সদ্য সংবাদ

 বিজেপি দশটা মারলে আমরা বিশটা মারব: পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকী  বন্ধু রোহনকে বিয়ে করতে যাচ্ছেন শ্রদ্ধা কাপুর  অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সহকারী কর কমিশনার বরখাস্ত   যাদের ট্যাক্সের টাকায় আমাদের বেতন হয় তাদের সেবা দিতে হবে: ডিসি  বাংলাদেশ ভ্রমণে সতর্কতা জারি যুক্তরাষ্ট্রের  নারীদের নিয়ে ফুর্তি, আ’লীগ নেতা গ্রেফতার  পঞ্চগড়ে করোনা সচেতনতায় সড়কে ক্যাডেটরা   হরিণাকুন্ডু পৌরসভা নির্বাচন ৯টি কেন্দ্র ঝুকিপুর্ন!  করোনা আক্রান্ত হয়ে কালীগঞ্জের সন্তান জাবির সাবেক কর্মকর্তার মৃত্যু!   ৭ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী টিকাদান কর্মসূচি শুরু  বিদেশে টাকা পাচারকারীদের নাম প্রকাশের দাবি সংসদে  সরকার ক্রীড়া ক্ষেত্রে দুর্নীতির মহোৎসব করছে : মির্জা ফখরুল  ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে সরকার বড় দুর্নীতি করেছে : মির্জা ফখরুল   নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন কুষ্টিয়ার সেই এসপি তানভীর   নারায়ণগঞ্জে মৃত ৬ মুক্তিযোদ্ধা লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন জেলা প্রশাসক বরাবর  উত্তরবঙ্গ এখন দ্বিতীয় চা অঞ্চল হিসেবে পরিনত  করোনা থেকে রক্ষায় আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করার আহ্বান-ডেপুটি স্পিকারের   বাংলাদেশে টিকার দাম কত হবে, জানালেন পাপন   কারাগারে হলমার্ক জিএমের নারীসঙ্গী, ডেপুটি জেলারসহ ৩ জন প্রত্যাহার   যে তারকাকে টুইটারে ফলো করেন বাইডেন

সিইসির দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে দুদকে আবেদন

 Thu, Jan 7, 2021 11:01 PM
সিইসির দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে দুদকে আবেদন

এশিয়া খবর ডেস্ক:: প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও কর্মকর্তাদের

 বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) আবেদন করেছেন সুপ্রিম কোর্টের ১০ আইনজীবী।

তাদের বিরুদ্ধে প্রশিক্ষণ ভাতার নামে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন এবং নির্বাচন কমিশনের নীতিমালা ব্যতীত ৭ কোটি ৪৭ লাখ ৫৭ হাজার টাকা খরচের মাধ্যমে সরকারি অর্থের ক্ষতিসাধন বিষয়ে অনুসন্ধান, তদন্ত পরিচালনা এবং মামলার অনুরোধ জানিয়ে এ অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুদক চেয়ারম্যান বরাবর অভিযোগটি করেন এই আইনজীবীরা। তাদের মধ্যে রয়েছেন- মোহাম্মদ শিশির মনির, মো. আসাদ উদ্দিন, মোহা. মুজাহিদুল ইসলাম প্রমুখ। অভিযোগপত্রে একটি জাতীয় দৈনিকে গত ৩ জানুয়ারি 'প্রশিক্ষণ ভাতা নিয়ে ঘুম হারাম ইসির' শিরোনামে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনও সংযুক্ত করা হয়েছে।

অভিযোগ বিষয়ে আবেদনপত্রে বলা হয়, প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদিত পদ ছাড়াই 'বিশেষ বক্তা', 'কোর্স পরিচালক' ও 'কোর্স উপদেষ্টা' হিসেবে ভাতা নেওয়া, নির্ধারিত হারের চেয়ে বেশি এবং খাত পরিবর্তন করে ভাতা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশনারগণ, বর্তমান সচিব, সদ্য সাবেক সচিব এবং নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তারা এসব কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।

এর মাধ্যমে অভিযুক্তরা রাষ্ট্রের মোট ৭ কোটি ৪৭ লাখ ৫৭ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন করেছেন বলেও দাবি করা হয়। আবেদনে অভিযোগ আমলে নিয়ে ওই ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে মামলার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement
Advertisement

আরও দেখুন