সদ্য সংবাদ

  বাংলাবান্ধায় ৬ দিন মালামাল উঠানামা বন্ধ   হবিগঞ্জ সড়কে লাশ ফেলে পালাতে গিয়ে ঘাতক আটক  টিকা কিনতে ৫০ কোটি ডলার ঋণ চায় বাংলাদেশ  জাতিকে ধ্বংস করতেই অটো পাসের সিদ্ধান্ত  ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের মৃত্যুতে প্রেসিডেন্ট-প্রধানমন্ত্রীর শোক  স্ত্রীর পাশে জেনারেল ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের দাফন সম্পন্ন  পুলিশ হত্যায় অভিযুক্ত চেয়ারম্যান স্বপনকে অব্যাহতি  আক্রমণের মুখে যুদ্ধে যেতে চাচ্ছেন না আর্মেনীয় সেনা সদস্যরা!  খুনের পর পুড়িয়ে ফেলা সেই দীলিপ হাইকোর্টে হাজির!   প্রতিটি গাড়ি চালককে ডোপ টেস্ট করানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর  সিলেটের পুলিশ কমিশনারসহ ১৯ কর্মকর্তাকে বদলি   একই ব্যক্তিকে দুটি তারিখের জন্ম সনদ প্রদান   নবীনগরে একই দিনে দুই লাশ উদ্ধার  সাঘাটায় টিসিবি মালামাল ন্যায্য মূল্যে বিক্রয়  নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগ নেতা তোফার ইয়াবা সেবন!   বাল্য বিবাহমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠায় সচেতনতা জরুরি  আড়াইহাজারে দুর্গা প্রতিমা ভাংচুর  নবীনগরে ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং উদ্বোধন   অচিরেই জেলা ও মহানগর কমিটি ঘোষণা করা হবে   লাদাখ থেকে কাশ্মীর পর্যন্ত ভারতের ১০০ কিলোমিটার টানেল

ব্রুনাইয়ে মানব পাচার: চক্রের তিনজন গ্রেফতার

 Wed, Sep 23, 2020 11:05 PM
 ব্রুনাইয়ে মানব পাচার: চক্রের তিনজন গ্রেফতার

এশিয়া খবর ডেস্ক:: ব্রুনাইয়ে মানব পাচারকারী চক্রের মূলহোতার সহযোগী আমিনুর রহমান

হিমুসহ তিন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৩। বুধবার রাজধানীর কাফরুল থেকে হিমু এবং মহাখালীর ডিওএইচ থেকে হিমুর সহযোগী নুর আলম ও বাবলু রহমানকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় হিমুর দেহ তল্লাশি করে লাইসেন্স করা একটি বিদেশি পিস্তল এবং দুটি ম্যাগাজিন পাওয়া যায়।

মানব পাচার চক্রের মূলহোতা মেহেদী হাসান বিজন ও আবদুল্লাহ আল মামুন অপু এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন। চক্রের আরও অনেকজন সদস্যের তথ্য পেয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসু যুগান্তরকে বলেন, হিমু ব্রুনাইয়ে চাকরি দেয়ার নাম করে ৪০০ জনের কাছ থেকে প্রায় তিন কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। ২০১৯ সালে বিজনের কোম্পানির নামে ভুয়া ডিমান্ড লেটার সংগ্রহ করে হিমু ৬০ জনকে ব্রুনাইয়ে পাঠান। তারা ব্রুনাইয়ে গিয়ে কোনো কাজ না পেয়ে মানবেতর জীবনযাপন করেন এবং নিজ খরচে দেশে ফিরে আসেন। তিনি আরও জানান, হিমুর নিজের কোনো রিক্রুটিং লাইসেন্স নেই। মেহেদীর চাহিদা অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে ব্রুনাইতে মানবপাচার করত। মেহেদীর নামে বাংলাদেশে ২০টি মামলা হয়েছে। বর্তমানে তিনি দেশে আত্মগোপন করে আছেন।

ব্রুনাইয়ে মানব পাচারের ঘটনায় অসংখ্য ভুক্তভোগী র‌্যাব-৩ কার্যালয়ে অভিযোগ করেছেন। তাদের অভিযোগ থেকে জানা যায়, ব্রুনাইয়ে মানব পাচারের মূল হোতা মেহেদী ও অপুর অন্যতম সহযোগী হিমু। দীর্ঘদিন তিনি দেশের বাইরে ছিলেন।

র‌্যাব জানায়, ব্রুনাইতে প্রায় ২৫ হাজার বাংলাদেশি শ্রমিক রয়েছেন। তাদের একটি বড় অংশ মানব পাচারকারী চক্রের মাধ্যমে ব্রুনাইতে যান। সেখানে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। ব্রুনাইতে বাংলাদেশি মালিকানার প্রায় ৩ হাজার কোম্পানি নিবন্ধিত। এগুলোর অধিকাংশই নামসর্বস্ব। এসব কোম্পানি ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে ব্রুনাই থেকে কর্মসংস্থান ভিসা বের করে। পরে দালালদের মাধ্যমে বাংলাদেশে ভিসা বিক্রি করে। ব্রুনাইতে যাওয়ার জন্য এক লাখ ২০ হাজার টাকা ধার্য করা হলেও চক্রের সদস্যরা প্রায় ৩-৪ লাখ টাকা নিত। আইন অনুসারে ব্রুনাইতে একজন কর্মী সর্বোচ্চ দুই বছর অবস্থান করতে পারেন।

র‌্যাব আরও জানায়, ব্রুনাই বর্তমানে আন্তর্জাতিক মানব পাচার কার্যক্রমের রুট এবং গন্তব্য হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। রিক্রুটিং এজেন্ট, বাংলাদেশি দালাল মিলে একটি সংঘবদ্ধ চক্র কাজ করছে। তাদের উদ্দেশ্য শ্রমিকদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায়, শারীরিক নির্যাতন এবং তাদের বেকার রেখে দেশে ফেরত যেতে বাধ্য করা। বিদেশের মাটিতে স্বদেশি শ্রমিকদের সঙ্গে প্রতারণা ও নির্যাতনসহ বিভিন্ন অপরাধের কারণে ব্রুনাইয়ে সক্রিয় ভিসা দালাল চক্রের মূলহোতা বিজনসহ সাতজনের পাসপোর্ট বাতিলের বিষয়ে বাংলাদেশ হাইকমিশন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করে। পরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে পাসপোর্ট অধিদফতর বিজনসহ সাতজনের পাসপোর্ট বাতিল করে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরও দেখুন