সদ্য সংবাদ

 নবীনগরে দুস্থ নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ  মির্জাপুরে উচ্ছেদের পর অবৈধ স্থাপনা নির্মান, অবরুদ্ধ এলাকাবাসি   সেরা শিল্পী জাস্টিন বিবার ও টেইলর সুইফট   ‘জবাবদিহিমূলক জনপ্রশাসন গড়ে তুলতে হবে’  চলমান কাজ শেষ না করলে ঠিকাদারকে পরের কাজ নয়  কানাডার 'বেগমপাড়া', অর্থ পাচারকারী সেই ২৮ জন কারা  দেশকে লাইফ সাপোর্টে নিয়ে গেছে সরকার   ভারতীয় ‘ক্রাইম পেট্রল’ দেখে পরিবারের ৪ জনকে হত্যা   গণতন্ত্রের আলোয় 'কালো' কমলার উত্থান   দখলমুক্ত মসজিদে চুমু খেয়ে ঢুকলেন আজেরি প্রেসিডেন্ট  মোহাম্মদপুর বিহারি বস্তির আগুন নিয়ন্ত্রণে   না’গঞ্জ বিআইডব্লিউটিএ’ দুদকের অভিযান   দিল্লির সরকার আলুর সরকার, এদের আর একটি ভোটও নয় : মমতা   ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়, অপব্যবহার করবেন না: ওবায়দুল কাদের   চিরকুটে লেখা 'বিদায় বান্ধবীরা'  ধর্মের টানে বিনোদন জগত থেকে চিরবিদায় নিলেন জায়রা  যুবলীগ নেতা কম্পিউটার অপারেটর কাজী আনিসের ঢাকার বাড়ি-ফ্ল্যাট জব্দ   ট্রাম্পকে আইএসের ভিডিওতে হুমকি দিত যে আমেরিকান বালক  ডিজিটাল পঞ্চগড় বিনির্মাণে প্রস্তুতিমুলক সভা  কানাডার ‘বেগমপাড়ায়’ তালিকা চেয়েছে দুদক

রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে না পাঠাতে আন্তর্জাতিক চাপ রয়েছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

 Sun, Oct 18, 2020 9:26 PM
রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে না পাঠাতে আন্তর্জাতিক চাপ রয়েছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

এশিয়া খবর ডেস্ক:: কিছু রোহিঙ্গা ভাসানচরে যেতে আগ্রহী হলেও

 ইউএনএইচসিআরসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা থেকে তাদেরকে সেখানে না পাঠাতে সরকারের ওপর চাপ রয়েছে বলে রোববার জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমাদের ওপর চাপ রয়েছে, ইউএনএইচসিআর এবং অন্যান্য এনজিওগুলোর পক্ষ থেকে রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে না পাঠানোর জন্য সরকারের ওপর চাপ রয়েছে।’


ড. মোমেন বলেন, ‘ভাসানচর একটি খুব সুন্দর জায়গা এবং এটি একটি রিসোর্ট হওয়া উচিত ছিল। আমি যদি এর দায়িত্বে থাকতাম তবে আমি এটিকে একটি রিসোর্ট হিসেবে তৈরি করতাম।’

তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গারা রাখাইনে যেভাবে জীবিকা নির্বাহ করতেন, ভাসানচরে গেলে সেভাবেই জীবিকা নির্বাহ করতে পারবেন। এমন অনেক লোক আছেন যারা যেতে ইচ্ছুক…।’

এক প্রশ্নের জবাবে ড. মোমেন বলেন, সরকার ধীরে ধীরে সেখানে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তরিত করতে চায়।

ভাসানচরের পরিস্থিতি নিয়ে যদিও সম্প্রতি রোহিঙ্গা নেতারা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন, তারপরও সেখানে জাতিসঙ্ঘের কারিগরি ও মানবিক সুরক্ষা দলের সফরের ওপর জোর দিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত রেনসে তেরিঙ্ক।

তিনি বলেন, সম্প্রতি প্রথমবারের মতো গিয়ে পরিস্থিতি দেখাটি ছিল এক সমাদৃত পদক্ষপ। তবে, প্রস্তাবিত জাতিসঙ্ঘের কারিগরি ও সুরক্ষা মূল্যায়নের বিষয়টিকে এগিয়ে নেয়াও গুরুত্বপূর্ণ। সেই সাথে সেখানে ইতোমধ্যে স্থানান্তরিত ৩০৬ শরণার্থীর মানবিক ও সুরক্ষা পরিস্থিতি মূল্যায়নে আলাদাভাবে সফর দরকার।

কক্সবাজারের শিবিরগুলো থেকে এক লাখ রোহিঙ্গাকে এ বছর ভাসানচরে স্থানান্তর শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত, ব্রিটিশ হাইকমিশনার, কানাডিয়ান হাইকমিশনের মানবিক সহায়তা প্রধান, বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর ও জাতিসঙ্ঘের আবাসিক সমন্বয়কের মতো বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা সম্প্রতি কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করেন।

প্রতিনিধি দলটি ভাসানচর প্রকল্প নিয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে কথাও বলেন। প্রতিনিধিদলের সদস্যরা তাদের সব আলোচনায় রোহিঙ্গা উদ্বাস্তু ও ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় বাংলাদেশিদের সাহায্যে তাদের অটল প্রতিশ্রুতির বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে আশ্বাস দেন।

বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন বলেন, ‘এ সংকটের শুরু থেকে আমরা বাংলাদেশের সাথে রয়েছি এবং কক্সবাজারে উন্নয়ন সহায়তা বাড়ানো অব্যাহত রাখব। ইতোমধ্যে ৫০ কোটি ডলারের বেশি অনুদান দিয়েছি। এ সংকটকে ভুলে যাওয়া যায় না এবং যাবে না।’

রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয়ের ক্ষেত্রে উদারতা এবং তাদের ফেরা অবশ্যই স্বেচ্ছামূলক, নিরাপদ ও সম্মানের সাথে হতে হবে বলে একমত হওয়ায় বাংলাদেশের প্রশংসা করে প্রতিনিধিদলটি।

তারা পুনর্ব্যক্ত করেন যে এ সংকটের সমাধান রয়েছে মিয়ানমারে এবং সংকটের মূল কারণ সমাধান করতে হবে।

তারা উল্লেখ করেন, রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা জনগণের ওপর চালানো নৃশংসতার জন্য দায়ীদের বিচারের মুখোমুখি করা গেলে তা উদ্বাস্তুদের নিজ দেশে ফেরার ক্ষেত্রে আস্থা ফেরাতে অবদান রাখবে।

সূত্র : ইউএনবি

Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরও দেখুন