সদ্য সংবাদ

 নবীনগরে দুস্থ নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ  মির্জাপুরে উচ্ছেদের পর অবৈধ স্থাপনা নির্মান, অবরুদ্ধ এলাকাবাসি   সেরা শিল্পী জাস্টিন বিবার ও টেইলর সুইফট   ‘জবাবদিহিমূলক জনপ্রশাসন গড়ে তুলতে হবে’  চলমান কাজ শেষ না করলে ঠিকাদারকে পরের কাজ নয়  কানাডার 'বেগমপাড়া', অর্থ পাচারকারী সেই ২৮ জন কারা  দেশকে লাইফ সাপোর্টে নিয়ে গেছে সরকার   ভারতীয় ‘ক্রাইম পেট্রল’ দেখে পরিবারের ৪ জনকে হত্যা   গণতন্ত্রের আলোয় 'কালো' কমলার উত্থান   দখলমুক্ত মসজিদে চুমু খেয়ে ঢুকলেন আজেরি প্রেসিডেন্ট  মোহাম্মদপুর বিহারি বস্তির আগুন নিয়ন্ত্রণে   না’গঞ্জ বিআইডব্লিউটিএ’ দুদকের অভিযান   দিল্লির সরকার আলুর সরকার, এদের আর একটি ভোটও নয় : মমতা   ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়, অপব্যবহার করবেন না: ওবায়দুল কাদের   চিরকুটে লেখা 'বিদায় বান্ধবীরা'  ধর্মের টানে বিনোদন জগত থেকে চিরবিদায় নিলেন জায়রা  যুবলীগ নেতা কম্পিউটার অপারেটর কাজী আনিসের ঢাকার বাড়ি-ফ্ল্যাট জব্দ   ট্রাম্পকে আইএসের ভিডিওতে হুমকি দিত যে আমেরিকান বালক  ডিজিটাল পঞ্চগড় বিনির্মাণে প্রস্তুতিমুলক সভা  কানাডার ‘বেগমপাড়ায়’ তালিকা চেয়েছে দুদক

দুর্নীতির দায়ে কারাগারে সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ

 Mon, Oct 19, 2020 9:05 PM
দুর্নীতির দায়ে কারাগারে সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ

রাজশাহী প্রতিনিধি:: : দুর্নীতির মামলায় গোদাগাড়ী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ

 আব্দুর রহমানকে  কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।  সোমবার দুপুরে রাজশাহী জেলা দায়রা জজ  এর  বিচারক মীর শফিকুল ইসলাম  অধ্যক্ষ আব্দুর রহমানকে  কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে ২০১৮ সালে গোদাগাড়ী সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ মোঃ উমরুল হক অধ্যক্ষ আব্দুর রহমানের বিরুদ্ধে সিনিয়র স্পেশাল ট্রাইবুনাল ও রাজশাহী দায়রা জজ আদালতে মামলা করেন (মামলা নং ৭/২০১৮)।

আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে দুদক রাজশাহী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপর তদন্ত ভার অর্পণ করেন।

রাজশাহী জেলা দুদকের সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক মো. আলমগীর হোসেন মামলাটি তদন্ত করেন। তদন্ত রির্পোটে অধ্যক্ষ আব্দুর রহমান কর্তৃক কলেজ একাউন্টের ৭২ লক্ষ ৪২ হাজার ৭৩০ টাকা অত্নসাতের বিষয়টি প্রমাণ হয়।

এদিকে, অধ্যক্ষ আব্দুর রহমানের শ্যালক সেলিম হাসান অন্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত থাকলেও গোদাগাড়ী কলেজে তার পূর্বের যোগদান বহাল রাখেন এবং তাকে সরকারি কলেজের শিক্ষক করার মানসে সেলিম হাসানের কাগজপত্র ডিজিতে প্রেরণ করেন।

এছাড়াও তিনি মনোবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক তারেক আজিজকে নিয়োগ দেওয়ার জন্য চেকের মাধ্যমে ৯ লক্ষ গ্রহণ করেন ফলে দুদকের তদন্তে আব্দুর রহমানের ঘুষ নেবার বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে। অন্যদিকে, বাংলা বিভাগের প্রভাষক মনিরুল ইসলামের নিকট হতে ৮ লক্ষ টাকা ঘুষ গ্রহণ করেছে মর্মে মনিরুল ইসলাম ফৌজদারি কার্যবিধি ১৬১ ধারায় দুদকের নিকট জবানবন্দি প্রদান করেছেন

Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরও দেখুন