বদলি, যোগদান করলেন মুনতাসিরুল ইসলাম  ইসরাইল-ফিলিস্তিন অশান্তি উসকে দিল ট্রাম্পের ‘শান্তি চুক্তি’  পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু: ক্ষতিপূরণের ২ লাখ টাকা জমা দিলেন এসআই জাহিদের পরিবার  আ: লীগের বরকত-রুবেলের দুটি প্রতিষ্ঠানের ২৫ কার্যাদেশ বাতিল   সেই শিশু ইয়ামিনকে জার্সি-ব্যাট দিলেন মুশফিক   জিম্মি করে ব্যাংক লুটের চেষ্টা, বোমাসহ যুবক আটক  কক্সবাজারের এসপিসহ পুলিশের ৬ কর্মকর্তা বদলি

পাহাড় খুঁড়ে ঘরে জুমের সোনা তুলছেন চাষীরা।

 Thu, Sep 10, 2020 8:53 PM
পাহাড় খুঁড়ে ঘরে জুমের সোনা তুলছেন চাষীরা।

এশিয়া খবর ডেস্ক:: পাহাড়ে এখন ঘরে উঠছে জুমের পাকা ফসল।

ধুম লেগেছে সোনালি পাকা ধান কাটার। দীর্ঘ প্রায় ৯ মাসের পরিশ্রমের বিনিময়ে ফলানো ফসল ঘরে তুলছেন জুম চাষীরা। যেন পাহাড় খুঁড়ে ঘরে সোনা তুলছেন।

করোনার কারণে এবার মৌসুমে চাষাবাদে ব্যাহত না হলে ফলন আরও বিস্তর হতো। যতটুকু চাষাবাদ সম্ভব হয়েছে তাতে ভালোই ফসল ফলেছে। তাই হাসিখুশি চাষীরা।

সরেজমিন জানা যায়, বর্তমানে পার্বত্য এলাকায় জুমের পাকা ধান কাটছেন জুম চাষীরা। এখন ফসল ঘরে তোলার ধুম। প্রত্যেক বছর পার্বত্য তিন জেলা রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে বিস্তর জুমচাষ হয়। জুমচাষ পাহাড়িদের আদি পেশা। জীবিকার অন্যতম উৎস। এ বছর করোনার কারণে পার্বত্য তিনটি জেলায় জুম চাষ কিছুটা ব্যাহত হলেও চাষাবাদ ভালো হয়েছে। ফলনও হয়েছে ভালো।

জুম চাষীরা পৌষ ও মাঘ মাসে পাহাড়ের ঢালে জঙ্গল সাফ করেন। রোদে শুকিয়ে ফাল্গুন ও চৈত্র মাসে আগুনে পুড়িয়ে প্রস্তুত করেন জুমক্ষেত। বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ মাসে পোড়ানো জুমের মাটিতে সুচালো দা দিয়ে গর্ত খুঁড়ে একসঙ্গে ধান, তুলা, কাউন, ভুট্টা, ফুটি, চিনার, শিম, যব ইত্যাদি বীজ বপন করেন।

জুমজুড়ে ছিটানো হয় তিল, মরিচ, ধনেপাতাসহ ইত্যাদি বীজ। প্রায় ৮-৯ মাস পরিশ্রম শেষে ভাদ্র ও আশ্বিন মাসে ঘরে ওঠে পাকা ধান। তার আগে আষাঢ় ও শ্রাবণ মাসেই জুমের ফসল তোলা শুরু হয়। শুরুতে পাওয়া যায় মারফা, মরিচ, চিনার, ভুট্টা ইত্যাদি ফসল। ভাদ্র, আশ্বিন ও কার্তিক মাসের মধ্যে পাকা ধান কাটার পর শেষে তুলা, তিল, যব ঘরে তোলা হয় কার্তিক ও অগ্রহায়ণ মাসে।

জুম চাষীরা জানান, জুমের পাকা ফসল ঘরে তোলার ভরা মৌসুম চলছে এখন। উপযুক্ত পরিবেশ, মাটির উর্বরাশক্তি ও অনুকূল আবহাওয়ার ফলে এ বছরও জুমে ধানসহ ফসলের ফলন ভালোই হয়েছে। তবে করোনার কারণে এ বছর চাষাবাদে কিছুটা ব্যাহত হয়েছে। পাহাড়ি এলাকায় যুগ যুগ ধরে চাষাবাদ হয়ে আসছে জুম। জুমে ধান ছাড়াও আবাদ হয় মারফা, চিনার, ফুটি, বেগুন, মরিচ, ধুন্দল, ঢেঁড়স, কাঁকরোল, কুমড়াসহ মিশ্রফসল।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরও দেখুন