সদ্য সংবাদ

 সবাইকে মাস্ক পরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর  'প্রতারক' লিটন শিকদার গ্রেপ্তার  ফতুল্লার ভূইঘরে রক্সি ফোম কারখানায় আগুনের ঘটনায় মামলা ॥ গ্রেফতার ১   উৎকোচ নিয়ে ও প্রতিবন্ধির টাকা ও কার্ড কেড়ে নিলেন ইউপি সদস্যা  নবীনগরে ইলিশ মাছ ধরার দায়ে জরিমানা  মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশকালে ১১ জন আটক  ঝিনাইদহে শিক্ষানবিশ আইনজীবিদের মানববন্ধন  শৈলকুপায় এলজিইডি’র কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন  দুর্নীতির দায়ে কারাগারে সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ  প্রাথমিকে ৩০ হাজার শিক্ষক নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ  রূপগঞ্জে বিএনপির মঞ্চে উঠে হামলা, মান্না-তৈমূর আহত  রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে না পাঠাতে আন্তর্জাতিক চাপ রয়েছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী   র‌্যাম্প মডেল তৈরির নামে ভয়ঙ্কর ফাঁদ   সাঘাটায় নারী ধর্ষণ ও নির্যাতন বিরোধী বিট পুলিশিং র‌্যালী অনুষ্ঠিত   খুলনার কৃষি কর্মকর্তা মিজানের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়  সিইসি মিথ্যা বলছেন, ঢাকা থেকেই ১৬২টি অভিযোগ দেয়া হয়েছে: ফখরুল  নারায়ণগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবকলীগ সম্পাদক সন্ত্রাসী মীরু আটক   কারাবাখে ৭ শতাধিক আর্মেনীয় যোদ্ধা নিহত   শিশুদের উন্নত ভবিষ্যত দিতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী  মিঠুন পুত্রের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ

ডিপিডিসির প্রকৌশলী মাহাবুব ক্ষমতার দাপটে তিনটি পদ দখলে!

 Sun, Sep 20, 2020 9:44 PM
ডিপিডিসির প্রকৌশলী মাহাবুব ক্ষমতার দাপটে তিনটি পদ দখলে!

স্টাফ রিপোর্টার॥: রাজধানী ঢাকার বৃহৎ বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান-

ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পনী লিমিটেড (ডিপিডিসি) বিগত বছরগুলোতে সাফল্যের সাথে গ্রাহকদের বিদুৎ সেবা প্রদান করছে। দুর্নীতির কারণে ‘ডেসা’কে বিলুপ্ত করে ‘ডিপিডিসি’ ও ‘ডেসকো’ তৈরির পরবর্তী সময়ে প্রতিষ্ঠান দু’টি সুনামের সাথেই চলছিল। সম্প্রতি ডিপিডিসি’র বৈদ্যুতিক যন্ত্রাদি ক্রয়ে সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ মাহবুবুর রহমানের দুর্নীতি ও অনিয়মে চুক্তি ও ক্রয় অনেকটাই ওপেন-সিক্রেট। ‘অদৃশ্য ক্ষমতাধর’ মাহাবুব বর্তমানে চুক্তি ও ক্রয় সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, প্রধান প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্ব) এবং ২০ হাজার কোটি টাকার অধিক প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক। ডিপিডিসি’তে এ যাবৎ সর্বমোট ৯ জন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী প্রকিউরমেন্টের দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রতিষ্ঠানটির ইতিহাসে একমাত্র মাহাবুবুর রহমানই দীর্ঘসময় ধরে এ পদে রয়েছেন। ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত টানা তিনবছর দায়িত্বে থাকেন তিনি; ২০১৯ সালে ছুটিবিহীন দীর্ঘদিন কানাডায় সপরিবারে বিলাসবহুল জীবন-যাপন করেন। এসময় এ পদে দু’জনের নিয়োগ হয় কিন্তু দু’জন মিলে একবছরও দায়িত্ব পালন করতে পারেননি। মোঃ মাহবুবুর রহমান কানাডা থেকে দেশে ফিরে কিছুদিন পরই নিজের পছন্দমত প্রকিউরমেন্টের দায়িত্বরত প্রকৌশলীকে বদলি করে ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং একই পদে যোগদান করে নবউদ্যমে কাজ শুরু করে দেন। গড়ে তুলেন টেন্ডার সিন্ডিকেট! টেন্ডারবাজি, দুর্নীতি আর লুটপাট করে হাতিয়ে নেন কোটি কোটি টাকা।

শোনা যায়, কানাডায় তার প্রচুর অর্থ-সম্পদ রয়েছে। মোঃ মাহবুবুর রহমান সপরিবারে কানাডার ‘স্থায়ী নাগরিক’। তার কানাডিয়ান পাসপোর্ট নং এজি০৬২২০৮। পরিবারের সদস্যরা স্বাচ্ছন্দে কানাডায় বসবাস করছে বিলাসবহুল বাড়িতে; ছেলে-মেয়েরা পড়ালেখা করছে নামিদামি বিশ্ববিদ্যালয়ে। মোঃ মাহবুবুর রহমান বছরে একাধিকবার কানাডায় গিয়ে পরিবারের সাথে দীর্ঘ সময় কাটিয়ে আসেন। কানাডার স্থায়ী নাগরিক হয়েও রাষ্ট্রের (বাংলাদেশের) মালিকানাধীন কেপিআইভুক্ত প্রতিষ্ঠানে (ডিপিডিসি) দাপটের সাথে তিনটি পদে কর্মরত রয়েছেন মোঃ মাহবুবুর রহমান। সরকারি দলের অনেক সাংসদ ও মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সচিব তার ‘ঘনিষ্টজন’ জাহির করে সহকর্মীদের উপর ‘স্নায়ুচাপ’ তৈরি করেন। চুক্তি ও ক্রয় সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্ব পালন করছেন একাধারে। মাহাবুবুর রহমান নিজের মনোনিত ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেয়ার জন্য ঠিকাদারদের সাথে আলোচনা করে দরপত্রে শর্ত প্রদান করেন, দরপত্র মূল্যায়ণে অন্যান্য দরপত্র ‘অযোগ্য’ (নন-রেসপনসিভ) ঘোষণা করে নিজের মনোনিত ঠিকাদারকে ‘যোগ্য’ (রেসপনসিভ) মূল্যায়ন করে কাজ পাইয়ে দেন, একক দরপত্রকে যোগ্য (রেসপনসিভ) করতে ঠিকাদারের সাথে পূর্বেই সমঝোতা করে নেন বলে জানা যায়। ‘চুক্তি ও ক্রয় সার্কেল’ এর দু’টি পদে (তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও প্রধান প্রকৌশলী) একইসাথে তিনি দায়িত্বে থাকায়, দরপত্রে দুর্নীতি ও অনিয়ম করা তার পক্ষে সহজতর হয়েছে।

 

Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরও দেখুন