সদ্য সংবাদ

 টিকা কিনতে ৫০ কোটি ডলার ঋণ চায় বাংলাদেশ  জাতিকে ধ্বংস করতেই অটো পাসের সিদ্ধান্ত  ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের মৃত্যুতে প্রেসিডেন্ট-প্রধানমন্ত্রীর শোক  স্ত্রীর পাশে জেনারেল ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের দাফন সম্পন্ন  পুলিশ হত্যায় অভিযুক্ত চেয়ারম্যান স্বপনকে অব্যাহতি  আক্রমণের মুখে যুদ্ধে যেতে চাচ্ছেন না আর্মেনীয় সেনা সদস্যরা!  খুনের পর পুড়িয়ে ফেলা সেই দীলিপ হাইকোর্টে হাজির!   প্রতিটি গাড়ি চালককে ডোপ টেস্ট করানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর  সিলেটের পুলিশ কমিশনারসহ ১৯ কর্মকর্তাকে বদলি   একই ব্যক্তিকে দুটি তারিখের জন্ম সনদ প্রদান   নবীনগরে একই দিনে দুই লাশ উদ্ধার  সাঘাটায় টিসিবি মালামাল ন্যায্য মূল্যে বিক্রয়  নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগ নেতা তোফার ইয়াবা সেবন!   বাল্য বিবাহমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠায় সচেতনতা জরুরি  আড়াইহাজারে দুর্গা প্রতিমা ভাংচুর  নবীনগরে ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং উদ্বোধন   অচিরেই জেলা ও মহানগর কমিটি ঘোষণা করা হবে   লাদাখ থেকে কাশ্মীর পর্যন্ত ভারতের ১০০ কিলোমিটার টানেল  সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহবান প্রধানমন্ত্রীর  আকবরকে পালাতে সহায়তা করায় হাসান বরখাস্ত

অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আর নেই

 Sun, Sep 27, 2020 9:17 PM
অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আর নেই

এশিয়া খবর ডেস্ক:: অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মাহবুবে আলম মারা গেছেন

 (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। রোববার সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান বলে তার ছেলে সুমন মাহবুব বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক বার্তায় মাহবুবে আলমের ছেলে সুমন মাহবুব বলেন, আমার বাবা অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে মারা যান।

গত ৪ সেপ্টেম্বর জ্বর ও গলা ব্যথা নিয়ে সিএমএইচে ভর্তি হন রাষ্ট্রের প্রধান এই আইন কর্মকর্তা। ওইদিনই করোনা পরীক্ষা করালে রিপোর্ট পজিটিভ আসে। ১৮ সেপ্টেম্বর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে মাহবুবে আলমকে আইসিইউতে নেয়া হয়। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি বাংলাদেশের ১৩তম অ্যাটর্নি জেনারেল ছিলেন।

মাহবুবে আলম ১৯৭৫ সালে হাইকোর্টে আইন পেশায় যুক্ত হন। ১৯৯৮ সালের ১৫ নভেম্বর থেকে ২০০১ সালের ৪ অক্টোবর পর্যন্ত অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্ব পালন করেন। মাহবুবে আলম সুপ্রিম কোর্ট বারের ১৯৯৩-৯৪ সালে সম্পাদক ও ২০০৫-২০০৬ সালে সভাপতি নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ২০০৯ সালের ১৩ জানুয়ারি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু হত্যা, জাতীয় চার নেতা হত্যা, সংবিধানের ত্রয়োদশ ও ষোড়শ সংশোধনীসহ অসংখ্য ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ মামলার শুনানি করেন।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরও দেখুন